শিরোনাম

নাসির-তামিমার রায়ের বিরুদ্ধে উচ্চ আদালতে আপিল করবে বাদীপক্ষ বিশ্ব শান্তি প্রতিষ্ঠায় বাংলাদেশ এখন স্বীকৃত ও গ্রহণযোগ্য নাম: সেনাপ্রধান প্রাথমিক ও মাধ্যমিক স্তরে যুক্ত হতে যাওয়া নতুন ৪ বিষয়ের মধ্যে যা যা থাকছে নিরাপদ থাকতে চাইলে আমাদের অঞ্চল ছেড়ে যাও, যুক্তরাষ্ট্রকে হুঁশিয়ারি ইরানের নাসির-তামিমার রায় আজ, অভিযোগ প্রমাণিত হলে হতে পারে যে সাজা
ছবি: সংগৃহীত।

শিক্ষা, সমাজসেবা ও সাংগঠনিক নেতৃত্বে অনন্য পথচলা: মনোয়ারুল ইসলাম তিতাস

দীর্ঘ ছাত্ররাজনীতি, সাংগঠনিক দক্ষতা, শিক্ষাক্ষেত্রে সম্পৃক্ততা, ব্যবসায়িক নেতৃত্ব এবং সামাজিক কর্মকাণ্ডের সমন্বয়ে রাজধানীর উত্তরাঞ্চলের পরিচিত মুখ মো. মনোয়ারুল ইসলাম (তিতাস) নিজেকে একজন বহুমাত্রিক জনসম্পৃক্ত ব্যক্তিত্ব হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছেন।

রংপুর জেলার পীরগাছা উপজেলার কৃতি সন্তান মনোয়ারুল ইসলামের পিতা মরহুম মোঃ আব্দুর রব সরকার এবং মাতা মিসেস মনোয়ারা সরকার। ছাত্রজীবন থেকেই তিনি নেতৃত্ব, সামাজিক দায়বদ্ধতা এবং জনকল্যাণমূলক কর্মকাণ্ডের সঙ্গে সক্রিয়ভাবে সম্পৃক্ত ছিলেন।

শিক্ষাজীবনে তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের গ্রন্থাগার ও তথ্যবিজ্ঞান বিভাগ থেকে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। পরবর্তীতে আমেরিকান ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি-বাংলাদেশ (AIUB) থেকে এমবিএ (ফাইন্যান্স) এবং জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এলএলবি ডিগ্রি লাভ করেন। শিক্ষা, আইন ও ব্যবস্থাপনা বিষয়ে তার এই বহুমাত্রিক একাডেমিক প্রস্তুতি কর্মজীবন ও সামাজিক কর্মকাণ্ডে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে।

ছাত্রজীবনে তিনি বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সদস্য হিসেবে রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ত হন। পরবর্তীতে কেন্দ্রীয় ছাত্রদলের সহ-পাঠাগার সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। রাজনৈতিক অঙ্গনে তার সাংগঠনিক দক্ষতা ও নেতৃত্বগুণের স্বীকৃতিস্বরূপ তিনি বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী যুবদল ঢাকা মহানগর উত্তর কমিটির সহ-যোগাযোগ সম্পাদক, কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য এবং পরবর্তীতে কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সহ-সাধারণ সম্পাদক হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করেন।

সংগঠনকে তৃণমূল পর্যায়ে শক্তিশালী করার লক্ষ্যে যুবদলের কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির উদ্যোগে গঠিত চট্টগ্রাম বিভাগীয় পুনর্গঠন ও সাংগঠনিক কার্যক্রম পরিচালনা কমিটির সদস্য হিসেবেও তিনি দায়িত্ব পালন করেন। এছাড়া একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঢাকা-১৮ আসনের নির্বাচন পরিচালনা কমিটির সদস্য এবং ঢাকা-১৭ আসনের প্রচার উপ-কমিটির সদস্য হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন।

মনোয়ারুল ইসলাম তিতাসের নেতৃত্বের সূচনা ঘটে শিক্ষাঙ্গন থেকেই। তিনি ১৯৯২-১৯৯৪ মেয়াদে ঐতিহ্যবাহী হাবিবুল্লাহ বাহার কলেজ ছাত্র সংসদের নির্বাচিত সাধারণ সম্পাদক (জিএস) হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। ছাত্রনেতা হিসেবে শিক্ষার্থীদের অধিকার, শিক্ষার পরিবেশ উন্নয়ন এবং বিভিন্ন সাংস্কৃতিক ও সামাজিক কর্মকাণ্ডে তার সক্রিয় ভূমিকা সে সময়ে ব্যাপক প্রশংসিত হয়।

শিক্ষাক্ষেত্রে তার দীর্ঘ সম্পৃক্ততা ও অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ ২০২৫ সালে ঢাকা শিক্ষা বোর্ড কর্তৃক তাকে হাবিবুল্লাহ বাহার বিশ্ববিদ্যালয় কলেজের গভর্নিং কমিটির বিদ্যোৎসাহী সদস্য হিসেবে নিয়োগ প্রদান করা হয়। কলেজটির সাবেক শিক্ষার্থী ও সাবেক ছাত্রনেতা হিসেবে প্রতিষ্ঠানের উন্নয়ন, শিক্ষার মানোন্নয়ন এবং আধুনিক শিক্ষাবান্ধব পরিবেশ গঠনে তিনি কাজ করে যাওয়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।

তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্টার্ড গ্র্যাজুয়েট প্রতিনিধি সদস্য, ঢাকা ইউনিভার্সিটি অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশনের আজীবন সদস্য এবং AIUB অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশনের আজীবন সদস্য হিসেবে শিক্ষাক্ষেত্রের সঙ্গে ধারাবাহিকভাবে যুক্ত রয়েছেন।

পেশাগত জীবনে মনোয়ারুল ইসলাম একজন সফল উদ্যোক্তা ও কর্পোরেট ব্যক্তিত্ব। তিনি বিভিন্ন ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানে শীর্ষ পর্যায়ের দায়িত্ব পালন করেছেন। কর্পোরেট ব্যবস্থাপনা, ব্যবসা উন্নয়ন, বিপণন এবং প্রশাসনিক কর্মকাণ্ডে তার দীর্ঘ অভিজ্ঞতা রয়েছে। তিনি একটি প্রতিষ্ঠানের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (CEO) হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন এবং এর আগে ফুলাও ফুডস লিমিটেডে উপ-মহাব্যবস্থাপক (ডেপুটি জেনারেল ম্যানেজার) হিসেবেও সফলতার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করেছেন।

সামাজিক কর্মকাণ্ডেও তিনি সমানভাবে সক্রিয়। তিনি উত্তরা জামে মসজিদ ফাউন্ডেশনের নির্বাচিত নির্বাহী পরিষদের সদস্য, উত্তরা কেয়ার ওয়েলফেয়ার ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাতা সদস্য, উত্তরা মডেল ক্লাব লিমিটেডের আজীবন সদস্য এবং উত্তরা রাজউক বাণিজ্যিক কমপ্লেক্স দোকান মালিক কল্যাণ সমবায় সমিতি লিমিটেডের যুগ্ম সম্পাদক ও প্রধান উপদেষ্টা হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।

স্থানীয় উন্নয়ন ও নাগরিক কল্যাণমূলক কর্মকাণ্ডে তার সম্পৃক্ততার ধারাবাহিকতায় সম্প্রতি তিনি উত্তরা ৫ নং সেক্টর কল্যাণ সমিতির নির্বাহী পরিষদের সদস্য হিসেবে মনোনীত হন। দীর্ঘদিনের স্থায়ী বাসিন্দা ও সমাজসেবামূলক কর্মকাণ্ডের সঙ্গে সম্পৃক্ত একজন ব্যক্তি হিসেবে এই মনোনয়নকে এলাকাবাসী ইতিবাচকভাবে গ্রহণ করেছেন।

শিক্ষা, সমাজসেবা, সাংগঠনিক নেতৃত্ব, রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা এবং নাগরিক উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ডের সমন্বয়ে মনোয়ারুল ইসলাম তিতাস বর্তমানে উত্তরার সামাজিক ও সাংগঠনিক পরিমণ্ডলে একটি সুপরিচিত নাম। সংশ্লিষ্ট মহলের মতে, শিক্ষা ও মানবসম্পদ উন্নয়ন, সামাজিক সম্প্রীতি এবং নাগরিক কল্যাণে তার দীর্ঘ অভিজ্ঞতা ভবিষ্যতেও বৃহত্তর পরিসরে ইতিবাচক অবদান রাখতে সক্ষম হবে।

বিনোদন

ছবি: সংগৃহীত।

মানহানি মামলার মাঝেই সতর্কবার্তা দিলেন মিমি

বনগাঁর একটি সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানকে কেন্দ্র করে শুরু হওয়া বিতর্কে নতুন মোড় এসেছে। টালিউড অভিনেত্রী ও সাবেক সংসদ সদস্য মিমি চক্রবর্তী এবং তনয় শাস্ত্রীর মধ্যকার আইনি লড়াইয়ের মধ্যেই এবার সতর্কবার্তা দিলেন মিমি।

জানা গেছে, চলতি বছরের জানুয়ারিতে বনগাঁর একটি অনুষ্ঠানে ঘটে যাওয়া একটি ঘটনার জেরে মিমি চক্রবর্তীর অভিযোগের ভিত্তিতে গ্রেফতার হন তনয় শাস্ত্রী। পরে আদালতের নির্দেশে কিছুদিন জেল হেফাজতেও থাকতে হয় তাকে। পরবর্তীতে জামিনে মুক্তি পেয়ে অভিনেত্রীর বিরুদ্ধে মানহানির মামলা দায়ের করেন তনয়।

তনয়ের দাবি, মামলার শুনানির জন্য আদালত একাধিকবার দিন ধার্য করলেও মিমি ব্যক্তিগতভাবে হাজির হননি। এ অবস্থায় তনয়ের আইনজীবী ও বিজেপি বিধায়ক তরুণজ্যোতি তিওয়ারি আদালতের কাছে অভিনেত্রীর বিরুদ্ধে চার্জ গঠনের আবেদন জানিয়েছেন।

নতুন এই আইনি পদক্ষেপ ঘিরে টলিপাড়ায় শুরু হয়েছে ব্যাপক আলোচনা। যদিও পুরো বিষয়টি নিয়ে সরাসরি কোনো মন্তব্য করেননি মিমি। তবে সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক পোস্টে পরোক্ষভাবে নিজের অবস্থান তুলে ধরেছেন তিনি।

মিমির অভিযোগ, তাকে ঘিরে বিভিন্ন সংবাদমাধ্যম ও সামাজিক মাধ্যমে এমন কিছু তথ্য ছড়ানো হচ্ছে, যার অনেকগুলোরই যথাযথ যাচাই-বাছাই করা হচ্ছে না। ভুল বা বিভ্রান্তিকর তথ্য প্রচার করা হলে তিনি আইনি ব্যবস্থা নিতে বাধ্য হবেন বলেও স্পষ্ট বার্তা দিয়েছেন।

পোস্টে অভিনেত্রী সবাইকে দায়িত্বশীল আচরণের আহ্বান জানিয়ে বলেন, তার সম্পর্কে কোনো তথ্য প্রকাশের আগে অবশ্যই তা সঠিকভাবে যাচাই করা উচিত।

মিমির এই বার্তার পর নতুন করে আলোচনায় এসেছে তনয় শাস্ত্রীর সঙ্গে তার চলমান আইনি বিরোধ। একদিকে মানহানি মামলা, অন্যদিকে বিভ্রান্তিকর তথ্য প্রচারের অভিযোগ-সব মিলিয়ে ঘটনাটি এখন টলিউড অঙ্গনের অন্যতম আলোচিত বিষয়।

এদিকে মামলার পরবর্তী শুনানি ও আদালতের সিদ্ধান্তের দিকেই নজর রয়েছে সংশ্লিষ্টদের। আইনি এই লড়াই শেষ পর্যন্ত কোন দিকে মোড় নেয়, সেটাই এখন দেখার বিষয়।


 

খেলা

ছবি: সংগৃহীত।

বিশ্বকাপ টিকেটের বরাদ্দ বাতিলের অভিযোগ ইরানের

দুই দিন পর পর্দা উঠতে যাচ্ছে ফুটবল বিশ্বকাপের। এ সময়ে টিকেট নিয়ে অভিযোগ তুলেছে ইরান। দেশটির ফুটবল ফেডারেশনের (এফএফআইআরআই) দাবি, তাদের জন্য বরাদ্দ থাকা টিকেট বাতিল করা হয়েছে।  

এতে ইরানের সমর্থকদের একটি অংশ ধাক্কা খাবে। ইতোমধ্যে দেশের খেলা দেখার জন্য ভ্রমণের সমস্ত পরিকল্পনা সম্পন্ন যারা করেছিলেন, তারা এখন ম্যাচগুলো দেখা থেকে বঞ্চিত হবেন।    

এ সিদ্ধান্তকে টুর্নামেন্টে ‘ইরানি সমর্থকদের উপস্থিতি পণ্ড করার একটি চক্রান্ত’ বলছে এফএফআইআরআই। 

তারা মঙ্গলবার বিবৃতিতে বলেছে, অথচ বাস্তব চিত্র হলো, ইরানের ফুটবল সমর্থকরা আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষিত প্রক্রিয়ার ওপর ভরসা করে ম্যাচগুলোতে উপস্থিত থাকার জন্য ইতোমধ্যে প্রয়োজনীয় সমস্ত প্রস্তুতি ও পরিকল্পনা নিয়ে রেখেছিলেন।

ফিফার নিয়ম অনুযায়ী, বিশ্বকাপে অংশগ্রহণ করা প্রতিটি দেশ তাদের প্রত্যেক ম্যাচের মোট টিকেটের ৮ শতাংশ করে বরাদ্দ পায়। যা ফেডারেশনের মাধ্যমে সমর্থকদের মাঝে আনুষ্ঠানিকভাবে বিতরণ করা হয়। ইরানও এ নিয়ম অনুযায়ী টিকেট পাওয়ার কথা ছিল। 

একটি অপ্রত্যাশিত পদক্ষেপে, ইরান ফুটবল ফেডারেশনের টিকেট বরাদ্দ বাতিল করা হয়েছে। আর বর্তমান পরিস্থিতিতে জাতীয় দলের সমর্থকদের একটি টিকেটও সরবরাহ করতে পারছে না ফেডারেশন।

এফএফআইআরআই আরও বলেছে, এ পদক্ষেপ আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতার মূল চেতনা এবং অংশগ্রহণকারী দেশগুলোর মধ্যে সমতার নীতির সম্পূর্ণ পরিপন্থি। 

এবারের বিশ্বকাপে ইরানের অংশগ্রহণ নিয়ে জল ঘোলা কম হয়নি। অনেক টানাপোড়েনের পর নিজেদের প্রথম ম্যাচের ১০ দিন আগে যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা পায় ইরানের ফুটবলাররা। তবে গণমাধ্যমের খবর, দেশটির কয়েকজন ফুটবল কর্মকর্তা এখনও ভিসা পাননি।    

ইরানের গ্রুপ পর্বের তিনটি ম্যাচই পড়েছে যুক্তরাষ্ট্রে। কিন্তু গত ফেব্রুয়ারিতে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে যুদ্ধ শুরুর পর, দেশটিতে গিয়ে খেলতে আপত্তি জানায় ইরান এবং তাতে বিশ্বকাপে তাদের অংশগ্রহণ নিয়েও অনিশ্চয়তা তৈরি হয়।  

১৯৩০ সালে বিশ্বকাপের যাত্রা শুরুর পর এ প্রথম এমন একটি আসর হতে হচ্ছে, যেখানে আয়োজক দেশ এমন এক দেশকে আতিথেয়তা দিতে যাচ্ছে, যাদের সঙ্গে তাদের যুদ্ধ চলছে! 

যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা পাওয়া নিয়ে অনিশ্চয়তা থাকায় বিশ্বকাপের জন্য জাতীয় দলের বেইস ক্যাম্প অ্যারিজোনা থেকে মেক্সিকোর টিহুয়ানায় সরিয়ে নেয় ইরানের ফুটবল ফেডারেশন। গত রোববার সেখানে পৌঁছেছে তারা।   

আগামী বৃহস্পতিবার থেকে শুরু হবে ‘দা গ্রেটেস্ট শো অন আর্থ।’ ফুটবলের সবচেয়ে বড় প্রতিযোগিতায় ‘জি’ গ্রুপে পড়েছে ইরান। লস অ্যাঞ্জেলেসে আগামী সোমবার নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে ম্যাচ দিয়ে বিশ্বকাপ অভিযান শুরু করবে তারা। একই মাঠে ২১ জুন তাদের প্রতিপক্ষ বেলজিয়াম। আর ২৬ জুন সিয়াটলে মিশরের মুখোমুখি হবে তারা।