শিরোনাম

ইসলামী ব্যাংককে আরও ২৫০০ কোটি টাকা বিশেষ ধার দিল কেন্দ্রীয় ব্যাংক ধর্ষণের অভিযোগে নরওয়ের ক্রাউন প্রিন্সেসের ছেলেকে ৪ বছরের কারাদণ্ড সাতক্ষীরায় মাদকবিরোধী কর্মশালা অনুষ্ঠিত মাদকাসক্তিমুক্ত বাংলাদেশ গড়াই আমাদের লক্ষ্য আমেরিকার মাটিতে পা রাখলো ইরান, কোচ বললেন, ‘আমরা রাজনীতির লোক নই’ আলজেরিয়া ম্যাচের আগে আর্জেন্টিনার দলে স্বস্তির খবর
ছবি: বিএমএফ টেলিভিশন।

লন্ডনে ওয়ার্ল্ড হিউম্যান রাইটস অর্গানাইজেশন ইউকের উদ্যোগে আন্তর্জাতিক প্রতিবাদ সমাবেশ

ওয়ার্ল্ড হিউম্যান রাইটস অর্গানাইজেশন ইউকের উদ্যোগে মঙ্গলবার বিকেল ৫টায় পূর্ব লন্ডনের ঐতিহাসিক আলতাব আলী পার্কে এক আন্তর্জাতিক প্রতিবাদ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। সম্প্রতি সংঘটিত রামিসা হত্যা, নারী ও শিশু নির্যাতন, ধর্ষণ, সাংবাদিক নির্যাতন এবং মানবাধিকার লঙ্ঘনের বিভিন্ন ঘটনার প্রতিবাদে এ সমাবেশের আয়োজন করা হয়।

সংগঠনের সভাপতি আশিকুল ইসলাম আশিকের সভাপতিত্বে এবং সাধারণ সম্পাদক লাভলু লস্কর , ড. আজিজুল আম্বিয়া ও জাকির হোসেন সেলিমের যৌথ সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত সমাবেশে যুক্তরাজ্যপ্রবাসী বাংলাদেশি কমিউনিটির বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার প্রতিনিধিরা অংশগ্রহণ করেন।

সমাবেশে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন বিবিসির সাবেক সাংবাদিক শামীম চৌধুরী। তিনি বলেন, একটি সভ্য ও গণতান্ত্রিক সমাজ প্রতিষ্ঠার জন্য মানবাধিকার, আইনের শাসন এবং মতপ্রকাশের স্বাধীনতা নিশ্চিত করা অত্যন্ত জরুরি। তিনি দেশে চলমান সহিংসতা, নারী নির্যাতন, সাংবাদিকদের ওপর হামলা এবং বিচারহীনতার সংস্কৃতি বন্ধে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের আহ্বান জানান।

বক্তারা বলেন, রামিসা হত্যাকাণ্ডসহ সাম্প্রতিক বিভিন্ন নৃশংস ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও দ্রুত বিচার নিশ্চিত করতে হবে। পাশাপাশি নারী ও শিশুদের নিরাপত্তা, মানবাধিকার সুরক্ষা এবং স্বাধীন সাংবাদিকতার পরিবেশ নিশ্চিত করার দাবি জানান তারা।

এ সময় বক্তব্য রাখেন মানবাধিকার কর্মী আব্দুল আহাদ চৌধুরী, আ.স.ম. মিসবা, মুজিবুল হক মনি, নাজমিন সুলতানা শিখা, মোহন মিয়া, আব্দুল কুদ্দুস, জহিরুল ইসলাম, হুমায়ুন কবীর, জামাল আহমদ, আংগুর আলী, জাকির হোসেন সেলিম, ফয়সল আহমদ,  আব্দুল হেলাল চৌধুরী সেলিম, মতব্বির হোসেন চুনু, হুমায়ুন কবির, আব্দুল জলিল চৌধুরী, আব্দুর রব, ছইল মিয়া, রিপোর্টার্স ইউনিটির সভাপতি অধ্যক্ষ সাহেদ রহমান, সাধারণ সম্পাদক আব্দুল বাছির, অ্যাডভোকেট বজলুর রশীদ, মুফতি আব্দুল ওদুদ, মুজিবুল হক মুজিব, ইমদাদুন খানম, জেসিকা চৌধুরী, রিপা আক্তার, শাহ লাভলী রহমান, জামিলা খানম, সাগর চৌধুরী মোহন, ময়না মিয়া, মকবুল হোসেন, নিজাম উদ্দিন, আব্দুস সাত্তার, নুরুল হক, মোহাম্মদ রুনু, সৈয়দ গোলাব মিয়া, আবুল হোসেন, একলিম মিয়া, নাজমুল হোসেন, জুবেল আহমদ বেলাল, শরীফ আলম, মো. গিয়াস উদ্দিন সোহাগ, সেলিম আহমেদ, রুমেল খান, মাসুম বিল্লাহ, আব্দুল হকসহ আরও অনেকে।

সমাবেশ শেষে বক্তারা বিশ্বব্যাপী মানবাধিকার রক্ষা, বৈষম্য ও নিপীড়নের বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ জনমত গড়ে তোলা এবং গণমানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠায় আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে আরও সক্রিয় ভূমিকা পালনের আহ্বান জানান। একই সঙ্গে তারা সকল ধরনের হত্যা, ধর্ষণ, নির্যাতন ও মানবাধিকার লঙ্ঘনের বিরুদ্ধে সোচ্চার থাকার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।

বিনোদন

ছবি: সংগৃহীত।

বিজয়ের দাম্পত্য বিচ্ছেদের গুঞ্জনে নতুন মোড়, জানা যাবে আজ

দক্ষিণী সিনেমা ইন্ডাস্ট্রির জনপ্রিয় সুপারস্টার থালাপতি বিজয়ের স্ত্রী সংগীতা সোর্নালিঙ্গম লন্ডনে বসবাসকারী শ্রীলংকার তামিল পরিবারের মেয়ে। ১৯৯৯ সালের আগস্ট মাসে তিনি ভালোবেসে বিজয়কে বিয়ে করেছিলেন। সংগীতা বরাবরই প্রচারের আলো থেকে দূরে থাকতে পছন্দ করেন। বিজয় ও সংগীতার দুই সন্তান রয়েছে— জেসন সঞ্জয় ও দিব্যা সাশা।

দীর্ঘদিন ধরে চলছেন তাদের সংসার ভাঙনের গুঞ্জন। তবে এখন শোনা যাচ্ছে ভিন্ন সুর। তাদের আবার এক হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। এতে বিজয়ের ভক্ত-অনুরাগীরা উচ্ছ্বসিত। এ দম্পতির আনুষ্ঠানিক বক্তব্যের অপেক্ষায় রয়েছেন তারা। 

সোমবার (১৫ জুন) আদালতের শুনানির পরই পরিষ্কার হতে পারে, তারা বিবাহবিচ্ছেদের পথে এগোবেন না কি সম্পর্ক আবার ঠিক করার সিদ্ধান্ত নেবেন।

জানা গেছে, এ দম্পতির মধ্যে দূরত্ব কমানোর চেষ্টা চলছে এবং তারা সব মিটমাট করে সম্পর্ক জোড়া লাগানোর পথে হাঁটতে পারেন। যদিও আজ তাদের বিবাহবিচ্ছেদের মামলার শুনানি হওয়ার কথা রয়েছে।

২০২৪ সালে অভিনয় ছেড়ে রাজনীতিতে জড়িয়ে পড়েন থালাপতি বিজয়। রাজনৈতিক দল গঠন করেন। এবং দলের নাম দেন তামিলাগা ভেট্রি কাজাগাম। তিনি দলের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি। এ দলের হয়ে নির্বাচন করে তামিলনাড়ুর মুখ্যমন্ত্রী হয়েছেন থালাপতি বিজয়। তবে বিধানসভা নির্বাচনের বেশ কয়েক মাস আগে থেকেই খবরের শিরোনামে ছিলেন বিজয়। 

জানা গেছে, বিবাহবিচ্ছেদের পথে হাঁটছেন বিজয় ও তার স্ত্রী সংগীতা সোর্নালিঙ্গম। বিবাহবহির্ভূত সম্পর্কের অভিযোগে বিবাহবিচ্ছেদের মামলা করেছেন সংগীতা, এমনও শোনা গিয়েছিল। এর মধ্যে অভিনেত্রী তৃষা কৃষ্ণানের সঙ্গেও গুঞ্জন ছড়িয়ে পড়ে বিজয়ের। কিন্তু বর্তমান খবর ভিন্ন— স্ত্রী সংগীতার সঙ্গেই নাকি মীমাংসার পথে হাঁটছেন তামিলনাড়ুর মুখ্যমন্ত্রী। 

আরও জানা গেছে, এ দম্পতির মধ্যে দূরত্ব কমানোর চেষ্টা চালাচ্ছেন বিজয়ের মা। সব মিটমাট করে সম্পর্ক জোড়া লাগানোর পথে হাঁটতে তিনি। বিজয়ের মা শোভা চন্দ্রশেখর দুপক্ষের মধ্যে যোগাযোগ করিয়ে সমস্যা মেটানোর চেষ্টা করছেন। তবে এ দাবির কোনো নিশ্চিত প্রমাণ এখনো প্রকাশ্যে আসেনি।

দুপক্ষের মধ্যে হওয়া আলোচনার ধরন বদলেছে। আগে যেখানে বিরোধের বিষয় ছিল, এখন সেখানে সমাধানের পথ খোঁজা হচ্ছে। এর থেকেই আদালতের বাইরে সমঝোতার জল্পনা তৈরি হয়েছে। তবে এ মামলার ভবিষ্যৎ নিয়ে এখনো কোনো পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিক বিবৃতি দেওয়া হয়নি।


 

খেলা

ছবি: সংগৃহীত।

আমেরিকার মাটিতে পা রাখলো ইরান, কোচ বললেন, ‘আমরা রাজনীতির লোক নই’

অনিশ্চয়তার অবসান ঘটিয়ে আমেরিকায় পা রাখল ইরানের ফুটবল দল। রোববার দুই দেশের মধ্যে সমঝোতা চুক্তি হওয়ার দিনে লস অ্যাঞ্জেলস বিমানবন্দরে অবতরণ করে তাদের বহনকারী বিমান।

দুই দেশের সম্পর্কের টানাপোড়েনের কারণে যুক্তরাষ্ট্রে ইরানের সবগুলো ম্যাচ হলেও তারা বেস ক্যাম্প গড়েছে মেক্সিকোর তিজুয়ানায়। আমেরিকার উদ্দেশ্যে উড়াল দেওয়ার আগে তাদেরকে বিদায় সংবর্ধনা দিয়েছে মেক্সিকোতে বসবাসরত ইরানিরা। আগামীকাল বাংলাদেশ সময় সকাল ৭টায় লস অ্যাঞ্জেলস স্টেডিয়ামে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে প্রথম বিশ্বকাপ ম্যাচ খেলবে ইরান।

নানা শর্ত আর বাধাবিপত্তি ভেদ করে বিশ্বকাপ খেলতে নামছে টিম মেলিরা। ইতোমধ্যে ইরানি দর্শকদের টিকিট বাতিল করে সমালোচনার মুখে পড়েছে যুক্তরাষ্ট্র। মাঠের বাইরের সব ঘটনাকে ছাপিয়ে শুধু ম্যাচের দিকে মনোযোগ দলের।

স্টেডিয়ামে এক সংবাদ সম্মেলনে দোভাষীর মাধ্যমে ইরান কোচ আমির ঘালেনোয়ি বলেন, ‘মহান, গর্বিত ও শক্তিশালী ইরানের প্রতিনিধিত্ব করতে পেরে আমি খুব খুশি। আমি আশা করি ফুটবল আনন্দ ও উপভোগ্য সময় বয়ে আনবে এবং বিভিন্ন দেশ ও সংস্কৃতিকে কাছাকাছি আনবে।’

লস অ্যাঞ্জেলস শহরেই সবচেয়ে বড় ইরানি জনগোষ্ঠী বসবাস করে। বিভিন্ন প্রতিবেদনে জানা গেছে, টিম মেলির প্রথম ম্যাচ সামনে রেখে পাশের শহর ইঙ্গলউডের সোফাই স্টেডিয়ামের বাইরে হাজার হাজার ইরানি বিক্ষোভ করবে। এনিয়ে ইরানি কোচ বললেন, ‘আমি আপনাদের জানাতে চাই আমরা এখানে ফুটবল খেলতে এসেছি। এবং ইরানের সম্মানিত জনগণের প্রতিনিধিত্ব করতেই এখানে আসা, সেটা হোক ইরানের অভ্যন্তরে থাকা ইরানি কিংবা প্রবাসী ইরানি। আমরা কেবল আমাদের দেশ সম্পর্কে ভাবি। আমরা রাজনীতির লোক নই। ইরানিয়ান জাতি হিসেবে আমরা প্রত্যেক ইরানিয়ানকে সম্মান করি।’

অধিনায়ক মেহদী তারেমিও একই সুরে কথা বলেছেন, ‘আমরা সব ইরানিয়ানকে সম্মান করি, সেটা হোক দেশের ভেতরের কিংবা দেশের বাইরের। আমরা এখানে ফুটবল খেলতে এসেছি এবং ফুটবল সবসময় সব পক্ষকে এক করতে পারে। আমাদের জনগণকে, ইরানের ভেতরের কিংবা বাইরের, সবাইকে আমরা ভালোবাসি। বহু বছর ধরে সভ্য দেশ ইরান ঐক্যবদ্ধ জাতি। আমরা সেই একতা দেখাতে চাই। আমরা বিশ্বকাপে এসেছি ইরানিয়ানদের আনন্দ দিতে, তারা যেখানকার হোক না কেন।’