শিরোনাম

বিশ্ব মানবাধিকার ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে চট্টগ্রামে ইফতার ও দোয়া মাহফিল পেঁয়াজ বোঝাই ট্রাকের ধাক্কায় ক্ষতিগ্রস্ত মুজিবনগর ইউএনও’র গাড়ি ‘ইরানি ড্রোনের আঘাতে মার্কিন বিমানবাহী রণতরী আব্রাহাম লিঙ্কন আঘাতপ্রাপ্ত’ লিওনেল মেসি, আপনাকে হোয়াইট হাউজে স্বাগতম: ট্রাম্প আরও এক দেশে সরকার পরিবর্তনের হুমকি ট্রাম্পের
ছবি: সংগৃহীত।

আ.লীগ সরকার পতনের দিন বঙ্গভবনে কী ঘটেছিল, জানালেন রাষ্ট্রপতি

রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন জানিয়েছেন, ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের আন্দোলনটা জনবিস্ফোরণে রূপ নেয়। সেদিন কেউই আঁচ করতে পারেনি যে কী হতে চলেছে। সম্প্রতি বঙ্গভবনে নিজ কার্যালয়ে বেসরকারি একটি গণমাধ্যমকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে রাষ্ট্রপতি সেই দিনের স্মৃতিচারণা করেন।


রাষ্ট্রপতি বলেন, ‘যখন বিক্ষোভকারীরা গণভবন অভিমুখে, তখন আমাকে জানানো হলো, যেকোনো মুহূর্তে প্রধানমন্ত্রী বঙ্গভবনে আসবেন। ১২টার সময় আমাকে জানানো হলো, উনি প্রস্তুতি নিচ্ছেন বঙ্গভবনে আসার। এর আগে আমরা আঁচই করতে পারিনি যে আসলে ঘটনা কী ঘটতে যাচ্ছে। তবে উনি যখন এখানে আসবেন বলছেন এবং হেলিকপ্টারও রেডি, তখন আমরা ঘটনার ভয়াবহতা সম্পর্কে ধারণা করতে পারি।’


‘এখানে সিকিউরিটি যারা ছিল, সবাই পজিশন নিয়ে নিল। দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে জানানো হলো, না, উনি আসছেন না। আসছেন না যখন জেনেছি, তখন আমরাও সতর্ক ছিলাম। কিছুক্ষণ পরেই শুনলাম, উনি দেশ ছেড়েছেন। একসময় জানতে পারলাম, উনি অলরেডি দেশের বাইরে চলে গেছেন। সব মিলিয়ে ৩০ থেকে ৪০ মিনিটের মধ্যে সামগ্রিক ঘটনাপ্রবাহের খুব দ্রুত পরিবর্তন দেখতে পাচ্ছিলাম।’


রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন বলেন, ‘সেদিন বিকেল ৩টার দিকে প্রথমে সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান আমাকে টেলিফোনে সব ঘটনা অবহিত করেন। সশস্ত্র বিভাগ থেকেও আমাকে জানানো হয়। পরে জানানো হলো, ওয়াকার সাহেব সাংবাদিকদের সামনে সম্পূর্ণ পরিস্থিতি নিয়ে একটা ব্রিফিং দেবেন।’


‘উনি ব্রিফিং দিলেন, আমরা টেলিভিশনে দেখলাম। উনি বললেন, প্রধানমন্ত্রী দেশত্যাগ করেছেন। তো দেশবাসী আশ্বস্ত হলো যে উনি অলরেডি দেশান্তরী হয়েছেন। তারপর আমাকে সেনাপ্রধান ফোন করে জানালেন যে তারা আসছেন। সেনাবাহিনী, নৌবাহিনী, বিমানবাহিনী প্রধান—তিনজনই বঙ্গভবনে এলেন। এসে আমার সঙ্গে উদ্ভূত সামগ্রিক পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনায় বসলেন।’
‘তখন আমাদের প্রায় কিংকর্তব্যবিমূঢ় অবস্থা। কী করা যায়, কিভাবে কী হবে—এসব নিয়ে আমরা আলোচনা করলাম প্রায় দুই থেকে তিন ঘণ্টা। সিদ্ধান্ত হলো, সব রাজনৈতিক দলের নেতৃবৃন্দকে ডাকা হবে। এই কাজে সেনাবাহিনীর টিম নিযুক্ত ছিল। তারপর উনারা চলে গেলেন। সেনা সদরে দেশের রাজনৈতিক দলের নেতৃবৃন্দকে একত্র করা হলো। বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নেতাদের মধ্যেও কেউ কেউ ছিল। তখন যাদের পাওয়া গেছে, তাদেরকে নিয়েই আবার তারা বঙ্গভবনে আসেন। আমরা আবার বৈঠকে বসি।’


‘বঙ্গভবনের এই বৈঠকে আমরা দেশের শান্তি ও স্থিতিশীলতার বিষয়টি সর্বাধিক গুরুত্ব দিয়েছি। কিভাবে, কোন ধরনের সিদ্ধান্ত নিলে দেশের মানুষকে স্বস্তি ফিরিয়ে দেওয়া যায়, সে বিষয়ে দীর্ঘ আলোচনার আয়োজন হয়। আমার সভাপতিত্বে সভা হলো। সেনাপ্রধান সঞ্চালনা করলেন। সেখানে তিনি পুরো পরিস্থিতির ব্যাখ্যা দিলেন।’


রাষ্ট্রপতি বলেন, ‘সেই বৈঠকে সম্মিলিতভাবে কয়েকটি প্রস্তাব আসে। বিশেষ করে, মূল তিনটি প্রস্তাব উত্থাপন করা হয়। এগুলো হলো—তত্ত্বাবধায়ক সরকার, সর্বদলীয় বা জাতীয় সরকার এবং অন্তর্বর্তী সরকার। যে নামেই ডাকা হোক না কেন, লক্ষ্য-উদ্দেশ্য থাকবে অভিন্ন। তত্ত্বাবধায়ক সরকার বললে হয়তো ওয়ান-ইলেভেনের মতো শোনায়। আবার সর্বদলীয় বা জাতীয় সরকার বললে দীর্ঘমেয়াদি সরকারও হয়ে যেতে পারে। তো, নানা বিবেচনায় আমাদের বিজ্ঞ রাজনীতিবিদরা সিদ্ধান্ত নেন যে অন্তর্বর্তী সরকারই গঠন করা উচিত।’


‘এই সিদ্ধান্ত হলো আর আমার ওপর দায়িত্ব পড়ল জাতির উদ্দেশে ভাষণ দিয়ে জাতিকে আশ্বস্ত করার। আর তারা নিজেদের মধ্যে আলোচনা করে সব ঠিক করবেন সরকারের গঠন প্রণালীটা। এই সিদ্ধান্ত হওয়ার পর প্রফেসর আসিফ নজরুল সাংবাদিকদের কাছে পরিস্থিতির অগ্রগতি তুলে ধরেন। আমাকে ভাষণ দিতে হলো রাত ১১টার সময়। আর অন্তর্বর্তী সরকার গঠন প্রক্রিয়া তাদের হাতে ছেড়ে দেওয়া হলো। সেনাবাহিনী এবং রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ আলাপ করে এটা করবেন। সেনাবাহিনী থাকবে, সহায়তা করবে সব কিছুতে।’
সূত্র : কালের কণ্ঠ।
 

বিনোদন

ছবি: সংগৃহীত।

ইকরার সঙ্গে ব্যক্তিগত চ্যাট প্রকাশ করে হুঁশিয়ারি তিথির

ছোটপর্দার অভিনেতা জাহের আলভীর স্ত্রী আফরা ইভনাথ ইকরা মারা গেছেন গত ২৮ ফেব্রুয়ারি। তার মৃত্যুতে বিচারের দাবিতে গতকাল রাজধানীর বাংলাদেশ চলচ্চিত্র উন্নয়ন করপোরেশন (বিএফডিসি) গেটের সামনে ‘জাস্টিস ফর ইকরা’ নামের একটি সামাজিক প্ল্যাটফর্ম মানববন্ধন করেছে। 

সেখানে অংশগ্রহণকারীরা আলভী ও তিথিকে বয়কটের ডাক দেন। চলমান বিতর্কে ইফফাত আরা তিথি নিজের ফেসবুকে পোস্ট দিয়েছেন। পোস্টে ইকরার সঙ্গে ব্যক্তিগত চ্যাটের ৪৪টি স্ক্রিনশট প্রকাশ করেন তিথি।

ইকরার মৃত্যুকে ঘিরে বিনোদন অঙ্গনে আলোচনা চলছে। ইকরার পরিবার দাবি করেছে, আলভীর সঙ্গে সহকর্মী ইফফাত আরা তিথির সম্পর্কের জেরে মানসিকভাবে ভেঙে পড়েছিলেন ইকরা। এ ঘটনায় ইকরার বাবা কবির হায়াত খান রাজধানীর পল্লবী থানায় মামলা করেছেন।

 সম্প্রতি নাটকের শুটিংয়ের জন্য আলভী ও তিথি নেপালে যান। ২৭ ফেব্রুয়ারি ছিল তিথির জন্মদিন। 

বিনোদন অঙ্গনে গুঞ্জন ছড়ায়—তিথির জন্মদিন উদ্‌যাপনের উদ্দেশ্যেই নেপালে শুটিংয়ের আয়োজন করা হয়েছিল। তবে এ অভিযোগ অস্বীকার করেছেন আলভী। ২৮ ফেব্রুয়ারি ইকরা মারা যান। এর পর থেকেই আলভী ও তিথির সম্পর্ক নিয়ে আলোচনা আরও তীব্র হয়।

ব্যক্তিগত চ্যাটের স্ক্রিনশট প্রকাশ করে তিথি বলেন, ‘ভেবেছিলাম এইগুলা পাবলিকলি দিব না। প্রশাসনের প্রয়োজন হলে সেখানে দিব, সবার সম্মান রক্ষার্থে। কিন্তু আমাকে যেভাবে হ্যারাস করা হচ্ছে, আর চুপ থাকা গেল না। অলরেডি কিছু জায়গায় অডিও স্টেটমেন্ট দিয়েছিলাম আমি। আর যারা নিজেরা খুব সাধু সাজছেন, আপনারা কী, সেটার আমলনামাও আছে।’

 দীর্ঘ ফেসবুক পোস্টে তিথি দাবি করেন, আলভীর সঙ্গে তার সম্পর্ক নিয়ে যেসব অভিযোগ উঠেছে, সেগুলো ‘ভুল ব্যাখ্যা’ ও ‘অপপ্রচার’। ইকরার সঙ্গে তার সম্পর্ক বন্ধুত্বপূর্ণ ছিল বলে আগেই পরিষ্কার করেছেন। 

পোস্টে ‘ইকরার সঙ্গে ছিল স্বাভাবিক যোগাযোগ’ দাবি করে তিথি জানান, ইকরার সঙ্গে তার নিয়মিত ও স্বাভাবিক কথাবার্তা হতো। পারিবারিক অশান্তি, ব্যক্তিগত হতাশা ও ডিপ্রেশনের বিষয়েও ইকরা বিভিন্ন সময় তার সঙ্গে কথা বলেছেন। 

স্ক্রিনশটগুলো প্রকাশ করে তিথি বলেন, ‘ইকরার সংসার ভাঙার কোনো ইচ্ছা কখনোই ছিল না।’ বরং তিনি ইকরাকে কাজের মধ্যে সক্রিয় থাকতে এবং নিজের পায়ে দাঁড়াতে উৎসাহ দিয়েছেন।

ফেসবুক পোস্টে তিথি দাবি করেছেন, ‘আমি কখনো বলিনি তুমি ডিভোর্স দাও, আমি আলভীকে বিয়ে করব। বরং বলেছি, তুমি তার কুইন।’

ইকরাকে আত্মহত্যায় প্ররোচনার অভিযোগও সরাসরি অস্বীকার করেন তিথি। 

এ বিষয়ে তিথি বলেন, ‘কারো সংসার ভাঙার ইচ্ছা আমার ছিলো না। ও কয়েকবারই আমাকে বলেছে ও আমেরিকা চলে যাবে, আমার রিপ্লাই বরাবরই ছিলো, “এহ, বললেই হবে! চাইলেও যেতে পারবা না, তুমি তাকে ভালোবাসো। তুমি রানি, তুমি তার রানি।” তাহলে আত্মহত্যার জন্য উস্কানি আমি কেমন করে দিব? আর যাই বলেন, এইটা বলতে পারেন না যে ওকে নিজের জীবন নিয়ে নেওয়ার জন্য উস্কে দিয়েছি।’

 তিথির পোস্টে ইকরার পরিবারের প্রসঙ্গও উঠে আসে। তার দাবি, ইকরা নিজেই পরিবারের সঙ্গে দূরত্ব ও মানসিক কষ্টের কথা লিখেছিলেন। 

এ বিষয়ে তিথি লিখেন, ‘একটা মেয়ে যত যা–ই হোক নিজের বাবা–মাকে নিয়ে তো মিথ্যা বলবে না। আমি ওনাদের দোষ দিচ্ছি না। কিন্তু ইকরার মনে ওর পরিবার নিয়েও কষ্ট ছিলো। ওর ফিল হতো যে ওর পরিবার ওকে নিজের হালে ছেড়ে দিয়েছে। স্পষ্ট লিখেছে যে ২০১৮ সালে একবার ও আলাদা হয়ে গিয়েছিলো এবং ওর বাবাকে বলেছিলো যে ওকে বিদেশে পাঠিয়ে দিতে কিন্তু ওনারা সাপোর্ট করে নাই। সেই থেকে ওর মনে একটা ক্ষোভ তাদের নিয়ে, যা 

তিথি আরও লেখেন, যদি তার কিছু হয়ে যায়, তাহলে সংশ্লিষ্ট সংগঠনগুলো যেন বিষয়টি তদন্ত করে। দীর্ঘ পোস্টের শেষে ইকরার আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন তিথি। 

তিনি বলেন, ‘আল্লাহ ওকে ভালো রাখুক। শান্তিতে রাখুক। ওর এই চিরনিদ্রা শান্তির হোক। আর দূর থেকেই রিযিককে এত দোয়া করুক, যাতে রিযিকের জীবনটা সুন্দর হয়।’


 

খেলা

ছবি: সংগৃহীত।

লিওনেল মেসি, আপনাকে হোয়াইট হাউজে স্বাগতম: ট্রাম্প

ক্লাব ইতিহাসে প্রথমবার মেজর লিগ সকার (এমএলএস) জিতেছে ইন্টার মায়ামি। আর এই ক্লাবের হয়ে খেলেন বিশ্বের অন্যতম সেরা লিওনেল মেসি। গতকাল (বৃহস্পতিবার) তাকেসহ পুরো দলকে হোয়াইট হাউজে অভ্যর্থনা জানান যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। আটবারের ব্যালন ডি’অর জয়ী মার্কিন প্রধানের জন্য মুহূর্তটা স্মরণীয় করে তোলেন একটি উপহার দিয়ে।
 

ট্রাম্প ও মায়ামির যৌথ মালিক জর্জে মাসের সঙ্গে ইস্ট রুমে প্রবেশ করেন মেসি। তারপর নিজের সই করা একটি মায়ামি গোলাপি বল প্রেসিডেন্টকে উপহার দেন। এছাড়া একটি মায়ামি জার্সি ও ঘড়ি উপহার পান তিনি মাস ও প্রধান কোচ জাভিয়ের মাসচেরানোর কাছ থেকে।

২০২৩ সালের জুলাইয়ে মায়ামিতে যোগ দেওয়ার পর প্রথমবার হোয়াইট হাউজে গেলেন মেসি। আরেক ফুটবল তারকা ও তার দীর্ঘদিনের প্রতিদ্বন্দ্বী ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো গত নভেম্বরে সেখানে একটি নৈশভোজে যোগ দিয়েছিলেন।

মেসি ও মাসসহ পুরো মায়ামি স্কোয়াডকে পেছনে রেখে ট্রাম্প বলেন, ‘আমরা সত্যিকারের প্রতিভাবান মানুষদের সম্মানিত করছি। আমি বলতে খুব গর্ব হচ্ছে যে আগে কোনো আমেরিকান প্রেসিডেন্ট যেটা বলতে পারেনি, সেটাই বলতে পারছি আমি : ‘লিওনেল মেসি, আপনাকে হোয়াইট হাউজে স্বাগতম।’

তিনি বলে গেলেন, ‘আমার ছেলে বলেছিল, ‘বাবা, তুমি কি জানো আজ এখানে কে আসতে যাচ্ছে?’ আমি বললাম, ‘না, অনেক কিছুই তো হচ্ছে।’ সে বলল ‘মেসি’।”

ছেলের মেসি ভক্তের কথা উল্লেখ করে ট্রাম্প বললেন, ‘তিনি আপনার অনেক বড় একজন ভক্ত। তিনি মনে করেন আপনি একজন অসাধারণ মানুষ। এবং আমার ধারণা কিছুক্ষণ আগে আপনাদের দেখাও হয়েছে। তো তিনি ফুটবলের অনেক বড় ভক্ত, তবে তিনি আপনারও একনিষ্ঠ ভক্ত। আর রোনালদো নামের একজন ভদ্রলোকও (ভক্ত)। ক্রিস্টিয়ানো দারুণ। আপনিও দারুণ।’

গত ৬ ডিসেম্বর এমএলএস কাপ জিতেছিল মায়ামি। টানা দ্বিতীয় মৌসুম মোস্ট ভ্যালুয়েবল প্লেয়ার হন মেসি। তাকে নিয়ে ট্রাম্পের আরও কথা, ‘লিও আপনি এসেছেন এবং জিতেছেন। এমন কিছু করা সত্যিই খুব, খুব কঠিন। এটা অস্বাভাবিক। সত্যি বলতে, আপনার ওপর অনেক বেশি চাপ ছিল, যা আপনার চেয়ে বেশি কেউ জানে না। কারণ আপনার কাছে জয়ের প্রত্যাশা ছিল, কিন্তু প্রায় কেউই জিততে পারে না।’ 

মায়ামির তারকাদের মধ্যে লুইস সুয়ারেজ ও রদ্রিগো দে পলও ছিলেন। অভ্যর্থনার পর ট্রাম্প পুরো দলকে ওভাল অফিসে আমন্ত্রণ জানান। হোয়াইট হাউজে চ্যাম্পিয়নশিপ দলকে অভ্যর্থনার জানানোর দীর্ঘদিনের রীতি আছে। সেই ধারাবাহিকতায় মেসির পা পড়ল হোয়াইট হাউজে।