শিরোনাম

মধ্যপ্রাচ্যে ফের উত্তেজনা, জ্বালানি সংকট নিয়ে কী ভাবছে সরকার? নেতানিয়াহুকে গ্রেপ্তারের ব্যাপারে মামদানির বক্তব্য উড়িয়ে দিলেন ট্রাম্প রাহুল-প্রিয়াঙ্কাকে বিক্ষোভ থেকে সরিয়ে দিল পুলিশ নারীর সঙ্গে সেই ভাইরাল ভিডিও নিয়ে মুখ খুললেন জামায়াত এমপি গাজায় হামাস কমান্ডারকে হত্যার দাবি ইসরাইলের
ছবি: বিএমএফ টেলিভিশন।

লন্ডনে ওয়ার্ল্ড হিউম্যান রাইটস অর্গানাইজেশন ইউকের উদ্যোগে আন্তর্জাতিক প্রতিবাদ সমাবেশ

ওয়ার্ল্ড হিউম্যান রাইটস অর্গানাইজেশন ইউকের উদ্যোগে মঙ্গলবার বিকেল ৫টায় পূর্ব লন্ডনের ঐতিহাসিক আলতাব আলী পার্কে এক আন্তর্জাতিক প্রতিবাদ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। সম্প্রতি সংঘটিত রামিসা হত্যা, নারী ও শিশু নির্যাতন, ধর্ষণ, সাংবাদিক নির্যাতন এবং মানবাধিকার লঙ্ঘনের বিভিন্ন ঘটনার প্রতিবাদে এ সমাবেশের আয়োজন করা হয়।

সংগঠনের সভাপতি আশিকুল ইসলাম আশিকের সভাপতিত্বে এবং সাধারণ সম্পাদক লাভলু লস্কর , ড. আজিজুল আম্বিয়া ও জাকির হোসেন সেলিমের যৌথ সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত সমাবেশে যুক্তরাজ্যপ্রবাসী বাংলাদেশি কমিউনিটির বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার প্রতিনিধিরা অংশগ্রহণ করেন।

সমাবেশে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন বিবিসির সাবেক সাংবাদিক শামীম চৌধুরী। তিনি বলেন, একটি সভ্য ও গণতান্ত্রিক সমাজ প্রতিষ্ঠার জন্য মানবাধিকার, আইনের শাসন এবং মতপ্রকাশের স্বাধীনতা নিশ্চিত করা অত্যন্ত জরুরি। তিনি দেশে চলমান সহিংসতা, নারী নির্যাতন, সাংবাদিকদের ওপর হামলা এবং বিচারহীনতার সংস্কৃতি বন্ধে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের আহ্বান জানান।

বক্তারা বলেন, রামিসা হত্যাকাণ্ডসহ সাম্প্রতিক বিভিন্ন নৃশংস ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও দ্রুত বিচার নিশ্চিত করতে হবে। পাশাপাশি নারী ও শিশুদের নিরাপত্তা, মানবাধিকার সুরক্ষা এবং স্বাধীন সাংবাদিকতার পরিবেশ নিশ্চিত করার দাবি জানান তারা।

এ সময় বক্তব্য রাখেন মানবাধিকার কর্মী আব্দুল আহাদ চৌধুরী, আ.স.ম. মিসবা, মুজিবুল হক মনি, নাজমিন সুলতানা শিখা, মোহন মিয়া, আব্দুল কুদ্দুস, জহিরুল ইসলাম, হুমায়ুন কবীর, জামাল আহমদ, আংগুর আলী, জাকির হোসেন সেলিম, ফয়সল আহমদ,  আব্দুল হেলাল চৌধুরী সেলিম, মতব্বির হোসেন চুনু, হুমায়ুন কবির, আব্দুল জলিল চৌধুরী, আব্দুর রব, ছইল মিয়া, রিপোর্টার্স ইউনিটির সভাপতি অধ্যক্ষ সাহেদ রহমান, সাধারণ সম্পাদক আব্দুল বাছির, অ্যাডভোকেট বজলুর রশীদ, মুফতি আব্দুল ওদুদ, মুজিবুল হক মুজিব, ইমদাদুন খানম, জেসিকা চৌধুরী, রিপা আক্তার, শাহ লাভলী রহমান, জামিলা খানম, সাগর চৌধুরী মোহন, ময়না মিয়া, মকবুল হোসেন, নিজাম উদ্দিন, আব্দুস সাত্তার, নুরুল হক, মোহাম্মদ রুনু, সৈয়দ গোলাব মিয়া, আবুল হোসেন, একলিম মিয়া, নাজমুল হোসেন, জুবেল আহমদ বেলাল, শরীফ আলম, মো. গিয়াস উদ্দিন সোহাগ, সেলিম আহমেদ, রুমেল খান, মাসুম বিল্লাহ, আব্দুল হকসহ আরও অনেকে।

সমাবেশ শেষে বক্তারা বিশ্বব্যাপী মানবাধিকার রক্ষা, বৈষম্য ও নিপীড়নের বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ জনমত গড়ে তোলা এবং গণমানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠায় আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে আরও সক্রিয় ভূমিকা পালনের আহ্বান জানান। একই সঙ্গে তারা সকল ধরনের হত্যা, ধর্ষণ, নির্যাতন ও মানবাধিকার লঙ্ঘনের বিরুদ্ধে সোচ্চার থাকার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।

বিনোদন

ছবি: সংগৃহীত।

বিয়েটা আর করতে হলো না: পরীমনি

আর্জেন্টিনা বিশ্বকাপ জিতলে আবার বিয়ে করার ঘোষণা দিয়েছিলেন চিত্রনায়িকা পরীমনি। তবে ফাইনালে স্পেনের কাছে আর্জেন্টিনার হারের পর সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে করা এক পোস্টে পরীমনি লিখেছেন বিয়েটা আর করতে হলো না। ভালোবাসার আর্জেন্টিনা, আবার দেখা হবে।

রোববার রাতে নিউ জার্সির মেটলাইফ স্টেডিয়ামে বিশ্বকাপ ফাইনাল ৯০ মিনিট গোলশূন্য শেষ হয়। অতিরিক্ত সময়ে গিয়ে গোলের দেখা পায় স্পেন। বদলি হিসেবে নামা ফেরান তোরেসের দুর্দান্ত গোলে বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন হয় স্পেন। শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত লিওনেল মেসিকে সামনে রেখে মরিয়া চেষ্টা চালিয়েও সমতায় ফিরতে পারেনি ১০ জনের আর্জেন্টিনা।

খেলার মাঝখানে এনজো ফার্নান্দেজ পর পর দুই হলুদ কার্ড দেখে মাঠ ছাড়ায় সংখ্যাগত সুবিধা নিয়ে অতিরিক্ত সময় শুরু করে স্পেন। 

নির্ধারিত ৯০ মিনিটের পর অতিরিক্ত সময়ের দ্বিতীয়ার্ধ শুরু হতেই ডান দিক দিয়ে আক্রমণ গড়ে তোলে স্পেন। পেদ্রো পোরোর ক্রস দূরের পোস্টে নিয়ন্ত্রণে নেন নিকো উইলিয়ামস। অসাধারণ দক্ষতায় বলটি নামিয়ে দেন ফেরান তোরেসের সামনে। এক মুহূর্ত দেরি না করে ডান পায়ের জোরালো ভলিতে এমিলিয়ানো মার্টিনেজকে পরাস্ত করেন বার্সেলোনা ফরোয়ার্ড।

১০৬ মিনিটের সেই গোলেই ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে যায় স্পেন। বিশ্বকাপ ফাইনালে বদলি খেলোয়াড় হিসেবে গোল করা ইতিহাসের মাত্র পঞ্চম ফুটবলার হন তোরেস। ২০১৪ সালে জার্মানির মারিও গ্যোৎসের পর প্রথম বদলি হিসেবে ফাইনালে গোলের কীর্তিও গড়েন তিনি।

খেলা

ছবি: সংগৃহীত।

৬৪ দলের বিশ্বকাপ হবে ‘দায়িত্বজ্ঞানহীন’: লা লিগা সভাপতি

২০৩০ সালে যৌথভাবে বিশ্বকাপের শতবর্ষী আসর আয়োজন করবে স্পেন, পর্তুগাল ও মরক্কো। সেই বিশেষ বিশ্বকাপ ৬৪ দল নিয়ে আয়োজনের আলোচনা শুরু করেছে বিশ্ব ফুটবলের সর্বোচ্চ সংস্থা ফিফা। তবে বিশ্ব ফুটবলের নিয়ন্ত্রক সংস্থার এমন উদ্যোগকে ‘দায়িত্বজ্ঞানহীন’ উল্লেখ করে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন স্প্যানিশ ফুটবল লিগ ‘লা লিগা’র সভাপতি হাভিয়ের তেবাস।

ইতালির বিখ্যাত ক্রীড়া দৈনিক লা গাজ্জেত্তা দেল্লো স্পোর্তে প্রকাশিত এক সাক্ষাৎকারে ফিফা সভাপতি জিয়ান্নি ইনফান্তিনোরও কড়া সমালোচনা করেন তেবাস। সাক্ষাৎকারে ইনফান্তিনোর মেয়াদের দিকে ইঙ্গিত করে লা লিগা প্রধানের ক্ষোভ, ‘এক দশক ধরে ফুটবলবিশ্বের প্রধান সংস্থা পরিচালনা করছেন ইনফান্তিনো। তবে যে ব্যবস্থার ওপর ভর করে তিনি ক্ষমতায় রয়েছেন, সে ব্যবস্থাতেই বড় ধরনের ত্রুটি আছে। ফুটবলে ইনফান্তিনোর অধ্যায় এখন শেষের পথে।’

ফুটবলের বিশ্বায়ন ও অতিরিক্ত ম্যাচের ফলে ঘরোয়া ফুটবলের ক্ষতির দিকটি তুলে ধরে তেবাস বলেন, ‘বিশ্বকাপ যত গুরুত্বপূর্ণই হোক না কেন, ফুটবল বলতে শুধু বিশ্বকাপকেই বোঝায় না। তারা মাত্র ৪০ দিনের একটা টুর্নামেন্টের জন্য পুরো ফুটবল–শিল্পকে ধ্বংস করে দিচ্ছে। অথচ এই ফুটবল লাখ লাখ মানুষের কর্মসংস্থান তৈরি করে এবং এখানে সাকল্যে গুটিকয়েক ফুটবলার অংশ নেওয়ার সুযোগ পায়।’  

এবারের বিশ্বকাপের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে ফিফা সভাপতি ২০৩০ সালে শতবর্ষী বিশ্বকাপে দল সংখ্যা বাড়িয়ে ৬৪ করার বিষয়ে আলোচনার কথা প্রথম প্রকাশ্যে আনেন। উল্লেখ্য, ২০৩০ বিশ্বকাপ যৌথভাবে মূল আয়োজক হিসেবে আয়োজন করবে স্পেন, পর্তুগাল ও মরক্কো। এ ছাড়া শতবর্ষ উদ্যাপনের অংশ হিসেবে প্যারাগুয়ে, উরুগুয়ে ও আর্জেন্টিনায়ও একটি করে ম্যাচ হবে।

ফিফার ফুটবল ক্যালেন্ডার ও অতিরিক্ত ম্যাচের চাপ নিয়ে উদ্বেগ জানিয়ে তেবাসের সংযোজন, ‘আন্তর্জাতিক ম্যাচের ব্যস্ত সূচি নিয়ে আমরা বারবার নিজেদের উদ্বেগের কথা জানিয়েছি। আর এখন তারা ৬৪ দল নিয়ে বিশ্বকাপ আয়োজনের পাঁয়তারা করছে! তাদের বোঝা উচিত, ফুটবল খেলাটাকে মূলত বাঁচিয়ে রাখে বিভিন্ন দেশের ঘরোয়া লিগগুলো।’

তেবাস আরও বলেন, ‘আমাদের এখন জাতীয় দলের ম্যাচ কমানো দরকার এবং সব স্তরের ঘরোয়া ফুটবলকে আরও সুরক্ষা দেওয়া উচিত। কিন্তু তারা এসব না ভেবে একের পর এক দায়িত্বজ্ঞানহীন সিদ্ধান্ত নিয়ে যাচ্ছে।’