শিরোনাম

বিশ্বকাপের সর্বোচ্চ গোলদাতার স্বীকৃতি মেসিরই প্রাপ্য: রোনালদো অ্যাপেক্স ফুটওয়্যারে চাকরির সুযোগ, বেতনসহ থাকছে অন্যান্য সুবিধা প্লেনের ভেতরে তিন ঘণ্টা ধরে আটকা ব্রাজিল দল ইরান যুদ্ধ থামাতে ট্রাম্পের বিরুদ্ধে অবস্থান নিল মার্কিন সিনেট দয়া করে প্রধানমন্ত্রীকে বিব্রত করবেন না
ছবি: বিএমএফ টেলিভিশন।

লন্ডনে ওয়ার্ল্ড হিউম্যান রাইটস অর্গানাইজেশন ইউকের উদ্যোগে আন্তর্জাতিক প্রতিবাদ সমাবেশ

ওয়ার্ল্ড হিউম্যান রাইটস অর্গানাইজেশন ইউকের উদ্যোগে মঙ্গলবার বিকেল ৫টায় পূর্ব লন্ডনের ঐতিহাসিক আলতাব আলী পার্কে এক আন্তর্জাতিক প্রতিবাদ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। সম্প্রতি সংঘটিত রামিসা হত্যা, নারী ও শিশু নির্যাতন, ধর্ষণ, সাংবাদিক নির্যাতন এবং মানবাধিকার লঙ্ঘনের বিভিন্ন ঘটনার প্রতিবাদে এ সমাবেশের আয়োজন করা হয়।

সংগঠনের সভাপতি আশিকুল ইসলাম আশিকের সভাপতিত্বে এবং সাধারণ সম্পাদক লাভলু লস্কর , ড. আজিজুল আম্বিয়া ও জাকির হোসেন সেলিমের যৌথ সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত সমাবেশে যুক্তরাজ্যপ্রবাসী বাংলাদেশি কমিউনিটির বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার প্রতিনিধিরা অংশগ্রহণ করেন।

সমাবেশে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন বিবিসির সাবেক সাংবাদিক শামীম চৌধুরী। তিনি বলেন, একটি সভ্য ও গণতান্ত্রিক সমাজ প্রতিষ্ঠার জন্য মানবাধিকার, আইনের শাসন এবং মতপ্রকাশের স্বাধীনতা নিশ্চিত করা অত্যন্ত জরুরি। তিনি দেশে চলমান সহিংসতা, নারী নির্যাতন, সাংবাদিকদের ওপর হামলা এবং বিচারহীনতার সংস্কৃতি বন্ধে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের আহ্বান জানান।

বক্তারা বলেন, রামিসা হত্যাকাণ্ডসহ সাম্প্রতিক বিভিন্ন নৃশংস ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও দ্রুত বিচার নিশ্চিত করতে হবে। পাশাপাশি নারী ও শিশুদের নিরাপত্তা, মানবাধিকার সুরক্ষা এবং স্বাধীন সাংবাদিকতার পরিবেশ নিশ্চিত করার দাবি জানান তারা।

এ সময় বক্তব্য রাখেন মানবাধিকার কর্মী আব্দুল আহাদ চৌধুরী, আ.স.ম. মিসবা, মুজিবুল হক মনি, নাজমিন সুলতানা শিখা, মোহন মিয়া, আব্দুল কুদ্দুস, জহিরুল ইসলাম, হুমায়ুন কবীর, জামাল আহমদ, আংগুর আলী, জাকির হোসেন সেলিম, ফয়সল আহমদ,  আব্দুল হেলাল চৌধুরী সেলিম, মতব্বির হোসেন চুনু, হুমায়ুন কবির, আব্দুল জলিল চৌধুরী, আব্দুর রব, ছইল মিয়া, রিপোর্টার্স ইউনিটির সভাপতি অধ্যক্ষ সাহেদ রহমান, সাধারণ সম্পাদক আব্দুল বাছির, অ্যাডভোকেট বজলুর রশীদ, মুফতি আব্দুল ওদুদ, মুজিবুল হক মুজিব, ইমদাদুন খানম, জেসিকা চৌধুরী, রিপা আক্তার, শাহ লাভলী রহমান, জামিলা খানম, সাগর চৌধুরী মোহন, ময়না মিয়া, মকবুল হোসেন, নিজাম উদ্দিন, আব্দুস সাত্তার, নুরুল হক, মোহাম্মদ রুনু, সৈয়দ গোলাব মিয়া, আবুল হোসেন, একলিম মিয়া, নাজমুল হোসেন, জুবেল আহমদ বেলাল, শরীফ আলম, মো. গিয়াস উদ্দিন সোহাগ, সেলিম আহমেদ, রুমেল খান, মাসুম বিল্লাহ, আব্দুল হকসহ আরও অনেকে।

সমাবেশ শেষে বক্তারা বিশ্বব্যাপী মানবাধিকার রক্ষা, বৈষম্য ও নিপীড়নের বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ জনমত গড়ে তোলা এবং গণমানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠায় আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে আরও সক্রিয় ভূমিকা পালনের আহ্বান জানান। একই সঙ্গে তারা সকল ধরনের হত্যা, ধর্ষণ, নির্যাতন ও মানবাধিকার লঙ্ঘনের বিরুদ্ধে সোচ্চার থাকার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।

বিনোদন

ছবি: সংগৃহীত।

আলিয়া-অনন্যার পথেই হাঁটলেন শ্রদ্ধা কাপুর

বিনোদন জগতের তারকারা একটু পরিচিতি পেলেই মা-বাবার বাড়ি ছেড়ে আলাদা থাকার বন্দোবস্ত করেন। বিশেষ করে তারকার সন্তানরা প্রাপ্তবয়স্ক হলেই মা-বাবার বাড়ি ছেড়ে নিজেদের আস্তানা গুছিয়ে নেন। এই চল রয়েছে পশ্চিমা দেশগুলোতে। এখন সেই একই ধারা বহুল মাত্রায় শুরু হয়েছে বলিউডেও। 

অভিনেত্রী আলিয়া ভাট ও অনন্যা পান্ডে তো আগেই বাবা-মায়ের বাড়ি ছেড়ে আলাদা থাকতে শুরু করেছেন। এবার সেই একই পথ ধরলেন আরেক বলিউড অভিনেত্রী শ্রদ্ধা কাপুর। এতদিন তিনি মা-বাবা ও দাদার সঙ্গে একই বাড়িতে থাকলেও এবার জুহুর কাছে একটি আবাসনে বাড়ি ভাড়া নিয়েছেন ‘স্ত্রী ২’ অভিনেত্রী। ওই একই বাড়িতে কিছু দিন আগে হৃতিক রোশন ভাড়া থাকতেন। এবার শ্রদ্ধা সেই বাড়িতে থাকবেন। 

ভারতীয় গণমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, শ্রদ্ধার নতুন প্রতিবেশীরা হলেন— খিলাড়িখ্যাত অভিনেতা অক্ষয় কুমার, সাজিয়া নাদিয়াদওয়ালা। ইতোমধ্যে নিজের মতো বাড়ি সাজিয়ে নিয়েছেন অভিনেত্রী।

যদিও এতদিন এই নায়িকা বলে আসছিলেন, তিনি পরিবারের সঙ্গেই থাকতে চান। তবে এখন এ বাড়িটিতে একাই থাকবেন শ্রদ্ধা। তার মা মাঝে মধ্যে এসে মেয়ের সঙ্গে থাকবেন। 

তবে আর্থিকভাবে স্বাবলম্বী হলেই মা-বাবার থেকে আলাদা থাকার চল আবার বলিউডের একাংশের পছন্দ নয়। 

সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে অভিনেতা বরুণ ধাওয়ান জানিয়েছেন, তিনি ব্যক্তিগত পরিসরের জন্য মা-বাবার থেকে আলাদা থাকায় বিশ্বাসী নন। এছাড়া একবার ঐশ্বরিয়া রাইকেও তির্যকভাবে প্রশ্ন করা হয়েছিল যে, তিনি কি এখনো মা-বাবার সঙ্গে একই বাড়িতে থাকেন? সেই সময় স্পষ্ট ভাষায় অভিনেত্রী উত্তর দিয়েছিলেন— ‘হ্যাঁ, মা-বাবার সঙ্গে দেখা করতে আমাদের আলাদা করে সময় নিতে হয় না।’  

উল্লেখ্য, শ্রদ্ধা কাপুর ‘স্ত্রী ২’ সিনেমার সাফল্যের পরেই আলাদা থাকার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। জানা গেছে শিগগিরই বিয়ের পিঁড়িতে বসবেন তিনি। 


 

খেলা

ছবি: সংগৃহীত।

বিশ্বকাপের সর্বোচ্চ গোলদাতার স্বীকৃতি মেসিরই প্রাপ্য: রোনালদো

দীর্ঘদিন ধরে ফিফা বিশ্বকাপের সর্বোচ্চ গোলদাতার রেকর্ড ছিল ব্রাজিলের কিংবদন্তি রোনালদো নাজারিওর দখলে। পরে সেই রেকর্ড নিজের করে নেন জার্মানির মিরোস্লাভ ক্লোসা। আর এক যুগ পর ইতিহাসের নতুন শীর্ষে উঠে এসেছেন আর্জেন্টিনার অধিনায়ক লিওনেল মেসি। রোনালদোর মতে, এই রেকর্ডের প্রকৃত দাবিদারও মেসিই।

বিশ্বকাপের নিজেদের সর্বশেষ ম্যাচে অস্ট্রিয়াকে ২-০ গোলে হারিয়েছে আর্জেন্টিনা। দলের জয়ের দুই গোলই করেন মেসি। এই জোড়া গোলের সুবাদে ক্লোসাকে ছাড়িয়ে বিশ্বকাপ ইতিহাসের সর্বোচ্চ গোলদাতার আসনে বসেছেন তিনি।

এখন পর্যন্ত বিশ্বকাপে ২৮ ম্যাচে মেসির গোলসংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১৮। এর আগে ২০০২ থেকে ২০১৪ পর্যন্ত চারটি বিশ্বকাপ খেলে ১৬ গোল নিয়ে শীর্ষে ছিলেন ক্লোসা। তিনি ২০০৬ সালে রোনালদোর ১৫ গোলের রেকর্ড ভেঙে নতুন মানদণ্ড গড়েছিলেন।

চলতি আসরের প্রথম ম্যাচে আলজেরিয়ার বিপক্ষে হ্যাটট্রিক করে ১৬ গোলের মাইলফলকে পৌঁছে ক্লোসার পাশে নাম লেখান মেসি। এরপর অস্ট্রিয়ার বিপক্ষে আরও দুটি গোল করে এককভাবে শীর্ষস্থান দখল করেন আর্জেন্টাইন মহাতারকা।

এই কীর্তির পর মেসিকে অভিনন্দন জানিয়েছেন ক্লোসা। জার্মান কিংবদন্তি তাকে সর্বকালের সেরা ফুটবলার হিসেবেও অভিহিত করেছেন। একই সুরে কথা বলেছেন রোনালদো। ফরাসি সংবাদমাধ্যম লে'কিপকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ব্রাজিলিয়ান কিংবদন্তি বলেন, বিশ্বকাপের সর্বোচ্চ গোলদাতার রেকর্ড মেসির কাছেই সবচেয়ে বেশি মানানসই।

রোনালদো বলেন, ‘ফুটবলের দেবতাদের কাছে এই পরিসংখ্যানই প্রমাণ করে যে সে অন্য সবার চেয়ে এগিয়ে। বিশ্বকাপ ইতিহাসের সর্বোচ্চ গোলদাতার স্বীকৃতি যদি কারও প্রাপ্য হয়, তবে সেটি অবশ্যই মেসির।’  

অস্ট্রিয়ার বিপক্ষে ম্যাচের দিন মেসির বয়স ছিল ৩৮ বছর ৩৬৩ দিন। এরই মধ্যে ৩৯ বছরে পা দিয়েছেন তিনি। এই বয়সেও দুর্দান্ত ফর্ম ধরে রাখায় মেসির প্রশংসা করতে গিয়ে মজার ছলেই নিজের প্রসঙ্গ টানেন রোনালদো।

হাসতে হাসতে তিনি বলেন, ‘তার বয়স ৩৮, হে ঈশ্বর! ৩৮ বছর বয়সে আমি তো চার বছর আগেই অবসর নিয়েছিলাম। তখন আমার ওজন ছিল প্রায় ১২০ কেজি!’

বিশ্বকাপ ইতিহাসের সর্বোচ্চ গোলদাতারা

১. লিওনেল মেসি — ১৮ গোল (২০০৬-২০২৬)

২. কিলিয়ান এমবাপে — ১৬ গোল (২০১৮-২০২৬)

৩. মিরোস্লাভ ক্লোসা — ১৬ গোল (২০০২-২০১৪)

৪. রোনালদো — ১৫ গোল (১৯৯৪-২০০৬)

৫. গার্ড মুলার — ১৪ গোল (১৯৭০-১৯৭৪)