শিরোনাম

মানিকগঞ্জে রাইট টক বাংলাদেশের বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি বেঙ্গল কমার্শিয়াল ব্যাংকে নিয়োগ দীর্ঘ ২৬ বছর পর আবারও বাংলা সিনেমায় অনুপম খের চুক্তি হতে হবে সমতার ভিত্তিতে, সংসদকে পাশ কাটিয়ে কিছু নয়: সংসদে ডা. শফিকুর রহমান মার্কিন হামলার কড়া নিন্দা, সমঝোতা ভঙ্গের অভিযোগ ইরানের
ছবি: বিএমএফ টেলিভিশন।

লন্ডনে ওয়ার্ল্ড হিউম্যান রাইটস অর্গানাইজেশন ইউকের উদ্যোগে আন্তর্জাতিক প্রতিবাদ সমাবেশ

ওয়ার্ল্ড হিউম্যান রাইটস অর্গানাইজেশন ইউকের উদ্যোগে মঙ্গলবার বিকেল ৫টায় পূর্ব লন্ডনের ঐতিহাসিক আলতাব আলী পার্কে এক আন্তর্জাতিক প্রতিবাদ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। সম্প্রতি সংঘটিত রামিসা হত্যা, নারী ও শিশু নির্যাতন, ধর্ষণ, সাংবাদিক নির্যাতন এবং মানবাধিকার লঙ্ঘনের বিভিন্ন ঘটনার প্রতিবাদে এ সমাবেশের আয়োজন করা হয়।

সংগঠনের সভাপতি আশিকুল ইসলাম আশিকের সভাপতিত্বে এবং সাধারণ সম্পাদক লাভলু লস্কর , ড. আজিজুল আম্বিয়া ও জাকির হোসেন সেলিমের যৌথ সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত সমাবেশে যুক্তরাজ্যপ্রবাসী বাংলাদেশি কমিউনিটির বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার প্রতিনিধিরা অংশগ্রহণ করেন।

সমাবেশে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন বিবিসির সাবেক সাংবাদিক শামীম চৌধুরী। তিনি বলেন, একটি সভ্য ও গণতান্ত্রিক সমাজ প্রতিষ্ঠার জন্য মানবাধিকার, আইনের শাসন এবং মতপ্রকাশের স্বাধীনতা নিশ্চিত করা অত্যন্ত জরুরি। তিনি দেশে চলমান সহিংসতা, নারী নির্যাতন, সাংবাদিকদের ওপর হামলা এবং বিচারহীনতার সংস্কৃতি বন্ধে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের আহ্বান জানান।

বক্তারা বলেন, রামিসা হত্যাকাণ্ডসহ সাম্প্রতিক বিভিন্ন নৃশংস ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও দ্রুত বিচার নিশ্চিত করতে হবে। পাশাপাশি নারী ও শিশুদের নিরাপত্তা, মানবাধিকার সুরক্ষা এবং স্বাধীন সাংবাদিকতার পরিবেশ নিশ্চিত করার দাবি জানান তারা।

এ সময় বক্তব্য রাখেন মানবাধিকার কর্মী আব্দুল আহাদ চৌধুরী, আ.স.ম. মিসবা, মুজিবুল হক মনি, নাজমিন সুলতানা শিখা, মোহন মিয়া, আব্দুল কুদ্দুস, জহিরুল ইসলাম, হুমায়ুন কবীর, জামাল আহমদ, আংগুর আলী, জাকির হোসেন সেলিম, ফয়সল আহমদ,  আব্দুল হেলাল চৌধুরী সেলিম, মতব্বির হোসেন চুনু, হুমায়ুন কবির, আব্দুল জলিল চৌধুরী, আব্দুর রব, ছইল মিয়া, রিপোর্টার্স ইউনিটির সভাপতি অধ্যক্ষ সাহেদ রহমান, সাধারণ সম্পাদক আব্দুল বাছির, অ্যাডভোকেট বজলুর রশীদ, মুফতি আব্দুল ওদুদ, মুজিবুল হক মুজিব, ইমদাদুন খানম, জেসিকা চৌধুরী, রিপা আক্তার, শাহ লাভলী রহমান, জামিলা খানম, সাগর চৌধুরী মোহন, ময়না মিয়া, মকবুল হোসেন, নিজাম উদ্দিন, আব্দুস সাত্তার, নুরুল হক, মোহাম্মদ রুনু, সৈয়দ গোলাব মিয়া, আবুল হোসেন, একলিম মিয়া, নাজমুল হোসেন, জুবেল আহমদ বেলাল, শরীফ আলম, মো. গিয়াস উদ্দিন সোহাগ, সেলিম আহমেদ, রুমেল খান, মাসুম বিল্লাহ, আব্দুল হকসহ আরও অনেকে।

সমাবেশ শেষে বক্তারা বিশ্বব্যাপী মানবাধিকার রক্ষা, বৈষম্য ও নিপীড়নের বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ জনমত গড়ে তোলা এবং গণমানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠায় আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে আরও সক্রিয় ভূমিকা পালনের আহ্বান জানান। একই সঙ্গে তারা সকল ধরনের হত্যা, ধর্ষণ, নির্যাতন ও মানবাধিকার লঙ্ঘনের বিরুদ্ধে সোচ্চার থাকার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।

বিনোদন

ছবি: সংগৃহীত।

দীর্ঘ ২৬ বছর পর আবারও বাংলা সিনেমায় অনুপম খের

দীর্ঘ ২৬ বছর পর আবারও বাংলা চলচ্চিত্রে ফিরছেন বলিউডের বরেণ্য অভিনেতা অনুপম খের। এবার অভিনেতা হিসেবে নয়, প্রযোজকের ভূমিকায় নতুন বাংলা সিনেমা ‘শুরু থেকে শুরু’ নিয়ে হাজির হচ্ছেন তিনি।

১৯৯৯ সালে ঋতুপর্ণ ঘোষ পরিচালিত ‘বাড়িওয়ালি’ ছবির প্রযোজনার পর বাংলা চলচ্চিত্রে আর সক্রিয় ছিলেন না অনুপম। মাঝখানে ‘দ্য বেঙ্গল ফাইলস’ মুক্তিকে ঘিরে পশ্চিমবঙ্গ সরকারের সঙ্গে তৈরি হওয়া জটিলতায়ও হতাশ হয়েছিলেন তিনি। তবে রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর ফের বাংলায় কাজ শুরু করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন অভিনেতা-প্রযোজক।

অনুপম প্রযোজিত নতুন ছবি ‘শুরু থেকে শুরু’ পরিচালনা করবেন শমীক বন্দ্যোপাধ্যায়। ফিরদৌসুল হাসানের সঙ্গে যৌথভাবে ছবিটি প্রযোজনা করছেন তিনি। সিনেমাটির প্রধান তিনটি চরিত্রে অভিনয় করবেন টোটা রায়চৌধুরী, পাওলি দাম ও রাহুল বোস।

পশ্চিমবঙ্গে পৌঁছেই নতুন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর সঙ্গে বৈঠক করেন অনুপম। বৈঠক শেষে সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে তিনি জানান, নতুন সরকারের প্রতি তার পূর্ণ আস্থা রয়েছে।

একই সঙ্গে বাংলার চলচ্চিত্র শিল্পকে আরও সমৃদ্ধ করার ইচ্ছার কথাও তুলে ধরেন। অনুপম বলেন, ‘এই ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রির থেকেই আমাদের সবকিছু শেখা। বাংলা থেকে শুরু পথচলা। গান-বাজনা হোক অথবা সিনেমা, সাহিত্য অথবা পরিচালনা সবকিছুই এই বাংলার থেকেই শিখেছি আমি। তাই আমি চাই বাংলায় অ্যাক্টিং স্কুল বানাতে।

মুখ্যমন্ত্রী আমাকে শুভকামনা জানিয়েছেন। আগামী দিনে এই স্কুল তৈরির স্বপ্নকে পূরণ করার ইচ্ছা আছে।’ গল্পের দিক থেকেও ব্যতিক্রমী হতে যাচ্ছে ‘শুরু থেকে শুরু’। একদিকে বাবা-মেয়ের আবেগঘন সম্পর্ক, অন্যদিকে এক দম্পতির জীবনের কঠিন বাস্তবতা- দুটি সমান্তরাল গল্পকে কেন্দ্র করেই এগোবে সিনেমার কাহিনি। পাহাড়ের শান্ত ও নৈসর্গিক পরিবেশে নির্মিত হবে ছবিটির গুরুত্বপূর্ণ অংশ।

পরিচালক শমীক বন্দ্যোপাধ্যায়ের জন্যও এটি একটি বিশেষ কাজ। দীর্ঘদিন বিজ্ঞাপন নির্মাণে যুক্ত থাকলেও এটিই তার প্রথম পূর্ণদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র। সবকিছু ঠিক থাকলে আগামী ডিসেম্বর থেকে শুরু হবে শুটিং। এরপর আগামী বছর বড় পর্দায় মুক্তি পাওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে সিনেমাটির।

 

খেলা

ছবি: সংগৃহীত।

‘কোনো কিছুই অসম্ভব নয়’ – আর্জেন্টিনাকে পেয়ে বলল কেপ ভার্দে

বিশ্বকাপে অভিষেকেই ইতিহাস গড়ল কেপ ভার্দে। হিউস্টনে সৌদি আরবের সঙ্গে ০-০ ড্র করে গ্রুপ এইচ-এ দ্বিতীয় হয়ে রাউন্ড অব ৩২-এ উঠেছে তারা। এই অর্জনে তারা হয়েছে জনসংখ্যার বিচারে বিশ্বকাপের নকআউটে ওঠা সবচেয়ে ছোট দেশ এবং ২০১০ সালের পর প্রথমবার অভিষেকেই নকআউটে যাওয়া দল।

স্পেন ও উরুগুয়ের মতো শক্তিশালী দলের সঙ্গে একই গ্রুপে থেকেও তিনটি ড্র করে এই অসাধারণ কীর্তি গড়েছে কেপ ভার্দে।

সংবাদ সম্মেলনে দেশের পতাকা গায়ে জড়িয়ে কথা বললেন কোচ বুবিস্তা। রেকর্ডের কথা জানার পর তিনি বললেন, ‘আমরা? আমি জানতামই না। তাহলে আমরা একটা উদাহরণ হয়ে গেলাম যে যদি মনোযোগ, দৃঢ়তা এবং সংগঠিত থাকে তাহলে ছোট দেশগুলোও বড় লক্ষ্য রাখতে পারে। আমরা দেখিয়েছি কিছুই অসম্ভব নয়। আমরা শুধু আমাদের দেশকে নয়, আফ্রিকাকে এবং সারা বিশ্বের ছোট দেশগুলোকে প্রতিনিধিত্ব করেছি।’

তিনি আরও বলেন, ‘আমি সবসময় বলেছি, দেরিতে হলেও কেপ ভার্দে একদিন এই মঞ্চে আসবে। কঠিন ছিল, কিন্তু আমরা একের পর এক ধাপ পেরিয়েছি। বিশ্বকে দেখিয়েছি, কঠিনকে ভয় পেতে নেই। এখন আমরা নকআউটে, এটা আমাদের মানুষের জন্য, আমাদের দলের সঙ্গে পরিচয় রাখা সবার জন্য এবং বিশেষ করে খেলোয়াড়দের জন্য অসাধারণ একটা মুহূর্ত।’

এরপর শুক্রবার মিয়ামিতে আর্জেন্টিনার মুখোমুখি হবে কেপ ভার্দে। মেসির দল নিয়ে বুবিস্তা বললেন, ‘আর্জেন্টিনার বিপক্ষে খেলতে পেরে আমরা গর্বিত। এই দেশের সঙ্গে আমাদের দীর্ঘ সম্পর্ক আছে। কিন্তু সবচেয়ে বড় কথা, প্রতিপক্ষ যেই হোক আমরা আমাদের নিজেদের পরিচয়েই খেলব। আমরা জানি আর্জেন্টিনায় বিশ্বের সেরা কিছু খেলোয়াড় আছেন, আর আছেন মেসি, যাকে অনেকে সর্বকালের সেরা মনে করেন।’

ম্যাচের সময় ড্রেসিং রুম থেকে কেপ ভার্দের খেলোয়াড়দের উৎসব করার শব্দ ভেসে আসছিল। সংবাদ সম্মেলন কক্ষ থেকে মাত্র কয়েক গজ দূরে চলছিল সেই আনন্দ।