শিরোনাম

কলমাকান্দায় জাসাসের কর্মী সম্মেলন অনুষ্ঠিত লেবাননে ইসরায়েলি ড্রোন হামলায় সাতক্ষীরার দুই প্রবাসী নিহত, পরিবারে শোকের মাতম বঙ্গোপসাগরে লঘুচাপ, যেসব অঞ্চলে টানা ৫ দিন ভারী বৃষ্টির সতর্কবার্তা একবার এফআইআর হলে তা আর প্রত্যাহার করা যায় না: হাইকোর্ট ইসরাইলি বসতি স্থাপনকারী ও হামাস নেতাদের ওপর নিষেধাজ্ঞা দিচ্ছে ইইউ
ছবি: বিএমএফ টেলিভিশন।

বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন তরুণের বানানো ‘স্মার্ট কারে’ চড়লেন প্রধানমন্ত্রী


বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন তরুণ ওয়াকিমুল ইসলামের বানানো ‘স্মার্ট কারে’ চড়ে তাকে উৎসাহ দিলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
শনিবার (০৯ মে) সকালে প্রধানমন্ত্রীর তেজগাঁওয়ের কার্যালয়ে তার সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন ওয়াকিমুল ইসলাম।


এসময় তার বানানো ছোট এই বাহনটি দেখেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। পরে প্রধানমন্ত্রীকে নিয়ে স্মার্ট কারটি চালিয়ে দেখান ওয়াকিমুল ইসলাম। ব্যাটারি চালিত বিশেষ এই যানের নাম দেওয়া হয়েছে ‘এ টু আই স্মার্ট কার’।


প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দেশীয় প্রযুক্তি ব্যবহার করে এই বাহন তৈরি করায় ১৭ বছরের তরুণের প্রশংসা করেন। একই সঙ্গে তিনি কম খরচে আরো আধুনিক ও সহজে ব্যবহারযোগ্য স্মার্ট কার তৈরির পরামর্শও দেন। প্রধানমন্ত্রী এই ধরনের সৃজনশীল উদ্যোগে সরকারের সহযোগিতার আশ্বাসও দেন।


সাক্ষাৎকালে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে স্মার্ট কার তৈরির গল্প শুনিয়েছেন ওয়াকিমুল ইসলাম। বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন এই তরুণ জানান, এক সময় তিনি সারাদিন বাসায় বসে থাকতেন, বাহিরে বের হতে পারতেন না। কীভাবে বাহিরে একা চলাফেরা করা যায়, সেই চিন্তা থেকে তিনি কারটি বানানো শুরু করেন।


ওয়াকিমুল ইসলাম যশোরের চৌগাছা সরকারি কলেজে একাদশ শ্রেণীতে পড়েন। বিজ্ঞান বিভাগের এই শিক্ষার্থীর পিতা একজন ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী। ওয়াকিমুল ইসলাম জানান, সহযোগিতা পেলে আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার করে আরো উন্নতমানের স্মার্ট কার বানানো সম্ভব। এটি বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন ব্যক্তি ছাড়া বয়স্ক ব্যক্তিরাও ব্যবহার করতে পারবেন।


ওয়াকিমুল ইসলামের সঙ্গে এসেছিলেন বাংলাদেশ প্রতিবন্ধী কল্যাণ সমিতির (বিপিকেস) প্রতিষ্ঠাতা ও নির্বাহী পরিচালক আবদুস সাত্তার দুলাল। তিনি জানান, গাড়িটি বৈদ্যুতিক চার্জে ৫০ কিলোমিটার পর্যন্ত চলতে পারে। ঘণ্টায় সর্বোচ্চ গতি ৪৫ কিলোমিটার।


এসময় প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন তার প্রতিরক্ষা উপদেষ্টা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) এ কে এম শামছুল ইসলাম, প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব এ বি এম আব্দুস সাত্তার, প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমনসহ কার্যালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।
 

বিনোদন

ছবি: সংগৃহীত।

আবারও ফিরছে নেটফ্লিক্সে কালজয়ী সিরিজ ‘মানি হাইস্ট’

স্পেনের একটি সাধারণ সিরিজ থেকে বিশ্ব কাঁপানো পপ-কালচার আইকনে পরিণত হওয়া ‘মানি হাইস্ট’ (লা কাসা দে পাপেল) আবারও পর্দায় ফিরছে। দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর নেটফ্লিক্স এই ফ্র্যাঞ্চাইজির নতুন প্রজেক্টের ঘোষণা দিয়েছে। 

 ‘বেলা চাও’ গানের সুর যে এখনই থামছে না, সেটি এখন নিশ্চিত। তবে ভক্তদের প্রশ্ন, এবার কি আসছে ‘মানি হাইস্ট’-এর ষষ্ঠ সিজন, নাকি তৈরি হচ্ছে নতুন কোনো স্পিন-অফ?

সিরিজটিতে ‘প্রফেসর’ চরিত্রে অভিনয় করা আলভারো মোর্তে স্বয়ং এই ফেরার ঘোষণা দেন। সম্প্রতি ‘বার্লিন’ সিরিজের দ্বিতীয় সিজনের প্রিমিয়ার অনুষ্ঠানে তিনি এই খবরটি সবার সামনে আনেন। 

উল্লেখ্য, আগামী ১৫ মে নেটফ্লিক্সে মুক্তি পেতে যাচ্ছে ‘বার্লিন’ সিজন ২। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্স-এ (সাবেক টুইটার) একটি ভিডিও শেয়ার করে নেটফ্লিক্স ক্যাপশন দিয়েছে, ‘বেলা চাও এখনও বাজছে। মানি হাইস্ট-এর দুনিয়া চলতেই থাকবে।’  

নতুন কী থাকছে? 

নেটফ্লিক্সের পক্ষ থেকে এখনো স্পষ্ট করা হয়নি যে, এটি মূল সিরিজের নতুন সিজন হবে নাকি কোনো স্পিন-অফ। তবে স্প্যানিশ সংবাদপত্র ‘এল পাইস’-এর একটি প্রতিবেদন অনুযায়ী, সিরিজের স্রষ্টা অ্যালেক্স পিনা এবং ভ্যানকুভার প্রোডাকশন বর্তমানে ৪ পর্বের একটি মিনি-সিরিজের কাজ করছেন। এই মিনি-সিরিজের কেন্দ্রবিন্দুতে থাকতে পারেন জনপ্রিয় চরিত্র কর্নেল তামায়ো (ফার্নান্দো কায়ো)। 

তবে নেটফ্লিক্সের সাম্প্রতিক রহস্যময় ঘোষণাটি কি এই কর্নেল তামায়োর গল্প নিয়ে, নাকি প্রফেসরের টিমের নতুন কোনো মিশনের ইঙ্গিত—তা নিয়ে জল্পনা তুঙ্গে। 

এক সময় বাতিলের খাতায় চলে যাওয়া এই সিরিজটি নেটফ্লিক্সে আসার পর বিশ্বজুড়ে আলোড়ন সৃষ্টি করে। ইতোমধ্যে এর স্পিন-অফ ‘বার্লিন’, দুটি তথ্যচিত্র এবং ভিডিও গেম মুক্তি পেয়েছে। 

বিদ্রোহের প্রতীক লাল জাম্পসুট আর ডালি মাস্ক আবারও স্ক্রিনে দেখার অপেক্ষায় প্রহর গুনছেন সারা বিশ্বের কয়েক কোটি দর্শক। 


 

খেলা

ছবি: সংগৃহীত।

ইরানের ফুটবল প্রধানকে প্রবেশের অনুমতি দেয়নি কানাডা

ফিফা কংগ্রেসে অংশ নিতে কানাডার ভ্যাঙ্কুভারে যাওয়ার কথা থাকলেও ইরানের ফুটবল প্রধান মেহেদি তাজকে দেশে প্রবেশ করতে দেয়নি কানাডা। ইরানের সংবাদমাধ্যম তাসনিম ও ইউএসএ টুডে এ তথ্য প্রকাশ করেছে।

তথ্য অনুযায়ী, ইমিগ্রেশন কর্মকর্তাদের সঙ্গে ‘অসদাচরণের’ অভিযোগে তাকে বিমানবন্দর থেকেই ফিরিয়ে দেওয়া হয়। তার সঙ্গে ফেডারেশনের আরও দুই কর্মকর্তা—হেদায়াত মমবেইনি ও হামিদ মোমেনিও ছিলেন।

প্রতিবেদন বলছে, ভিসা ও অস্থায়ী রেসিডেন্ট পারমিট থাকা সত্ত্বেও শেষ পর্যন্ত তাকে প্রবেশের অনুমতি দেওয়া হয়নি। এর প্রধান কারণ হিসেবে ইসলামিক রেভ্যুলুশনারি গার্ড কর্পসের সঙ্গে তার পূর্ববর্তী সংশ্লিষ্টতা দেখানো হয়েছে।

জানা যায়, অতীতে তিনি আইআরজিসির একজন কমান্ডার ছিলেন। কানাডা সংস্থাটিকে একটি সন্ত্রাসী সংগঠন হিসেবে বিবেচনা করে, তাই তাদের অবস্থান অনুযায়ী আইআরজিসি সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের প্রবেশ নিষিদ্ধ।

শেষ পর্যন্ত জিজ্ঞাসাবাদের পর তাকে ফেরত পাঠানো হয়। যদিও কানাডার অভিবাসন কর্তৃপক্ষ নির্দিষ্ট ঘটনায় মন্তব্য না করলেও জানিয়েছে, আইআরজিসি সম্পর্কিত ব্যক্তিদের প্রবেশের বিষয়ে তাদের অবস্থান কঠোর এবং তারা দেশের নিরাপত্তা নীতি বজায় রাখতে এমন পদক্ষেপ অব্যাহত রাখবে।