শিরোনাম

তেহরানে ইরানি কমান্ড সেন্টার ও ক্ষেপণাস্ত্র ঘাঁটিতে হামলা, দাবি ইসরায়েলের কেশম দ্বীপ: ইরানের ভূগর্ভস্থ ক্ষেপণাস্ত্র দুর্গ ও ভূতাত্ত্বিক বিস্ময় ক্ষমা চাইলেন নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী জাতীয় ঈদগাহে ঈদের জামাত সকাল সাড়ে ৮টায় স্টাইলিশ কাটটা ভীষণ পছন্দ হয়েছে : পূর্ণিমা
ছবি: সংগৃহীত।

আ.লীগ সরকার পতনের দিন বঙ্গভবনে কী ঘটেছিল, জানালেন রাষ্ট্রপতি

রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন জানিয়েছেন, ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের আন্দোলনটা জনবিস্ফোরণে রূপ নেয়। সেদিন কেউই আঁচ করতে পারেনি যে কী হতে চলেছে। সম্প্রতি বঙ্গভবনে নিজ কার্যালয়ে বেসরকারি একটি গণমাধ্যমকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে রাষ্ট্রপতি সেই দিনের স্মৃতিচারণা করেন।


রাষ্ট্রপতি বলেন, ‘যখন বিক্ষোভকারীরা গণভবন অভিমুখে, তখন আমাকে জানানো হলো, যেকোনো মুহূর্তে প্রধানমন্ত্রী বঙ্গভবনে আসবেন। ১২টার সময় আমাকে জানানো হলো, উনি প্রস্তুতি নিচ্ছেন বঙ্গভবনে আসার। এর আগে আমরা আঁচই করতে পারিনি যে আসলে ঘটনা কী ঘটতে যাচ্ছে। তবে উনি যখন এখানে আসবেন বলছেন এবং হেলিকপ্টারও রেডি, তখন আমরা ঘটনার ভয়াবহতা সম্পর্কে ধারণা করতে পারি।’


‘এখানে সিকিউরিটি যারা ছিল, সবাই পজিশন নিয়ে নিল। দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে জানানো হলো, না, উনি আসছেন না। আসছেন না যখন জেনেছি, তখন আমরাও সতর্ক ছিলাম। কিছুক্ষণ পরেই শুনলাম, উনি দেশ ছেড়েছেন। একসময় জানতে পারলাম, উনি অলরেডি দেশের বাইরে চলে গেছেন। সব মিলিয়ে ৩০ থেকে ৪০ মিনিটের মধ্যে সামগ্রিক ঘটনাপ্রবাহের খুব দ্রুত পরিবর্তন দেখতে পাচ্ছিলাম।’


রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন বলেন, ‘সেদিন বিকেল ৩টার দিকে প্রথমে সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান আমাকে টেলিফোনে সব ঘটনা অবহিত করেন। সশস্ত্র বিভাগ থেকেও আমাকে জানানো হয়। পরে জানানো হলো, ওয়াকার সাহেব সাংবাদিকদের সামনে সম্পূর্ণ পরিস্থিতি নিয়ে একটা ব্রিফিং দেবেন।’


‘উনি ব্রিফিং দিলেন, আমরা টেলিভিশনে দেখলাম। উনি বললেন, প্রধানমন্ত্রী দেশত্যাগ করেছেন। তো দেশবাসী আশ্বস্ত হলো যে উনি অলরেডি দেশান্তরী হয়েছেন। তারপর আমাকে সেনাপ্রধান ফোন করে জানালেন যে তারা আসছেন। সেনাবাহিনী, নৌবাহিনী, বিমানবাহিনী প্রধান—তিনজনই বঙ্গভবনে এলেন। এসে আমার সঙ্গে উদ্ভূত সামগ্রিক পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনায় বসলেন।’
‘তখন আমাদের প্রায় কিংকর্তব্যবিমূঢ় অবস্থা। কী করা যায়, কিভাবে কী হবে—এসব নিয়ে আমরা আলোচনা করলাম প্রায় দুই থেকে তিন ঘণ্টা। সিদ্ধান্ত হলো, সব রাজনৈতিক দলের নেতৃবৃন্দকে ডাকা হবে। এই কাজে সেনাবাহিনীর টিম নিযুক্ত ছিল। তারপর উনারা চলে গেলেন। সেনা সদরে দেশের রাজনৈতিক দলের নেতৃবৃন্দকে একত্র করা হলো। বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নেতাদের মধ্যেও কেউ কেউ ছিল। তখন যাদের পাওয়া গেছে, তাদেরকে নিয়েই আবার তারা বঙ্গভবনে আসেন। আমরা আবার বৈঠকে বসি।’


‘বঙ্গভবনের এই বৈঠকে আমরা দেশের শান্তি ও স্থিতিশীলতার বিষয়টি সর্বাধিক গুরুত্ব দিয়েছি। কিভাবে, কোন ধরনের সিদ্ধান্ত নিলে দেশের মানুষকে স্বস্তি ফিরিয়ে দেওয়া যায়, সে বিষয়ে দীর্ঘ আলোচনার আয়োজন হয়। আমার সভাপতিত্বে সভা হলো। সেনাপ্রধান সঞ্চালনা করলেন। সেখানে তিনি পুরো পরিস্থিতির ব্যাখ্যা দিলেন।’


রাষ্ট্রপতি বলেন, ‘সেই বৈঠকে সম্মিলিতভাবে কয়েকটি প্রস্তাব আসে। বিশেষ করে, মূল তিনটি প্রস্তাব উত্থাপন করা হয়। এগুলো হলো—তত্ত্বাবধায়ক সরকার, সর্বদলীয় বা জাতীয় সরকার এবং অন্তর্বর্তী সরকার। যে নামেই ডাকা হোক না কেন, লক্ষ্য-উদ্দেশ্য থাকবে অভিন্ন। তত্ত্বাবধায়ক সরকার বললে হয়তো ওয়ান-ইলেভেনের মতো শোনায়। আবার সর্বদলীয় বা জাতীয় সরকার বললে দীর্ঘমেয়াদি সরকারও হয়ে যেতে পারে। তো, নানা বিবেচনায় আমাদের বিজ্ঞ রাজনীতিবিদরা সিদ্ধান্ত নেন যে অন্তর্বর্তী সরকারই গঠন করা উচিত।’


‘এই সিদ্ধান্ত হলো আর আমার ওপর দায়িত্ব পড়ল জাতির উদ্দেশে ভাষণ দিয়ে জাতিকে আশ্বস্ত করার। আর তারা নিজেদের মধ্যে আলোচনা করে সব ঠিক করবেন সরকারের গঠন প্রণালীটা। এই সিদ্ধান্ত হওয়ার পর প্রফেসর আসিফ নজরুল সাংবাদিকদের কাছে পরিস্থিতির অগ্রগতি তুলে ধরেন। আমাকে ভাষণ দিতে হলো রাত ১১টার সময়। আর অন্তর্বর্তী সরকার গঠন প্রক্রিয়া তাদের হাতে ছেড়ে দেওয়া হলো। সেনাবাহিনী এবং রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ আলাপ করে এটা করবেন। সেনাবাহিনী থাকবে, সহায়তা করবে সব কিছুতে।’
সূত্র : কালের কণ্ঠ।
 

বিনোদন

ছবি: সংগৃহীত।

স্টাইলিশ কাটটা ভীষণ পছন্দ হয়েছে : পূর্ণিমা

ঢাকাই চলচ্চিত্রের জনপ্রিয় চিত্রনায়িকা পূর্ণিমা আবারও নতুন লুকে ভক্তদের নজর কেড়েছেন। অভিনয়ের পাশাঢাকাই চলচ্চিত্রের জনপ্রিয় চিত্রনায়িকা পূর্ণিমা আবারও নতুন লুকে ভক্তদের নজর কেড়েছেন। অভিনয়ের পাশাপাশি ব্যক্তিজীবন ও স্টাইল স্টেটমেন্ট সবকিছু মিলিয়ে তিনি বরাবরই থাকেন আলোচনার কেন্দ্রে। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমেও তার সরব উপস্থিতি রয়েছে।

এবার সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে একগুচ্ছ নতুন ছবি শেয়ার করেছেন এই অভিনেত্রী। শেয়ার করা ছবিতে দেখা গেছে, পরিপাটি সাজের সঙ্গে তার নতুন হেয়ারস্টাইল বেশ মানিয়েছে। বিশেষ করে সফট লেয়ার কাট, চকচকে হেয়ার ফিনিশ এবং ব্রাউনিশ কালার টোন তার লুকে এনে দিয়েছে এক ভিন্ন মাত্রা।

ক্যাপশনে পূর্ণিমা লিখেছেন, ‘আমার নতুন হেয়ার বোটক্স, সুন্দর কালার আর এই স্টাইলিশ কাটটা আমার ভীষণ পছন্দ হয়েছে। মনে হচ্ছে আমি একদম নতুন এক মানুষ।’

শুধু সামনের দিক থেকেই নয়, পেছন দিক থেকেও তার চুলের ভলিউম ও স্টাইলিং নজর কেছেড়ে নেটিজেনদের। তিনি হেয়ার বোটক্স ট্রিটমেন্টের মাধ্যমে চুলে এনেছেন মসৃণতা ও প্রাণবন্ত উজ্জ্বলতা।

পাশাপাশি চোখে স্টাইলিশ ফ্রেমের চশমা এবং সাদামাটা কালো পোশাক তার লুককে করেছে আরও পরিণত ও এলিগ্যান্ট। তার এই নতুন রূপে মুগ্ধ হয়েছেন ভক্ত-অনুরাগীরাও। কমেন্ট বক্সে অনেকে তার সৌন্দর্য ও নতুন স্টাইলের প্রশংসা করে ভালোবাসা জানিয়েছেন।পাশি ব্যক্তিজীবন ও স্টাইল স্টেটমেন্ট সবকিছু মিলিয়ে তিনি বরাবরই থাকেন আলোচনার কেন্দ্রে। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমেও তার সরব উপস্থিতি রয়েছে।

এবার সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে একগুচ্ছ নতুন ছবি শেয়ার করেছেন এই অভিনেত্রী। শেয়ার করা ছবিতে দেখা গেছে, পরিপাটি সাজের সঙ্গে তার নতুন হেয়ারস্টাইল বেশ মানিয়েছে। বিশেষ করে সফট লেয়ার কাট, চকচকে হেয়ার ফিনিশ এবং ব্রাউনিশ কালার টোন তার লুকে এনে দিয়েছে এক ভিন্ন মাত্রা।

ক্যাপশনে পূর্ণিমা লিখেছেন, ‘আমার নতুন হেয়ার বোটক্স, সুন্দর কালার আর এই স্টাইলিশ কাটটা আমার ভীষণ পছন্দ হয়েছে। মনে হচ্ছে আমি একদম নতুন এক মানুষ।’

শুধু সামনের দিক থেকেই নয়, পেছন দিক থেকেও তার চুলের ভলিউম ও স্টাইলিং নজর কেছেড়ে নেটিজেনদের। তিনি হেয়ার বোটক্স ট্রিটমেন্টের মাধ্যমে চুলে এনেছেন মসৃণতা ও প্রাণবন্ত উজ্জ্বলতা।

পাশাপাশি চোখে স্টাইলিশ ফ্রেমের চশমা এবং সাদামাটা কালো পোশাক তার লুককে করেছে আরও পরিণত ও এলিগ্যান্ট। তার এই নতুন রূপে মুগ্ধ হয়েছেন ভক্ত-অনুরাগীরাও। কমেন্ট বক্সে অনেকে তার সৌন্দর্য ও নতুন স্টাইলের প্রশংসা করে ভালোবাসা জানিয়েছেন।

খেলা

ছবি: সংগৃহীত।

গুলেরের ৬৮ মিটার দূরের অসাধারণ গোল, বার্সার সঙ্গে ব্যবধান কমাল রিয়াল

লা লিগায় শিরোপা লড়াইতে প্রতিটি ম্যাচ এখন গুরুত্বপূর্ণ। গত রাতে সান্তিয়াগো বার্নাব্যুতে এলচের বিরুদ্ধে রিয়াল মাদ্রিদ ৪-১ গোলে জিতেছে। এই জয়ের ফলে এক ম্যাচ বেশি খেলে রিয়াল বার্সেলোনার সঙ্গে পয়েন্ট ব্যবধান ১-এ নামিয়েছে।

ম্যাচের ৮৯ মিনিটে রিয়ালের তুর্কি মিডফিল্ডার আরদা গুলের একটি অবিশ্বাস্য গোল করেন। প্রতিপক্ষের ভুল পাসে বল পেয়ে নিজের অর্ধ থেকে ৬৮ মিটার দূর থেকে শট নেন গুলের, যা গোলরক্ষক প্রতিহত করতে পারেননি। সামাজিক মাধ্যমে অনেকেই এটিকে পুসকাস অ্যাওয়ার্ডের দাবিদার হিসেবে দেখছেন।

এর আগে ৩৯ মিনিটে আন্তোনিও রুডিগার, ৪৪ মিনিটে ফেদেরিকো ভালভের্দে এবং ৬৬ মিনিটে ডিন হুইসেনের গোলে রিয়াল ৩-০ এগিয়ে যায়। ৮৫ মিনিটে এলচে একটি আত্মঘাতী গোল করে ব্যবধান কমালে, শেষ মুহূর্তে গুলেরের গোল রিয়ালের জয় নিশ্চিত করে।

এই জয়ের পর ২৮ ম্যাচে রিয়ালের পয়েন্ট ৬৬। এক ম্যাচ কম খেলে শীর্ষে থাকা বার্সেলোনার পয়েন্ট ৬৭। আজ রাতে বার্সা সেভিয়ার মুখোমুখি হবে। রিয়ালের পরের ম্যাচ চ্যাম্পিয়নস লিগে ম্যানচেস্টার সিটির বিপক্ষে ১৭ মার্চ বাংলাদেশ সময় রাত দুইটায় অনুষ্ঠিত হবে।