শিরোনাম

১৭ সদস্যের কাঠামোয় ফিরছে গ্রাম সরকার, খসড়া আইন প্রস্তুত ঢাকা–কক্সবাজার রুটে মহানগর এক্সপ্রেসের যাত্রা শুরু, উদ্বোধন করলেন রেলপথমন্ত্রী কোনাবাড়ীতে জুটের গোডাউনে আগুন, পুড়ল আটটি গোডাউন বিরাটের চেয়েও দামি পানি পান করেন দিশা, এক বোতলের দাম কত স্পেনে বিনিয়োগ বাড়ানোর আহ্বান পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর

বিনোদন

ছবি: সংগৃহীত।

বিরাটের চেয়েও দামি পানি পান করেন দিশা, এক বোতলের দাম কত

ছিপছিপে ফিগার ও ফিটনেসের জন্য বলিউডে পরিচিত দিশা পাটানি। তার ভক্ত-অনুরাগীরা প্রায়ই তার এই ফিটনেসের রহস্য জানতে চান। এমন মেদহীন ফিগারের জন্য বলিউড অভিনেত্রী কী খান ও কী পান করেন, তা জানতে সবাই উৎসুক। খাওয়া-দাওয়ার কথা বাদ দিলেও এখন চর্চায় রয়েছে দিশার পানি।

দিশা পাটানিকে প্রায়শই জিমে বা বিভিন্ন অনুষ্ঠানে একটি বিশেষ কাচের বোতল হাতে দেখা যায়। সংবাদমাধ্যমের রিপোর্ট অনুযায়ী, তিনি যে পানি পান করেন তা সাধারণ কলের বা ফিল্টারের পানি নয়; বরং বিশ্বের অন্যতম দামি ও এক্সক্লুসিভ পানি। দিশা সপ্তাহে প্রায় পাঁচবার ব্লিং এইচটুও স্পার্কলিং ওয়াটার পান করেন। এই পানির একটি ৭৫০ মিলি বোতলের দাম ৫ হাজার থেকে ২৮ হাজার টাকা পর্যন্ত হতে পারে। যদিও এটি মূলত সোশ্যাল মিডিয়ার দাবি।

যখনই দামি পানির কথা ওঠে, সবার আগে বিরাট কোহলির নাম সামনে আসে। ভারতীয় ক্রিকেট দলের তারকা বিরাট কোহলি তার ফিটনেস ও স্বাস্থ্যকর জীবনযাত্রার জন্য পরিচিত। বিভিন্ন প্রতিবেদনে প্রায়শই তাকে ফরাসি আল্পসের একটি প্রিমিয়াম মিনারেল ওয়াটার ব্র্যান্ড এভিয়ান ন্যাচারাল মিনারেল ওয়াটারের সঙ্গে যুক্ত করা হয়। বাজারে এর দাম বোতলের আকার, প্যাকেজিং ও অবস্থানের ওপর নির্ভর করে ভিন্ন হয়। কিছু প্রতিবেদনে প্রতি লিটার পানির দাম প্রায় ২৪৫ টাকা থেকে ৪,০০০ টাকা পর্যন্ত উল্লেখ করা হয়েছে। তবে বিরাট কোহলি ও দিশা পাটানির এই পানি পান নিয়ে বর্তমানে জোর চর্চা চলছে।

সম্প্রতি অভিনেত্রী তার সোশ্যাল মিডিয়া অ্যাকাউন্টে একটি রহস্যময় ভিডিও শেয়ার করেছেন, যেখানে তাকে বেশ কয়েকটি মনিটরের সামনে দেখা যাচ্ছে। ভিডিওটি দেখে মনে হচ্ছে কেউ তাকে নজরে রাখছে। দিশা পোস্টটিতে একটি বার্তাও লিখেছেন, যা দর্শকদের কৌতূহল বাড়িয়ে দিয়েছে।

খেলা

ছবি: সংগৃহীত।

এমবাপের জোড়া গোল, তিন বছর পর ন্যু ক্যাম্পে জিতল রিয়াল

ঠিক একবছর আগে একইদিনে সান্তিয়াগো বার্নাব্যুতে বার্সেলোনাকে হারিয়েছিল রিয়াল মাদ্রিদ। এল ক্ল্যাসিকোতে একই চিত্র আবারও, এবার কাতালান ক্লাবটির ঘরের মাঠে লস ব্লাঙ্কোসদের জয়। নাটকীয় ম্যাচে শেষ মুহূর্তে কাইলিয়ান এমবাপের গোল। তিন বছর পর ন্যু ক্যাম্পে জয় রিয়ালের, ২-১ গোলে জিতেছে হোসে মরিনহোর শিষ্যরা।

মৌসুমের শুরুতে টানা ১১ জয় নিয়ে যাত্রা করা বার্সা পরপর দুই ম্যাচ হেরে বসল। এটি লা লিগায় চলতি মৌসুমে ক্লাবটির প্রথম হারও, আগের হারটি চ্যাম্পিয়ন্স লিগে ছিল পিএসজির বিপক্ষে। ন্যু ক্যাম্পে মরিনহোর ইতিহাস ভালো ছিল না। ২০১০ সালে এ মাঠে তার প্রথম এল ক্ল্যাসিকোতে ৫-০ গোলে বিধ্বস্ত হয়ে ফিরেছিল মাদ্রিদ। রোববার রাতে ম্যাচের আগে তিনি জানিয়ে দিয়েছিলেন, এ মাঠে খেলা কোন বড় বিষয় নয়। এল ক্ল্যাসিকোতে দুদলের শেষ দুই দেখায় দুটি জয় ছিল বার্সার, জয়রথ থামাল রিয়াল।

ম্যাচের শুরু থেকে দাপটে খেলেছে স্বাগতিকরা। রিয়ালকে বেশ চাপে রেখেছিলেন লামিন ইয়ামাল-রাফিনহা। ম্যাচজুড়ে ৬২ শতাংশ বল দখলে রেখেছিল কাতালান ক্লাবটি। ১৮ মিনিটে এগিয়ে যাওয়ার সুযোগ পেয়েছিল রিয়াল, আরদা গুলেরের শট ঠেকিয়ে দেন বার্সা গোলরক্ষক হুয়ান গার্সিয়া। ২৪ এবং ৩৩ মিনিটে সুযোগ ছিল বার্সার, দুবারই রাফিনহার শট পোস্ট ঘেঁষে চলে যায় মাঠে বাইরে।

প্রথম সাফল্য আসে রিয়ালের। ৪১ মিনিটে ইয়ান দিওমান্ডের ক্রস ঠেকিয়ে দেন বার্সার জেরার্ড মার্টিন। সেখানে থেকে বল পান এমবাপে, লিড এনে দেন সফরকারীদের। বিরতির এক মিনিট আগে আবারও সুযোগ হাতছাড়া করেন ইয়মাল, তার শট অল্পের জন্য জালের দেখা পায়নি। ৬১ মিনিটে পেদ্রির পাসে অবশেষে জালের দেখা পান রাফিনহা। ১-১এ সমতায় ফেরে বার্সেলোনা।

সমতা ধরে রাখতে পারেনি টেবিল টপাররা। ম্যাচের শেষদিকে বেশকিছু সুযোগ পেলেও জালের দেখা পায়নি স্বাগতিক দল। বারবার তাদের শট আটকা পড়ে রিয়াল গোলরক্ষক আন্দ্রে লুনিনের গ্লাভসে। ম্যাচজুড়ে দুর্দান্ত ৫টি সেভ করেন তিনি। ৮৭ মিনিটে বার্সা রক্ষণকে পরাস্ত করে ডি-বক্সে ঢোকেন এদুয়ার্দো কামাভিঙ্গা। তার অ্যাসিস্টে নিজের জোড়া এবং রিয়ালের জয়সূচক গোলটি করেন এমবাপে।

লা লিগায় মৌসুমে প্রথম হার বার্সেলোনার, ১০ ম্যাচে ৯ জয়ে ২৭ পয়েন্ট নিয়ে টেবিলে শীর্ষে তারা। ১০ ম্যাচে ৮ জয় ২ হারে ২৪ পয়েন্ট নিয়ে তিনে চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী রিয়াল। অ্যাটলেটিকো মাদ্রিদ ১০ ম্যাচে ৮ জয়, ১টি করে হার ও ড্রয়ে ২৫ পয়েন্টে দুইয়ে। ২০ পয়েন্ট নিয়ে চারে রিয়াল বেটিস এবং ১৯ পয়েন্ট নিয়ে পাঁচে আছে রিয়াল সোসিয়েদাদ।