শিরোনাম

মানবিক বিভাগে প্রতি ১০০ ছাত্রে ফেল ৫৯ জন এনসিপির বহিষ্কৃত নেতা তানভীরের তিন দিনের রিমান্ড রোনালদোর বিয়ে ভেবে অন্য এক জুটির বিয়েতে হাজারো ভক্তের ভিড় সত্য-মিথ্যার গল্পে আফজাল হোসেন ও আফসানা মিমি নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর বিরুদ্ধে শিক্ষামন্ত্রীর গুরুতর অভিযোগ
ছবি: বিএমএফ টেলিভিশন।

লন্ডনে ওয়ার্ল্ড হিউম্যান রাইটস অর্গানাইজেশন ইউকের উদ্যোগে আন্তর্জাতিক প্রতিবাদ সমাবেশ

ওয়ার্ল্ড হিউম্যান রাইটস অর্গানাইজেশন ইউকের উদ্যোগে মঙ্গলবার বিকেল ৫টায় পূর্ব লন্ডনের ঐতিহাসিক আলতাব আলী পার্কে এক আন্তর্জাতিক প্রতিবাদ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। সম্প্রতি সংঘটিত রামিসা হত্যা, নারী ও শিশু নির্যাতন, ধর্ষণ, সাংবাদিক নির্যাতন এবং মানবাধিকার লঙ্ঘনের বিভিন্ন ঘটনার প্রতিবাদে এ সমাবেশের আয়োজন করা হয়।

সংগঠনের সভাপতি আশিকুল ইসলাম আশিকের সভাপতিত্বে এবং সাধারণ সম্পাদক লাভলু লস্কর , ড. আজিজুল আম্বিয়া ও জাকির হোসেন সেলিমের যৌথ সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত সমাবেশে যুক্তরাজ্যপ্রবাসী বাংলাদেশি কমিউনিটির বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার প্রতিনিধিরা অংশগ্রহণ করেন।

সমাবেশে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন বিবিসির সাবেক সাংবাদিক শামীম চৌধুরী। তিনি বলেন, একটি সভ্য ও গণতান্ত্রিক সমাজ প্রতিষ্ঠার জন্য মানবাধিকার, আইনের শাসন এবং মতপ্রকাশের স্বাধীনতা নিশ্চিত করা অত্যন্ত জরুরি। তিনি দেশে চলমান সহিংসতা, নারী নির্যাতন, সাংবাদিকদের ওপর হামলা এবং বিচারহীনতার সংস্কৃতি বন্ধে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের আহ্বান জানান।

বক্তারা বলেন, রামিসা হত্যাকাণ্ডসহ সাম্প্রতিক বিভিন্ন নৃশংস ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও দ্রুত বিচার নিশ্চিত করতে হবে। পাশাপাশি নারী ও শিশুদের নিরাপত্তা, মানবাধিকার সুরক্ষা এবং স্বাধীন সাংবাদিকতার পরিবেশ নিশ্চিত করার দাবি জানান তারা।

এ সময় বক্তব্য রাখেন মানবাধিকার কর্মী আব্দুল আহাদ চৌধুরী, আ.স.ম. মিসবা, মুজিবুল হক মনি, নাজমিন সুলতানা শিখা, মোহন মিয়া, আব্দুল কুদ্দুস, জহিরুল ইসলাম, হুমায়ুন কবীর, জামাল আহমদ, আংগুর আলী, জাকির হোসেন সেলিম, ফয়সল আহমদ,  আব্দুল হেলাল চৌধুরী সেলিম, মতব্বির হোসেন চুনু, হুমায়ুন কবির, আব্দুল জলিল চৌধুরী, আব্দুর রব, ছইল মিয়া, রিপোর্টার্স ইউনিটির সভাপতি অধ্যক্ষ সাহেদ রহমান, সাধারণ সম্পাদক আব্দুল বাছির, অ্যাডভোকেট বজলুর রশীদ, মুফতি আব্দুল ওদুদ, মুজিবুল হক মুজিব, ইমদাদুন খানম, জেসিকা চৌধুরী, রিপা আক্তার, শাহ লাভলী রহমান, জামিলা খানম, সাগর চৌধুরী মোহন, ময়না মিয়া, মকবুল হোসেন, নিজাম উদ্দিন, আব্দুস সাত্তার, নুরুল হক, মোহাম্মদ রুনু, সৈয়দ গোলাব মিয়া, আবুল হোসেন, একলিম মিয়া, নাজমুল হোসেন, জুবেল আহমদ বেলাল, শরীফ আলম, মো. গিয়াস উদ্দিন সোহাগ, সেলিম আহমেদ, রুমেল খান, মাসুম বিল্লাহ, আব্দুল হকসহ আরও অনেকে।

সমাবেশ শেষে বক্তারা বিশ্বব্যাপী মানবাধিকার রক্ষা, বৈষম্য ও নিপীড়নের বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ জনমত গড়ে তোলা এবং গণমানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠায় আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে আরও সক্রিয় ভূমিকা পালনের আহ্বান জানান। একই সঙ্গে তারা সকল ধরনের হত্যা, ধর্ষণ, নির্যাতন ও মানবাধিকার লঙ্ঘনের বিরুদ্ধে সোচ্চার থাকার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।

বিনোদন

ছবি: সংগৃহীত।

সত্য-মিথ্যার গল্পে আফজাল হোসেন ও আফসানা মিমি

রঙ শুধু চোখে দেখা সৌন্দর্যের বিষয় নয়, মানুষের অনুভূতি ও বেঁচে থাকার সঙ্গেও জড়িয়ে আছে রঙের নানা প্রতীকী অর্থ। আনন্দ, দুঃখ, ভালোবাসা, ভয় কিংবা আশার যেমন আলাদা রঙ আছে, তেমনি সত্য ও মিথ্যারও রয়েছে নিজস্ব রূপ।

আর সেই সত্য-মিথ্যার বৈপরীত্যকে কেন্দ্র করেই নির্মিত হয়েছে ‘রঙিন সুরমা’। রিয়াজুল হক ইমরান পরিচালিত সীমিত দৈর্ঘ্যের এই কনটেন্টের কেন্দ্রীয় দুই চরিত্র মুন্তাসির ও শাহিদা। তাদের জীবনও যেন সুরমার মতো- বাইরে ধূসর, কিন্তু তার ভেতরে লুকিয়ে আছে নানা রঙ। গল্পের মুন্তাসির ও শাহিদা চরিত্রে দেখা যাবে দেশের গুণী ও জনপ্রিয় অভিনয়শিল্পী আফজাল হোসেন ও আফসানা মিমিকে।

আফজাল হোসেন বলেন, ‘দুজন মানুষ ও একটা সংকট নিয়ে গল্প। তারা বয়স্ক মানুষ। আজকাল মানুষের মন মাতানোর জন‍্য গরমা গরম গল্পের চাহিদা অনেক। এমন সময়ে কেউ যদি ঠান্ডা মেজাজের, শির শির করা অনুভূতির কোনো গল্প পর্দায় হাজির করতে চায়, সে ভাবনাকে বিশেষ ভাবতেই হয়।

সেটা ভেবেই আগ্রহ নিয়ে অভিনয় করা। গল্পের আবেগ আশাকরি দর্শকের আবেগ স্পর্শ করতে পারবে।’ আফসানা মিমি বলেন, ‘ইমরান (নির্মাতা) যখন স্ক্রিপ্ট পাঠালেন প্রথমেই নামটা দৃষ্টি কেড়েছিল- ’রঙিন সুরমা’। স্বাভাবিক আগ্ৰহ নিয়ে পড়তে শুরু করলাম- শেষ করেছি চোখে জল নিয়ে। দীর্ঘ অপেক্ষার পর কাজটা হলো। এখন দেখার অপেক্ষা।’

আফজাল হোসেনের সঙ্গে কাজের অভিজ্ঞতা নিয়েও উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেন আফসানা মিমি। তিনি বলেন, ‘আফজাল ভাইয়ের সঙ্গে কাজ করা সবসময়ই খুব আনন্দের। যাকে পর্দায় দেখে ভালবেসেছি। তাঁর সঙ্গে কাজ করতে যাই যখন, তখন ভীষণ রোমাঞ্চিত হই। প্রতিবার মনে হয় আহা কী সৌভাগ্যবান আমি! আফজাল হোসেনের সঙ্গে কাজ করছি! আর আফজাল ভাই সবকিছু এতো সহজ করে দেন, বন্ধুর মতো।’

জানা গেছে, আগামী ১২ আগস্ট রাত ১২টায়, অর্থাৎ ১৩ আগস্ট, দেশীয় একটি ওটিটি প্লাটফর্মে মুক্তি পাবে ‘রঙিন সুরমা’। 

খেলা

ছবি: সংগৃহীত।

রোনালদোর বিয়ে ভেবে অন্য এক জুটির বিয়েতে হাজারো ভক্তের ভিড়

পর্তুগালের মাদেইরা দ্বীপে ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো এবং তার সঙ্গিনী জর্জিনা রদ্রিগেজের বিয়ে হচ্ছে- এমন গুজবে স্থানীয় একটি গির্জায় ভিড় জমান প্রায় দুই হাজার ভক্ত। তবে সেখানে গিয়ে তারা আবিষ্কার করেন, বিয়েটি এই বিশ্বখ্যাত ফুটবল তারকার নয়, বরং সাধারণ এক জুটির। এই আকস্মিক ভিড়ে রীতিমতো বিভ্রান্ত ও হতবাক হয়ে পড়েন নবদম্পতি।

ফুনচাল ক্যাথেড্রালের বাইরে বিপুলসংখ্যক মানুষ জড়ো হয়েছিল এই ভেবে যে, ৪১ বছর বয়সী বিলিয়নিয়ার ফুটবল তারকা হয়তো ছদ্মনামে ১৫ শতকের এই গির্জাটি বুক করেছেন। কিন্তু বাস্তবে ওই দিন বিয়ের পিঁড়িতে বসতে যাচ্ছিলেন ফাবিও রামোস এবং ফাতিমা নিকোল কুনহা তেইক্সেইরা নামের এক যুগল।

মাদেইরার আদি বাসিন্দা এই দম্পতি বর্তমানে ফ্রান্সে বসবাস করেন। বিয়ের দিন কনে ফাতিমাকে গির্জায় প্রবেশের সময় রোনালদোর সাত নম্বর জার্সি পরা অসংখ্য কৌতূহলী জনতার ভিড় রীতিমতো যুদ্ধ করে ঠেলে ভেতরে যেতে হয়। এ সময় অতিথিদের চিৎকার করে বলতে শোনা যায় যে, 'ইনি জর্জিনা নন।'

এই বিশৃঙ্খল পরিস্থিতির ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দ্রুত ভাইরাল হয়ে যায়। খোদ রোনালদোর ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্ট থেকেও এই ভিডিওর প্রতিক্রিয়ায় হাসির ইমোজি দেওয়া হয়। তবে বিয়েতে আসা এক অতিথি জানান, এমন কাণ্ডে কনে বেশ বিরক্ত হয়েছিলেন এবং তিনি ভয় পাচ্ছিলেন যে এই অপ্রত্যাশিত ভিড় তার বিয়ের বিশেষ দিনটি নষ্ট করে দেবে।

এদিকে রোনালদোর বোন কাতিয়া আভেইরো মাদেইরাতে একটি 'পার্টি'-তে যোগ দিতে আসার ভিডিও পোস্ট করলে ফুটবল তারকার বিয়ের গুঞ্জন আরও জোরালো হয়। এছাড়া স্যাভয় প্যালেস নামের একটি পাঁচতারা হোটেলের কর্মীরা জানিয়েছিলেন যে, আল-নাসর তারকা তাদের 'দ্য রিজার্ভ' নামের এক্সক্লুসিভসেকশনের ওপরের দুটি তলা বুক করেছেন।

গুচি স্টোরের সাবেক সেলস অ্যাসিস্ট্যান্ট এবং বর্তমানে ৩২ বছর বয়সী মডেল জর্জিনার সাথে গত বছরের আগস্টে রোনালদোর বাগদান সম্পন্ন হয়। সে সময় তিনি বিশ্বকাপ শেষে বিয়ের ঘোষণা দিয়েছিলেন। আগামী সপ্তাহে নতুন মৌসুম শুরুর আগে তার সৌদি আরবে ফিরে যাওয়ার কথা রয়েছে।

তবে ফুনচাল ক্যাথেড্রালের ফাদার মার্কোস গনকালভেস পরিষ্কার করে জানিয়েছেন, ওই দিন গির্জায় কেবল একটি বিয়েরই বুকিং ছিল এবং রোনালদোর নামে কোনো বুকিং তাদের কাছে নেই।

এর আগে গত ১ আগস্ট পর্তুগালের সিন্থায় রোনালদো-জর্জিনার বিয়ের একটি ভুয়া খবর সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছিল, যা পরবর্তীতে মিথ্যা প্রমাণিত হয়। টেলিভিশন চ্যানেলে একটি ভুয়া বিয়ের কার্ড ছড়িয়ে পড়ার পর এই গুঞ্জনের সূত্রপাত হয়েছিল।