শিরোনাম

কলমাকান্দায় ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর ১০০ পরিবারের মাঝে ছাগল ও গৃহনির্মাণ সামগ্রী বিতরণ চূড়ান্ত চুক্তিতে ৫০ বিলিয়ন ডলারের নিষেধাজ্ঞা ছাড় পেতে পারে ইরান আলিয়া-অনন্যার পথেই হাঁটলেন শ্রদ্ধা কাপুর হামলা-মামলা আর কারাবরণের মধ্যেও রাজপথ ছাড়েননি শেখ তারিকুল হাসান বিশ্বকাপের মধ্যেই ক্লাব ছাড়ার ইঙ্গিত আলভারেজের
ছবি: বিএমএফ টেলিভিশন।

লন্ডনে ওয়ার্ল্ড হিউম্যান রাইটস অর্গানাইজেশন ইউকের উদ্যোগে আন্তর্জাতিক প্রতিবাদ সমাবেশ

ওয়ার্ল্ড হিউম্যান রাইটস অর্গানাইজেশন ইউকের উদ্যোগে মঙ্গলবার বিকেল ৫টায় পূর্ব লন্ডনের ঐতিহাসিক আলতাব আলী পার্কে এক আন্তর্জাতিক প্রতিবাদ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। সম্প্রতি সংঘটিত রামিসা হত্যা, নারী ও শিশু নির্যাতন, ধর্ষণ, সাংবাদিক নির্যাতন এবং মানবাধিকার লঙ্ঘনের বিভিন্ন ঘটনার প্রতিবাদে এ সমাবেশের আয়োজন করা হয়।

সংগঠনের সভাপতি আশিকুল ইসলাম আশিকের সভাপতিত্বে এবং সাধারণ সম্পাদক লাভলু লস্কর , ড. আজিজুল আম্বিয়া ও জাকির হোসেন সেলিমের যৌথ সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত সমাবেশে যুক্তরাজ্যপ্রবাসী বাংলাদেশি কমিউনিটির বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার প্রতিনিধিরা অংশগ্রহণ করেন।

সমাবেশে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন বিবিসির সাবেক সাংবাদিক শামীম চৌধুরী। তিনি বলেন, একটি সভ্য ও গণতান্ত্রিক সমাজ প্রতিষ্ঠার জন্য মানবাধিকার, আইনের শাসন এবং মতপ্রকাশের স্বাধীনতা নিশ্চিত করা অত্যন্ত জরুরি। তিনি দেশে চলমান সহিংসতা, নারী নির্যাতন, সাংবাদিকদের ওপর হামলা এবং বিচারহীনতার সংস্কৃতি বন্ধে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের আহ্বান জানান।

বক্তারা বলেন, রামিসা হত্যাকাণ্ডসহ সাম্প্রতিক বিভিন্ন নৃশংস ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও দ্রুত বিচার নিশ্চিত করতে হবে। পাশাপাশি নারী ও শিশুদের নিরাপত্তা, মানবাধিকার সুরক্ষা এবং স্বাধীন সাংবাদিকতার পরিবেশ নিশ্চিত করার দাবি জানান তারা।

এ সময় বক্তব্য রাখেন মানবাধিকার কর্মী আব্দুল আহাদ চৌধুরী, আ.স.ম. মিসবা, মুজিবুল হক মনি, নাজমিন সুলতানা শিখা, মোহন মিয়া, আব্দুল কুদ্দুস, জহিরুল ইসলাম, হুমায়ুন কবীর, জামাল আহমদ, আংগুর আলী, জাকির হোসেন সেলিম, ফয়সল আহমদ,  আব্দুল হেলাল চৌধুরী সেলিম, মতব্বির হোসেন চুনু, হুমায়ুন কবির, আব্দুল জলিল চৌধুরী, আব্দুর রব, ছইল মিয়া, রিপোর্টার্স ইউনিটির সভাপতি অধ্যক্ষ সাহেদ রহমান, সাধারণ সম্পাদক আব্দুল বাছির, অ্যাডভোকেট বজলুর রশীদ, মুফতি আব্দুল ওদুদ, মুজিবুল হক মুজিব, ইমদাদুন খানম, জেসিকা চৌধুরী, রিপা আক্তার, শাহ লাভলী রহমান, জামিলা খানম, সাগর চৌধুরী মোহন, ময়না মিয়া, মকবুল হোসেন, নিজাম উদ্দিন, আব্দুস সাত্তার, নুরুল হক, মোহাম্মদ রুনু, সৈয়দ গোলাব মিয়া, আবুল হোসেন, একলিম মিয়া, নাজমুল হোসেন, জুবেল আহমদ বেলাল, শরীফ আলম, মো. গিয়াস উদ্দিন সোহাগ, সেলিম আহমেদ, রুমেল খান, মাসুম বিল্লাহ, আব্দুল হকসহ আরও অনেকে।

সমাবেশ শেষে বক্তারা বিশ্বব্যাপী মানবাধিকার রক্ষা, বৈষম্য ও নিপীড়নের বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ জনমত গড়ে তোলা এবং গণমানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠায় আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে আরও সক্রিয় ভূমিকা পালনের আহ্বান জানান। একই সঙ্গে তারা সকল ধরনের হত্যা, ধর্ষণ, নির্যাতন ও মানবাধিকার লঙ্ঘনের বিরুদ্ধে সোচ্চার থাকার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।

বিনোদন

ছবি: সংগৃহীত।

আলিয়া-অনন্যার পথেই হাঁটলেন শ্রদ্ধা কাপুর

বিনোদন জগতের তারকারা একটু পরিচিতি পেলেই মা-বাবার বাড়ি ছেড়ে আলাদা থাকার বন্দোবস্ত করেন। বিশেষ করে তারকার সন্তানরা প্রাপ্তবয়স্ক হলেই মা-বাবার বাড়ি ছেড়ে নিজেদের আস্তানা গুছিয়ে নেন। এই চল রয়েছে পশ্চিমা দেশগুলোতে। এখন সেই একই ধারা বহুল মাত্রায় শুরু হয়েছে বলিউডেও। 

অভিনেত্রী আলিয়া ভাট ও অনন্যা পান্ডে তো আগেই বাবা-মায়ের বাড়ি ছেড়ে আলাদা থাকতে শুরু করেছেন। এবার সেই একই পথ ধরলেন আরেক বলিউড অভিনেত্রী শ্রদ্ধা কাপুর। এতদিন তিনি মা-বাবা ও দাদার সঙ্গে একই বাড়িতে থাকলেও এবার জুহুর কাছে একটি আবাসনে বাড়ি ভাড়া নিয়েছেন ‘স্ত্রী ২’ অভিনেত্রী। ওই একই বাড়িতে কিছু দিন আগে হৃতিক রোশন ভাড়া থাকতেন। এবার শ্রদ্ধা সেই বাড়িতে থাকবেন। 

ভারতীয় গণমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, শ্রদ্ধার নতুন প্রতিবেশীরা হলেন— খিলাড়িখ্যাত অভিনেতা অক্ষয় কুমার, সাজিয়া নাদিয়াদওয়ালা। ইতোমধ্যে নিজের মতো বাড়ি সাজিয়ে নিয়েছেন অভিনেত্রী।

যদিও এতদিন এই নায়িকা বলে আসছিলেন, তিনি পরিবারের সঙ্গেই থাকতে চান। তবে এখন এ বাড়িটিতে একাই থাকবেন শ্রদ্ধা। তার মা মাঝে মধ্যে এসে মেয়ের সঙ্গে থাকবেন। 

তবে আর্থিকভাবে স্বাবলম্বী হলেই মা-বাবার থেকে আলাদা থাকার চল আবার বলিউডের একাংশের পছন্দ নয়। 

সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে অভিনেতা বরুণ ধাওয়ান জানিয়েছেন, তিনি ব্যক্তিগত পরিসরের জন্য মা-বাবার থেকে আলাদা থাকায় বিশ্বাসী নন। এছাড়া একবার ঐশ্বরিয়া রাইকেও তির্যকভাবে প্রশ্ন করা হয়েছিল যে, তিনি কি এখনো মা-বাবার সঙ্গে একই বাড়িতে থাকেন? সেই সময় স্পষ্ট ভাষায় অভিনেত্রী উত্তর দিয়েছিলেন— ‘হ্যাঁ, মা-বাবার সঙ্গে দেখা করতে আমাদের আলাদা করে সময় নিতে হয় না।’  

উল্লেখ্য, শ্রদ্ধা কাপুর ‘স্ত্রী ২’ সিনেমার সাফল্যের পরেই আলাদা থাকার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। জানা গেছে শিগগিরই বিয়ের পিঁড়িতে বসবেন তিনি। 


 

খেলা

ছবি: সংগৃহীত।

বিশ্বকাপের মধ্যেই ক্লাব ছাড়ার ইঙ্গিত আলভারেজের

বিশ্বকাপ চলাকালেই নিজের ভবিষ্যৎ নিয়ে বড় ইঙ্গিত দিলেন আর্জেন্টিনা তারকা হুলিয়ান আলভারেজ। অস্ট্রিয়ার বিপক্ষে আর্জেন্টিনার ২-০ গোলের জয়ের পর তিনি জানিয়েছেন, চলতি গ্রীষ্মেই আতলেতিকো মাদ্রিদ ছাড়তে চান।

ইএসপিএনকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে আলভারেজ বলেন, ‘এখন হয়তো বিষয়টি নিয়ে কথা বলার সেরা সময় নয়, তবে আমি কিছু লুকাতেও চাই না। ক্লাবের যাদের সঙ্গে কথা বলা প্রয়োজন ছিল, আমি কথা বলেছি। আমার মনে হয়, সবার জন্যই ট্রান্সফারটাই সবচেয়ে ভালো সমাধান হবে। আমি আমার স্বপ্ন পূরণ করতে চাই।’

২৬ বছর বয়সী এই ফরোয়ার্ড অবশ্য নিজের সম্ভাব্য গন্তব্যের নাম প্রকাশ করেননি। তবে বিভিন্ন গণমাধ্যমের প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, তার সবচেয়ে পছন্দের গন্তব্য বার্সেলোনা।

রবার্ট লেভানডফস্কির বিদায়ের পর নতুন স্ট্রাইকার খুঁজছে কাতালান জায়ান্টরা। সেই তালিকার শীর্ষেই রয়েছেন আলভারেজ। এরই মধ্যে নিউক্যাসল ইউনাইটেড থেকে ইংল্যান্ড উইঙ্গার অ্যান্থনি গর্ডনকে দলে ভেড়ানোর পর বার্সেলোনার পরবর্তী বড় লক্ষ্য আর্জেন্টাইন বিশ্বকাপজয়ী এই ফরোয়ার্ড।

শুধু বার্সেলোনাই নয়, হুলিয়ানকে দলে নিতে আগ্রহী রয়েছে প্যারিস সেন্ট জার্মেই (পিএসজি) ও আর্সেনালও। এছাড়া গত মাসে রিয়াল মাদ্রিদ ১৫০ মিলিয়ন ইউরোর প্রস্তাব দিয়েছিল বলে জানা গেছে। তবে সেই প্রস্তাব সরাসরি প্রত্যাখ্যান করে আতলেতিকো।

আলভারেজকে ঘিরে চলা এই আগ্রহে বেশ বিরক্ত আতলেতিকো মাদ্রিদ। ক্লাবটি ইতোমধ্যে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বার্সেলোনা ও রিয়াল মাদ্রিদকে উদ্দেশ্য করে একাধিক কটাক্ষপূর্ণ বার্তা দিয়েছে।

বার্সেলোনার বিরুদ্ধে ‘পরিকল্পিত তথ্য ফাঁস, ভুয়া খবর ও ধারাবাহিক অসম্মানজনক আচরণের’ অভিযোগ তোলে আতলেতিকো। এমনকি পাল্টা হিসেবে লামিন ইয়ামাল, পেদ্রি ও রাফিনিয়ার জন্য ‘মক বিড’ বা প্রতীকী প্রস্তাবও প্রকাশ করে তারা।

রিয়াল মাদ্রিদের ক্ষেত্রেও একই ধরনের প্রতিক্রিয়া দেখায় ক্লাবটি। আতলেতিকো জানিয়ে দেয়, আলভারেজের জন্য আসা কোনো প্রস্তাব তারা ‘বিবেচনাও করবে না’। 

উল্লেখ্য, ২০২৪ সালে ইংলিশ ক্লাব ম্যানচেস্টার সিটি থেকে সর্বোচ্চ ৯৫ মিলিয়ন ইউরোর চুক্তিতে আতলেতিকো মাদ্রিদে যোগ দেন আলভারেজ। তবে মাত্র দুই মৌসুমের মধ্যেই নতুন চ্যালেঞ্জের খোঁজে ক্লাব ছাড়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন আর্জেন্টাইন এই গোলমেশিন।