শিরোনাম

জঙ্গল সলিমপুরে পথসভায় জনসাধারণের সঙ্গে মতবিনিময় করলেন চট্টগ্রাম পুলিশ সুপার মমতার বিস্ফোরক মন্তব্য, যা বললেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ প্রতিটি মানুষের কথা চিন্তা করেই হচ্ছে আগামীর বাজেট: অর্থমন্ত্রী ‘খলিলুর রহমান পররাষ্ট্রমন্ত্রী থাকবেন কি না, সিদ্ধান্ত প্রধানমন্ত্রীর’ প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে মিৎসুই প্রতিনিধিদলের সাক্ষাৎ
ছবি: বিএমএফ টেলিভিশন।

জঙ্গল সলিমপুরে পথসভায় জনসাধারণের সঙ্গে মতবিনিময় করলেন চট্টগ্রাম পুলিশ সুপার

নাঈম আহমেদ কপিল চট্টগ্রাম  চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ড উপজেলার জঙ্গল সলিমপুর এলাকার আলীনগরে স্থানীয় জনসাধারণের অংশগ্রহণে এক পথসভা ও মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বুধবার (৩ জুন) সন্ধ্যা ৭টায় আয়োজিত এ সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে জনসাধারণের সঙ্গে মতবিনিময় করেন চট্টগ্রাম জেলার পুলিশ সুপার ।

সভায় পুলিশ সুপার বলেন, জঙ্গল সলিমপুরকে একটি নিরাপদ, শান্তিপূর্ণ ও বাসযোগ্য এলাকায় পরিণত করতে জেলা পুলিশ নিরলসভাবে কাজ করছে। মাদক, সন্ত্রাস, চাঁদাবাজি, ভূমি দখলসহ সব ধরনের অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড দমনে পুলিশ কঠোর অবস্থানে রয়েছে এবং এ কার্যক্রম ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।

তিনি বলেন, একটি নিরাপদ ও স্থিতিশীল সমাজ গঠনে জনগণ ও পুলিশের পারস্পরিক সহযোগিতা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। জনগণের সক্রিয় অংশগ্রহণ ছাড়া টেকসই আইন-শৃঙ্খলা ব্যবস্থা নিশ্চিত করা সম্ভব নয়। তাই অপরাধ, সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড, মাদক ব্যবসা কিংবা আইন-শৃঙ্খলা সংক্রান্ত যেকোনো তথ্য দ্রুত পুলিশকে জানানোর আহ্বান জানান তিনি।

মতবিনিময় পর্বে স্থানীয় বাসিন্দারা এলাকার বিভিন্ন সমস্যা, সম্ভাবনা ও উন্নয়ন-সংক্রান্ত বিষয় তুলে ধরেন। পুলিশ সুপার তাদের বক্তব্য মনোযোগ সহকারে শোনেন এবং এলাকার শান্তি-শৃঙ্খলা ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে জেলা পুলিশের পক্ষ থেকে সর্বাত্মক সহযোগিতার আশ্বাস দেন। একই সঙ্গে জঙ্গল সলিমপুরের সার্বিক উন্নয়ন ও সামাজিক স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে স্থানীয় জনগণের সহযোগিতা কামনা করেন।

এ সময় তিনি গুজব, অপপ্রচার ও প্ররোচনায় বিভ্রান্ত না হয়ে আইন মেনে চলার আহ্বান জানান। পাশাপাশি সরকারের উন্নয়ন কর্মকাণ্ড বাস্তবায়ন এবং এলাকার ইতিবাচক পরিবর্তনে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান জানান।

পথসভায় উপস্থিত জনসাধারণ পুলিশ সুপারকে নিজেদের মাঝে পেয়ে সন্তোষ প্রকাশ করেন। তারা জেলা পুলিশের জনবান্ধব ও মানবিক কার্যক্রমের প্রশংসা করে এলাকার উন্নয়ন, নিরাপত্তা ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বজায় রাখতে সর্বাত্মক সহযোগিতার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন।

অনুষ্ঠানে সীতাকুণ্ড থানার অফিসার ইনচার্জ, জেলা পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ, পুলিশ সদস্য, স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ এবং বিপুল সংখ্যক স্থানীয় বাসিন্দা উপস্থিত ছিলেন।

বিনোদন

ছবি: সংগৃহীত।

বিজয়ের সঙ্গে প্রেমের গুঞ্জনের মাঝেই তৃষার কড়া জবাব

তামিলনাড়ুর মুখ্যমন্ত্রী ও জনপ্রিয় অভিনেতা বিজয় এবং অভিনেত্রী তৃষা কৃষ্ণানের সম্পর্ক নিয়ে গত কয়েক মাস ধরে দক্ষিণী চলচ্চিত্র পাড়ায় চলছে তীব্র গুঞ্জন। বিষয়টি নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ক্রমাগত কটাক্ষ ও সমালোচনার শিকার হতে হচ্ছে তৃষাকে। এবার নীরবতা ভেঙে সমালোচকদের এক হাত নিলেন অভিনেত্রী। 

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একটি রহস্যময় পোস্টের মাধ্যমে তিনি নিন্দুকদের মোক্ষম জবাব দিয়েছেন। 

সম্প্রতি ইনস্টাগ্রামে নিজের ‘মে ডাম্প’ (মে মাসের কিছু বিশেষ মুহূর্তের ছবি) শেয়ার করেন তৃষা। সেখানে নিজের কিছু চমৎকার মুহূর্তের পাশাপাশি তার পোষা কুকুরের ছবি ও ভিডিও পোস্ট করেন তিনি। ক্যাপশনে লেখেন, ‘ম্যাজিক্যাল মে-র আরও কিছু মুহূর্ত। যা আমার মুখে দীর্ঘদিন হাসি ধরে রাখবে।’ 

তবে ভক্তদের নজর কেড়েছে তার শেয়ার করা একটি ভিডিওর ক্যাপশন। বিছানায় শুয়ে থাকা তার পোষ্য কুকুরের একটি ভিডিওর ওপর তৃষা লেখেন, ‘আমার ব্যক্তিগত বিষয়ে নাক গলানোর অনুমতি কেবল এই একটি নাকেরই রয়েছে।’ 

সেখানে কোনো নাম উল্লেখ না করলেও, নেটিজেনদের বুঝতে বাকি নেই যে এই বার্তাটি আসলে তাকে নিয়ে ছড়াতে থাকা গুঞ্জন এবং সমালোচকদের উদ্দেশেই দেওয়া। 

যেভাবে ছড়াল বিজয়-তৃষার সম্পর্কের গুঞ্জন 

২০১৫ সালে ব্যবসায়ী বরুণ মানিয়ানের সঙ্গে বাগদান হয় তৃষার। কিন্তু পরে তা ভেঙে যায়। অন্যদিকে ১৯৯৯ সালে সংগীতা সোর্নালিঙ্গমকে বিয়ে করেন অভিনেতা বিজয়। তাদের ঘরে দুই সন্তানও রয়েছে। তবে চলতি বছরের শুরুতে খবর ছড়ায় যে, প্রায় তিন দশকের দাম্পত্য জীবনের ইতি টেনে বিচ্ছেদের আবেদন করেছেন সংগীতা। গুঞ্জন ওঠে, এক নামী অভিনেত্রীর সঙ্গে বিজয়ের সম্পর্কের জের ধরেই এই সিদ্ধান্ত। 

এর পরপরই গত মার্চ মাসে চেন্নাইয়ে একটি বিয়ের অনুষ্ঠানে বিজয় ও তৃষাকে একই রঙের (গোল্ডেন) পোশাকে দেখা গেলে গুঞ্জন আরও ডালপালা মেলে। এছাড়া সম্প্রতি বিজয়ের মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানে তৃষাকে আবেগপ্রবণ হতে এবং অভিনেতা অজিত কুমারের মায়ের মৃত্যুতে বিজয়ের সঙ্গে তার বাড়িতে সান্ত্বনা জানাতে যেতে দেখা যায়। তবে এই সমস্ত গুঞ্জন নিয়ে বিজয় বা তৃষা কেউই এখনো কোনো আনুষ্ঠানিক মন্তব্য করেননি। 

ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে আলোচনা-সমালোচনার মাঝেই বক্স অফিসে রীতিমতো ঝড় তুলেছেন তৃষা। সম্প্রতি মুক্তি পাওয়া আরজে বালাজি পরিচালিত এবং সুরিয়া অভিনীত তার ‘কারুপ্পু’ সিনেমাটি সমালোচক ও দর্শক মহলে দারুণ প্রশংসিত হয়েছে।

ইতিমধ্যেই সিনেমাটি ২০২৬ সালের সর্বোচ্চ আয়কারী তামিল চলচ্চিত্র হিসেবে আত্মপ্রকাশ করেছে। ভারতে ১৮০ কোটি টাকার বেশি ব্যবসা করার পাশাপাশি বিশ্বজুড়ে এটি ৩০০ কোটি রুপির মাইলফলক স্পর্শ করার দোরগোড়ায় রয়েছে। 


 

খেলা

ছবি: সংগৃহীত।

বিশ্বকাপ দলে দিবালার জায়গা না পাওয়ার কারণ জানালেন স্কালোনি

২০২৬ বিশ্বকাপের জন্য আর্জেন্টিনার চূড়ান্ত ২৬ জনের দল সাজাতে গিয়ে কোচ লিওনেল স্কালোনি ২০২২ সালের শিরোপাজয়ী দলের বেশ কয়েকজনকে বাদ দিয়েছেন। এর মধ্যে সবচেয়ে আলোচিত নাম পাওলো দিবালা। এমনকি তার নাম ছিলো না ৫৫ জনের প্রাথমিক তালিকাতেও। এই সিদ্ধান্ত আর্জেন্টিনার সমর্থকদের মধ্যে বিস্ময় জাগিয়েছে।

ডিস্পোর্টসকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে স্কালোনি এই বিষয়ে সরাসরি কথা বলেছেন। তিনি বলেছেন, ‘পাওলো যে দারুণ খেলোয়াড়, সেটা আলাদা করে বলার দরকার নেই। তার দলের হয়ে সে অসাধারণভাবে ফিরে এসেছে। তার দুর্দান্ত পারফরম্যান্সে তারা (রোমা) চ্যাম্পিয়ন্স লিগেও জায়গা পেয়েছে।’  

তার বাদ পড়ার কারণ হিসেবে স্কালোনি জানান, অন্যরা বেশ ভালো করছেন। তিনি বলেন, ‘এটাই হয় সবসময়: তরুণ খেলোয়াড়রা উঠে আসে, কিছু খেলোয়াড় নিজেদের জায়গা পাকা করে নেয়। তারা সুযোগ পাওয়ার যোগ্য। তাই আমরা অন্যদের নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছি।’

এই সিদ্ধান্তের পেছনে একটি বড় কারণ হলো জাতীয় দল থেকে দিবালার দীর্ঘ অনুপস্থিতি।  তাকে দলে ডাকা হয়েছিলো সর্বশেষ ২০২৪ সালের সেপ্টেম্বরে। সেবার চিলি ও কলম্বিয়ার বিপক্ষে বিশ্বকাপ বাছাই ম্যাচে তিনি মাত্র ১৬ মিনিট মাঠে ছিলেন। তারপর থেকে প্রতিটি আন্তর্জাতিক উইন্ডোতে তিনি ছিলেন না। এই ফাঁকে নিকো পাজদের মতো খেলোয়াড়রা দলে নিজেদের জায়গা পাকা করে নিয়েছেন।

এখন ৩২ বছর বয়সী দিবালাকে ভবিষ্যতের কথা মাথায় রেখেও বাদ দেওয়া হয়েছে। স্কালোনি বলেছেন, ‘তার মানের ব্যাপারে কোনো সন্দেহ নেই। আমরা তাকে ভালোবাসি, সে অসাধারণ একজন মানুষ। কিন্তু আমরা এখনকার কথা ভাবি এবং ভাবি অন্যরা ভবিষ্যতে কতোটা দিতে পারবে। আরও কিছু বিশ্বকাপজয়ী আছেন যাদেরও বাদ দেওয়া হয়েছে। তবে এটা পর্যালোচনার বিষয়। আমরা এই সিদ্ধান্তই নিয়েছি।’ 

২০২৫-২৬ মৌসুমটি দিবালার জন্য বেশ কঠিন ছিলো। প্রথমে নতুন কোচ জিয়ান পিয়েরো গ্যাসপেরিনির কৌশলে মানিয়ে নেওয়া, এরপর হাঁটুর অস্ত্রোপচার — সব মিলিয়ে অনেকটা সময় মাঠের বাইরে থাকতে হয়েছে। রোমার পাঁচ ম্যাচের জয়ের ধারায় শেষ তিন ম্যাচে চারটি অ্যাসিস্ট করেন তিনি। এই পারফরম্যান্স দলটিকে চ্যাম্পিয়ন্স লিগের টিকিট এনে দিয়েছে। কিন্তু স্কালোনির প্রাথমিক তালিকা প্রকাশের আগেই এই সাফল্য এসেছিলো। তাই কোচের মন বদলানোর সুযোগ তেমন ছিলো না।