শিরোনাম

চুক্তি না মানলে ইরানের সঙ্গে যা করা দরকার তাই করবো: ট্রাম্প অজ্ঞতা ঈমানি দুর্বলতার অন্যতম কারণ পরমাণু পরিদর্শকদের প্রবেশাধিকার দিতে রাজি ইরান: ভ্যান্স অবশেষে হরমুজ পাড়ি দিলো ‘বাংলার জয়যাত্রা’, শেষ হলো চার মাসের অপেক্ষা দেশীয় টায়ার শিল্পে আরও সুরক্ষা চায় বিটিএমইএ
ছবি: বিএমএফ টেলিভিশন।

লন্ডনে ওয়ার্ল্ড হিউম্যান রাইটস অর্গানাইজেশন ইউকের উদ্যোগে আন্তর্জাতিক প্রতিবাদ সমাবেশ

ওয়ার্ল্ড হিউম্যান রাইটস অর্গানাইজেশন ইউকের উদ্যোগে মঙ্গলবার বিকেল ৫টায় পূর্ব লন্ডনের ঐতিহাসিক আলতাব আলী পার্কে এক আন্তর্জাতিক প্রতিবাদ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। সম্প্রতি সংঘটিত রামিসা হত্যা, নারী ও শিশু নির্যাতন, ধর্ষণ, সাংবাদিক নির্যাতন এবং মানবাধিকার লঙ্ঘনের বিভিন্ন ঘটনার প্রতিবাদে এ সমাবেশের আয়োজন করা হয়।

সংগঠনের সভাপতি আশিকুল ইসলাম আশিকের সভাপতিত্বে এবং সাধারণ সম্পাদক লাভলু লস্কর , ড. আজিজুল আম্বিয়া ও জাকির হোসেন সেলিমের যৌথ সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত সমাবেশে যুক্তরাজ্যপ্রবাসী বাংলাদেশি কমিউনিটির বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার প্রতিনিধিরা অংশগ্রহণ করেন।

সমাবেশে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন বিবিসির সাবেক সাংবাদিক শামীম চৌধুরী। তিনি বলেন, একটি সভ্য ও গণতান্ত্রিক সমাজ প্রতিষ্ঠার জন্য মানবাধিকার, আইনের শাসন এবং মতপ্রকাশের স্বাধীনতা নিশ্চিত করা অত্যন্ত জরুরি। তিনি দেশে চলমান সহিংসতা, নারী নির্যাতন, সাংবাদিকদের ওপর হামলা এবং বিচারহীনতার সংস্কৃতি বন্ধে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের আহ্বান জানান।

বক্তারা বলেন, রামিসা হত্যাকাণ্ডসহ সাম্প্রতিক বিভিন্ন নৃশংস ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও দ্রুত বিচার নিশ্চিত করতে হবে। পাশাপাশি নারী ও শিশুদের নিরাপত্তা, মানবাধিকার সুরক্ষা এবং স্বাধীন সাংবাদিকতার পরিবেশ নিশ্চিত করার দাবি জানান তারা।

এ সময় বক্তব্য রাখেন মানবাধিকার কর্মী আব্দুল আহাদ চৌধুরী, আ.স.ম. মিসবা, মুজিবুল হক মনি, নাজমিন সুলতানা শিখা, মোহন মিয়া, আব্দুল কুদ্দুস, জহিরুল ইসলাম, হুমায়ুন কবীর, জামাল আহমদ, আংগুর আলী, জাকির হোসেন সেলিম, ফয়সল আহমদ,  আব্দুল হেলাল চৌধুরী সেলিম, মতব্বির হোসেন চুনু, হুমায়ুন কবির, আব্দুল জলিল চৌধুরী, আব্দুর রব, ছইল মিয়া, রিপোর্টার্স ইউনিটির সভাপতি অধ্যক্ষ সাহেদ রহমান, সাধারণ সম্পাদক আব্দুল বাছির, অ্যাডভোকেট বজলুর রশীদ, মুফতি আব্দুল ওদুদ, মুজিবুল হক মুজিব, ইমদাদুন খানম, জেসিকা চৌধুরী, রিপা আক্তার, শাহ লাভলী রহমান, জামিলা খানম, সাগর চৌধুরী মোহন, ময়না মিয়া, মকবুল হোসেন, নিজাম উদ্দিন, আব্দুস সাত্তার, নুরুল হক, মোহাম্মদ রুনু, সৈয়দ গোলাব মিয়া, আবুল হোসেন, একলিম মিয়া, নাজমুল হোসেন, জুবেল আহমদ বেলাল, শরীফ আলম, মো. গিয়াস উদ্দিন সোহাগ, সেলিম আহমেদ, রুমেল খান, মাসুম বিল্লাহ, আব্দুল হকসহ আরও অনেকে।

সমাবেশ শেষে বক্তারা বিশ্বব্যাপী মানবাধিকার রক্ষা, বৈষম্য ও নিপীড়নের বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ জনমত গড়ে তোলা এবং গণমানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠায় আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে আরও সক্রিয় ভূমিকা পালনের আহ্বান জানান। একই সঙ্গে তারা সকল ধরনের হত্যা, ধর্ষণ, নির্যাতন ও মানবাধিকার লঙ্ঘনের বিরুদ্ধে সোচ্চার থাকার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।

বিনোদন

ছবি: সংগৃহীত।

চন্দ্রশেখর থেকে থালাপতি, বিজয়ের গল্প যেন স্বপ্নের মতই

আজ ২২ জুন, ৫২ বর্ষা পেরিয়ে ৫৩-তে পা রাখলেন দক্ষিণ ভারতীয় সিনেমার সুপারসটার থালাপতি বিজয়। দীর্ঘ ক্যারিয়ারে ৭৮টি চলচ্চিত্রে অভিনয় করেছেন। বাবা প্রখ্যাত নির্মাতা এস এ চন্দ্রশেখরের হাত ধরে শিশুশিল্পী হিসেবে পর্দায় আগমন বিজয়ের। তিন দশক পেরিয়ে কোটি মানুষের হৃদয়ে জায়গা করে নেওয়া বিজয় শুধু সিনেমার নায়কই নন, হয়ে উঠেছেন বাস্তব জীবনে জনতার নায়কও। আজ তাই বিশেষ দিনে সিক্ত হচ্ছেন ভক্ত, শুভাকাঙ্ক্ষী, সতীর্থদের ভালোবাসা ও শুভেচ্ছায়। 

অতীত এবং প্রাথমিক জীবন

১৯৭৪ সালের ২২ জুন তামিলনাড়ুর চেন্নাইতে জন্মগ্রহণ করেন বিজয়। পুরো নাম সি. জোসেফ বিজয় বা জোসেফ বিজয় চন্দ্রশেখর। তার বাবা চলচ্চিত্র নির্মাতা এস এ চন্দ্রশেখর এবং মা গায়িকা শোভা চন্দ্রশেখর। উচ্চ মাধ্যমিক শেষ করে স্নাতকে ভর্তি হয়েছিলেন বটে। কিন্তু চলচ্চিত্রপ্রেমে মজে পড়াশোনা ছেড়ে দেন। থালাপতি বিজয়

খুব অল্প বয়সেই অভিনয়ের প্রতি তার তীব্র অনুরাগের জন্ম হয়। তবে ছেলে অভিনেতা হোক, এমনটা চাননি খোদ তার বাবা। তাই বাবার ওপর অভিমান করে বাড়ি ছেড়ে চলে যান। কয়েক দিন পর চেন্নাইয়ের একটি সিনেমা হল থেকে তাকে খুঁজে পাওয়া যায়। তখনই বোঝা যায়, রূপালি পর্দার প্রতি তার প্রেম কত গাঢ়। 

সিনেমায় আসা ও শুরুর দিকের সংগ্রাম

১৯৮০-এর দশকে বাবা এস এ চন্দ্রশেখরের পরিচালনায় 'ভেত্রি', 'কুদুমবাম' ও 'বসন্ত রাগম'-এর মতো সিনেমায় শিশুশিল্পী হিসেবে বিজয় তার অভিনয় জীবন শুরু করেন। ১৯৯২ সালে মাত্র ১৮ বছর বয়সে ‘নালাইয়া থিরপু’ সিনেমার মাধ্যমে প্রধান নায়ক হিসেবে তার অভিষেক ঘটে। 

তবে শুরুটা সহজ ছিল না, প্রথম সিনেমাটি বক্স অফিসে ব্যর্থ হয় এবং সমালোচকদের কাছ থেকে অত্যন্ত রূঢ় ও হতাশাজনক মন্তব্য পান তিনি। এরপর ১৯৯৬ সালে ‘পুভে উনাক্কাগা’ সিনেমার মাধ্যমে মূলধারার চলচ্চিত্রে তার সাফল্য আসে। ছবিটি তামিলনাড়ুর পারিবারিক দর্শকদের মাঝে তাকে তুমুল জনপ্রিয় করে তোলে। ১৯৯৭ সালে ‘কাধালুক্কু মারিয়াধাই’ তার রোমান্টিক হিরো ইমেজকে আরও উঁচুতে নিয়ে যায় এবং তার নাচের অনন্য স্টাইল ও চার্ম তরুণদের হৃদয়ে ঝড় তোলে।

চন্দ্রশেখর থেকে ‘থালাপতি’ হয়ে ওঠা

তামিল ভাষায় ‘থালাপতি’ শব্দের অর্থ হলো সেনাপতি, কমান্ডার, নেতা বা প্রধান। ১৯৯৪ সালে ‘রসিগান’ সিনেমার সাফল্যের পর ভক্তরা তাকে ‘ইলাইয়া থালাপতি’ বা তরুণ সেনাপতি বলে ডাকতে শুরু করেন। ২০০০-এর দশকের শুরুতে ‘থিরুমালাই’ (২০০৩) এবং ‘ঘিল্লি’ (২০০৪) সিনেমার মাধ্যমে তার ক্যারিয়ারে এক বিশাল রূপান্তর ঘটে, যা তাকে মাস অ্যাকশন সুপারস্টার হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করে। এরপর ‘পোক্কিরি’ (২০০৭) এবং ‘থুপ্পাক্কি’ (২০১২)-এর মতো অল-টাইম ব্লকবাস্টার উপহার দেওয়ার পর ভক্তরা তাকে কেবল ‘থালাপতি’ নামে সম্বোধন করতে শুরু করে। ২০১৭ সালে ‘মেরসাল’ সিনেমা মুক্তির সময় থেকে পুরো ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রি ও ভক্তমহলে এই উপাধিটি তার পরিণত সুপারস্টারডম ও সাংস্কৃতিক পরিচয়ের অংশ হয়ে ওঠে।

সিনেমা ইন্ডাস্ট্রিতে প্রভাব 

দীর্ঘ অভিনয় জীবনে ‘মাস্টার’, ‘লিও’ কিংবা ‘গোট’ (GOAT)-এর মতো অসংখ্য ব্লকবাস্টার উপহার দিয়ে তামিল সিনেমার সমার্থক হয়ে উঠেছেন বিজয়। চলচ্চিত্র সংশ্লিষ্টদের কাছে তার সততা ও নম্রতা অনন্য দৃষ্টান্ত। তামিলনাড়ু ফিল্ম প্রডিউসার কাউন্সিলের সদস্য ও প্রযোজক জি ধনঞ্জয়ন তাকে বিশ্ব চলচ্চিত্র শিল্পের একটি অনন্য ‘ফেনোমেনন’ বা বিস্ময় হিসেবে উল্লেখ করেছেন। তার মতে, বিজয় চলচ্চিত্র অঙ্গনে এমন এক উচ্চতায় পৌঁছেছেন যেখানে রাজনীতিতে আসার বহু আগেই তিনি তামিলনাড়ুর প্রতিটি ঘরের একটি অংশ হয়ে উঠেছিলেন। সহকর্মী ও টেকনিশিয়ানদের সাথে তার দীর্ঘ কয়েক দশকের বন্ধুত্ব ইন্ডাস্ট্রিতে তার চমৎকার ব্যক্তিত্ব ও সুনামের প্রমাণ দেয়।

রূপালী পর্দা থেকে রাজনীতির ‘থালাপতি’

চলচ্চিত্রের এই আকাশচুম্বী জনপ্রিয়তা ও মানুষের প্রতি দায়বদ্ধতা থেকেই ২০২৪ সালে বিজয় ‘তামিলাগা ভেটরি কাজাগাম’ (টিভিকে) নামে নিজের রাজনৈতিক গঠন করেন। সিনেমার পর্দার মতো রাজনীতির মাঠেও তিনি দেখিয়েছেন ম্যাজিক। দল গঠনের মাত্র দুই বছরের মাথায় তামিলনাড়ু বিধানসভা নির্বাচনে তার দল ১০৮টি (মতান্তরে ১০৭টি) আসনে জয়লাভ করে সবচেয়ে বড় রাজনৈতিক শক্তি হিসেবে আবির্ভূত হয় এবং তিনি রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেন; হয়ে ওঠেন সত্যিকারের জনতার নায়ক। চলচ্চিত্র ক্যারিয়ারের ইতি টেনে জনগণের সেবায় নিজেকে বিলিয়ে দিয়ে প্রমাণ করেছেন, তিনি শুধু সিনেমার পর্দাতেই নয়, বাস্তব জীবনেও তামিলনাড়ুর কোটি মানুষের সত্যিকারের ‘থালাপতি’ বা নেতা।


 

খেলা

ছবি: সংগৃহীত।

দেশীয় টায়ার শিল্পে আরও সুরক্ষা চায় বিটিএমইএ

দেশীয় টায়ার শিল্পকে টেকসই ও প্রতিযোগিতামূলক করতে মোটরসাইকেল টায়ারে সমতুল্য আমদানি সুরক্ষা, কৃষি টায়ারে আরও শুল্ক বৃদ্ধি এবং উৎপাদনে ব্যবহৃত গুরুত্বপূর্ণ কাঁচামালের ওপর প্রস্তাবিত অতিরিক্ত শুল্ক প্রত্যাহারের দাবি জানিয়েছে বাংলাদেশ টায়ার-টিউব ম্যানুফ্যাকচারার্স অ্যান্ড এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশন (বিটিএমইএ)।

সোমবার (২২ জুন) রাজধানীর তেজগাঁওয়ে হোটেল হলিডে ইন ঢাকায় আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে সংগঠনটির পক্ষ থেকে এসব দাবি তুলে ধরা হয়।

সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন মেঘনা টায়ারের সিইও এবং সংগঠনটির ভাইস প্রেসিডেন্ট লুৎফল বারি, আরএফএল গ্রুপের চিফ অপারেটিং অফিসার এবং সংগঠনটি সদস্য মো. শরিফুল ইসলাম, রূপসা টায়ারের প্রতিনিধি এবং সংগঠনটির ভাইস প্রেসিডেন্ট মিরাজ রহমান, আকিজ ভেঞ্চারের জিএম অবসরপ্রাপ্ত মেজর আরিফুর, এপেক্সে হোসেন টায়ারের প্রতিনিধি এবং সংগঠনটির সদস্য পারভেজ তুহিন, যমুনা টায়ারের জিএম সোহেল রহমান, মেঘনা টায়ারের জিএম মুস্তাফিজুর রহমান প্রমুখ।

সংবাদ সম্মেলনে বিটিএমইএ ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটে লাইট ট্রাক টায়ারে ২০ শতাংশ সম্পূরক শুল্ক আরোপ, কৃষি টায়ার আমদানিতে ভ্যাট আরোপ এবং বৈদ্যুতিক যানবাহন সংশ্লিষ্ট শিল্পে শুল্ক-কর সুবিধা দেওয়ার সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানায়। সংগঠনটির মতে, দীর্ঘদিন নীতি-সহায়তার অভাবে ক্ষতিগ্রস্ত দেশীয় টায়ার শিল্পের জন্য এসব উদ্যোগ ইতিবাচক বার্তা বহন করে।

বিটিএমইএ জানায়, আগে দেশীয়ভাবে উৎপাদিত কৃষি টায়ারের ওপর ভ্যাট প্রযোজ্য হলেও আমদানিকৃত কৃষি টায়ারে একই ধরনের কর না থাকায় স্থানীয় শিল্প বৈষম্যের শিকার হয়েছিল। নতুন বাজেটে সেই বৈষম্য দূর করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে, তবে শিল্পের বিকাশে আরও সুরক্ষা প্রয়োজন।

সংগঠনটির দাবি, দেশে মোটরসাইকেল টায়ার উৎপাদনের সক্ষমতা থাকা সত্ত্বেও বাজার এখনো আমদানিনির্ভর। পর্যাপ্ত শুল্ক সুরক্ষা এবং স্থানীয় মোটরসাইকেল সংযোজনকারী প্রতিষ্ঠানের জন্য দেশীয় টায়ার ব্যবহার বাধ্যতামূলক করা হলে বৈদেশিক মুদ্রা সাশ্রয়ের পাশাপাশি দেশীয় শিল্প পূর্ণ সক্ষমতায় উৎপাদনে যেতে পারবে।

টায়ার আমদানিকারকদের সাম্প্রতিক কিছু বক্তব্যেরও জবাব দেয় বিটিএমইএ। তাদের দাবি, লাইট ট্রাক টায়ারে সম্পূরক শুল্ক আরোপে পরিবহন ব্যয়ে বড় ধরনের প্রভাব পড়বে না। বরং দেশীয় উৎপাদন বাড়লে প্রতিযোগিতার কারণে দাম কমার সম্ভাবনাই বেশি। একই সঙ্গে অবৈধ আমদানি বা সরকারের রাজস্ব কমে যাওয়ার আশঙ্কাকেও তারা ভিত্তিহীন বলে উল্লেখ করে।

সংগঠনটি আরও উদ্বেগ প্রকাশ করে জানায়, রাবার অ্যাক্সিলারেটর, আয়রন ওয়্যার (স্টিল কর্ড) এবং এমএস নিপলের মতো টায়ার উৎপাদনের অপরিহার্য কাঁচামালের ওপর অতিরিক্ত শুল্ক আরোপ করা হলে উৎপাদন ব্যয় বাড়বে এবং দেশীয় শিল্প ক্ষতিগ্রস্ত হবে। তাই এসব প্রস্তাব প্রত্যাহারের আহ্বান জানানো হয়।

এছাড়া বৈদ্যুতিক যানবাহন খাতে এসআরও সুবিধা গ্রহণের প্রক্রিয়া সহজ করার পাশাপাশি তিন ও চার চাকার বৈদ্যুতিক যানবাহনে স্থানীয়ভাবে উৎপাদিত টায়ার ব্যবহার বাধ্যতামূলক করার দাবি জানায় বিটিএমইএ।

সংবাদ সম্মেলনে সংগঠনটি জানায়, দেশের টায়ার শিল্পে বড় অঙ্কের বিনিয়োগ হচ্ছে এবং সরকারের ধারাবাহিক নীতি-সহায়তা পেলে বাংলাদেশ শিগগির টায়ার উৎপাদনে স্বয়ংসম্পূর্ণ হতে পারবে। এতে বৈদেশিক মুদ্রা সাশ্রয়, কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং সরকারের রাজস্ব আয় বৃদ্ধিতে ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে বলে আশা প্রকাশ করা হয়।