শিরোনাম

সাতক্ষীরা-কলারোয়া সীমান্তে বিজিবির বিশেষ অভিযান, প্রায় সাড়ে ১৯ লাখ টাকার চোরাচালানী মালামাল জব্দ বিএনপি মিডিয়া সেলের নামে ভুয়া কমিটি, সতর্ক থাকার আহ্বান ইসরাইলের দুই বিমানঘাঁটিতে হামলা আইআরজিসির মস্কোতে আজ ল্যাভরভের সঙ্গে বৈঠকে বসছেন খলিলুর রহমান বিশ্বকাপ খেলতে গিয়ে ‘রাজনীতির শিকার’ হচ্ছে ইরান
ছবি: সংগৃহীত।

শিক্ষা, সমাজসেবা ও সাংগঠনিক নেতৃত্বে অনন্য পথচলা: মনোয়ারুল ইসলাম তিতাস

দীর্ঘ ছাত্ররাজনীতি, সাংগঠনিক দক্ষতা, শিক্ষাক্ষেত্রে সম্পৃক্ততা, ব্যবসায়িক নেতৃত্ব এবং সামাজিক কর্মকাণ্ডের সমন্বয়ে রাজধানীর উত্তরাঞ্চলের পরিচিত মুখ মো. মনোয়ারুল ইসলাম (তিতাস) নিজেকে একজন বহুমাত্রিক জনসম্পৃক্ত ব্যক্তিত্ব হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছেন।

রংপুর জেলার পীরগাছা উপজেলার কৃতি সন্তান মনোয়ারুল ইসলামের পিতা মরহুম মোঃ আব্দুর রব সরকার এবং মাতা মিসেস মনোয়ারা সরকার। ছাত্রজীবন থেকেই তিনি নেতৃত্ব, সামাজিক দায়বদ্ধতা এবং জনকল্যাণমূলক কর্মকাণ্ডের সঙ্গে সক্রিয়ভাবে সম্পৃক্ত ছিলেন।

শিক্ষাজীবনে তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের গ্রন্থাগার ও তথ্যবিজ্ঞান বিভাগ থেকে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। পরবর্তীতে আমেরিকান ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি-বাংলাদেশ (AIUB) থেকে এমবিএ (ফাইন্যান্স) এবং জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এলএলবি ডিগ্রি লাভ করেন। শিক্ষা, আইন ও ব্যবস্থাপনা বিষয়ে তার এই বহুমাত্রিক একাডেমিক প্রস্তুতি কর্মজীবন ও সামাজিক কর্মকাণ্ডে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে।

ছাত্রজীবনে তিনি বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সদস্য হিসেবে রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ত হন। পরবর্তীতে কেন্দ্রীয় ছাত্রদলের সহ-পাঠাগার সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। রাজনৈতিক অঙ্গনে তার সাংগঠনিক দক্ষতা ও নেতৃত্বগুণের স্বীকৃতিস্বরূপ তিনি বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী যুবদল ঢাকা মহানগর উত্তর কমিটির সহ-যোগাযোগ সম্পাদক, কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য এবং পরবর্তীতে কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সহ-সাধারণ সম্পাদক হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করেন।

সংগঠনকে তৃণমূল পর্যায়ে শক্তিশালী করার লক্ষ্যে যুবদলের কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির উদ্যোগে গঠিত চট্টগ্রাম বিভাগীয় পুনর্গঠন ও সাংগঠনিক কার্যক্রম পরিচালনা কমিটির সদস্য হিসেবেও তিনি দায়িত্ব পালন করেন। এছাড়া একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঢাকা-১৮ আসনের নির্বাচন পরিচালনা কমিটির সদস্য এবং ঢাকা-১৭ আসনের প্রচার উপ-কমিটির সদস্য হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন।

মনোয়ারুল ইসলাম তিতাসের নেতৃত্বের সূচনা ঘটে শিক্ষাঙ্গন থেকেই। তিনি ১৯৯২-১৯৯৪ মেয়াদে ঐতিহ্যবাহী হাবিবুল্লাহ বাহার কলেজ ছাত্র সংসদের নির্বাচিত সাধারণ সম্পাদক (জিএস) হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। ছাত্রনেতা হিসেবে শিক্ষার্থীদের অধিকার, শিক্ষার পরিবেশ উন্নয়ন এবং বিভিন্ন সাংস্কৃতিক ও সামাজিক কর্মকাণ্ডে তার সক্রিয় ভূমিকা সে সময়ে ব্যাপক প্রশংসিত হয়।

শিক্ষাক্ষেত্রে তার দীর্ঘ সম্পৃক্ততা ও অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ ২০২৫ সালে ঢাকা শিক্ষা বোর্ড কর্তৃক তাকে হাবিবুল্লাহ বাহার বিশ্ববিদ্যালয় কলেজের গভর্নিং কমিটির বিদ্যোৎসাহী সদস্য হিসেবে নিয়োগ প্রদান করা হয়। কলেজটির সাবেক শিক্ষার্থী ও সাবেক ছাত্রনেতা হিসেবে প্রতিষ্ঠানের উন্নয়ন, শিক্ষার মানোন্নয়ন এবং আধুনিক শিক্ষাবান্ধব পরিবেশ গঠনে তিনি কাজ করে যাওয়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।

তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্টার্ড গ্র্যাজুয়েট প্রতিনিধি সদস্য, ঢাকা ইউনিভার্সিটি অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশনের আজীবন সদস্য এবং AIUB অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশনের আজীবন সদস্য হিসেবে শিক্ষাক্ষেত্রের সঙ্গে ধারাবাহিকভাবে যুক্ত রয়েছেন।

পেশাগত জীবনে মনোয়ারুল ইসলাম একজন সফল উদ্যোক্তা ও কর্পোরেট ব্যক্তিত্ব। তিনি বিভিন্ন ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানে শীর্ষ পর্যায়ের দায়িত্ব পালন করেছেন। কর্পোরেট ব্যবস্থাপনা, ব্যবসা উন্নয়ন, বিপণন এবং প্রশাসনিক কর্মকাণ্ডে তার দীর্ঘ অভিজ্ঞতা রয়েছে। তিনি একটি প্রতিষ্ঠানের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (CEO) হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন এবং এর আগে ফুলাও ফুডস লিমিটেডে উপ-মহাব্যবস্থাপক (ডেপুটি জেনারেল ম্যানেজার) হিসেবেও সফলতার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করেছেন।

সামাজিক কর্মকাণ্ডেও তিনি সমানভাবে সক্রিয়। তিনি উত্তরা জামে মসজিদ ফাউন্ডেশনের নির্বাচিত নির্বাহী পরিষদের সদস্য, উত্তরা কেয়ার ওয়েলফেয়ার ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাতা সদস্য, উত্তরা মডেল ক্লাব লিমিটেডের আজীবন সদস্য এবং উত্তরা রাজউক বাণিজ্যিক কমপ্লেক্স দোকান মালিক কল্যাণ সমবায় সমিতি লিমিটেডের যুগ্ম সম্পাদক ও প্রধান উপদেষ্টা হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।

স্থানীয় উন্নয়ন ও নাগরিক কল্যাণমূলক কর্মকাণ্ডে তার সম্পৃক্ততার ধারাবাহিকতায় সম্প্রতি তিনি উত্তরা ৫ নং সেক্টর কল্যাণ সমিতির নির্বাহী পরিষদের সদস্য হিসেবে মনোনীত হন। দীর্ঘদিনের স্থায়ী বাসিন্দা ও সমাজসেবামূলক কর্মকাণ্ডের সঙ্গে সম্পৃক্ত একজন ব্যক্তি হিসেবে এই মনোনয়নকে এলাকাবাসী ইতিবাচকভাবে গ্রহণ করেছেন।

শিক্ষা, সমাজসেবা, সাংগঠনিক নেতৃত্ব, রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা এবং নাগরিক উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ডের সমন্বয়ে মনোয়ারুল ইসলাম তিতাস বর্তমানে উত্তরার সামাজিক ও সাংগঠনিক পরিমণ্ডলে একটি সুপরিচিত নাম। সংশ্লিষ্ট মহলের মতে, শিক্ষা ও মানবসম্পদ উন্নয়ন, সামাজিক সম্প্রীতি এবং নাগরিক কল্যাণে তার দীর্ঘ অভিজ্ঞতা ভবিষ্যতেও বৃহত্তর পরিসরে ইতিবাচক অবদান রাখতে সক্ষম হবে।

বিনোদন

ছবি: সংগৃহীত।

কৃতি ও রাশমিকার মধ্যে বিতর্কিত সম্পর্ক, যা বললেন অভিনেত্রী

ইতোমধ্যে সামাজিক মাধ্যমে নেটিজেনদের মাঝে ‘ককটেল ২’ সিনেমার ট্রেলার ব্যাপক সাড়া ফেলেছে। যে সিনেমায় উঠে আসছে ত্রিকোণ প্রেমের প্রেক্ষাপট। তবে এবারের গল্পে সমকামী প্রেমেরও ছাপ পড়েছে। ট্রেলারের ঝলক দেখে নানা প্রশ্নও উঠছে। প্রতিটা চরিত্র তাদের নিজস্বতা দিয়ে নানা মুহূর্ত শেয়ার করেছেন। অভিনেত্রী কৃতি শ্যাননকে মজার ছলে বলতে শোনা গেছে ‘থ্রিসাম’-এর মতো, যা ঘিরে শুরু হয়েছে নেটিজেনদের মাঝে বিস্তর চর্চা।

অভিনেতা শহীদ কাপুর ও কৃতি শ্যাননের পাশাপাশি গল্পে রয়েছেন অভিনেত্রী রাশমিকাও। এ সিনেমায় শহীদের সঙ্গে প্রেমের সম্পর্ক রয়েছে বলেও মনে করা হয়। তিনজনের মধ্যে ধীরে ধীরে বাড়তে থাকে ঘনিষ্ঠতা। সেখানেই বেশ কিছু আবেগঘন দৃশ্য দেখানো হয়েছে।

শুধু বিভিন্ন দৃশ্যের জন্য নয়; এ সিনেমায় তারকাদের পারিশ্রমিক নিয়েও হয়েছে বিস্তর চর্চা। বিশেষ করে শহীদ কাপুরের পারিশ্রমিক নিয়েও তুঙ্গে চর্চা। প্রায় ৩৫ কোটি টাকা নিয়েছেন তিনি। এক তরুণীর চরিত্রে দেখা গেছে কৃতিকে। 'ককটেল ২'  সিনেমার জন্য ১৫ কোটি টাকা করেই পারিশ্রমিক পেয়েছেন কৃতি ও রাশমিকা মান্দানা। 

তবে যে বিষয় নিয়ে সবচেয়ে বেশি চর্চা হয়েছে, তা হলো— সমকামী যুগল হিসেবে দেখা যাবে কৃতি ও রাশমিকাকে। যদিও এ বিষয়টিকে ‘সমকামী’ বলতে নারাজ কৃতি শ্যানন। দুজন ছেলের মধ্যে ভালো বন্ধুত্ব হলে যদি এমনটি মনে করা না হয়, তাহলে দুজন মেয়ের ক্ষেত্রে কেন? তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন অভিনেত্রী কৃতি।


 

খেলা

ছবি: সংগৃহীত।

বিশ্বকাপ খেলতে গিয়ে ‘রাজনীতির শিকার’ হচ্ছে ইরান

ভিসা জটিলতা ও রাজনৈতিক বিতর্কের মধ্যেই ২০২৬ বিশ্বকাপ খেলতে মেক্সিকোয় পৌঁছেছে ইরান ফুটবল দল। তবে দলটির অন্তত ১৫ জন কর্মকর্তা এখনও পাননি যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা। যার ফলে অভিযোগ উঠছে, ফুটবলের বিশ্বমঞ্চে ‘রাজনীতির শিকার’ হচ্ছে ইরান।

স্থানীয় বাসিন্দা সাদেঘ গালাভি ভোরে বিমানবন্দরে হাজির হয়ে দলকে স্বাগত জানান। ইরানের জার্সি পরিহিত এই সমর্থক বলেন, ‘আমার জাতীয় দল আমার শহরে এসেছে। তাদের স্বাগত জানাতে পারা আমার জন্য গর্বের।’

তবে বিশ্বকাপ যাত্রার শুরুতেই নানা চ্যালেঞ্জের মুখে পড়েছে ইরান। খেলোয়াড়রা যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশের জন্য প্রয়োজনীয় ভিসা পেলেও প্রতিনিধিদলের সব সদস্য সেই অনুমতি পাননি। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইরান ফুটবল ফেডারেশনের সভাপতি মেহদি তাজসহ প্রায় ১৫ জন কর্মকর্তা ও সহায়ক কর্মীর ভিসা আবেদন প্রত্যাখ্যান করা হয়েছে।

এই সিদ্ধান্তে ক্ষোভ প্রকাশ করে গালাভি বলেন, ‘খেলাধুলা শান্তির প্রতীক হওয়া উচিত। যখন রাজনীতি ও খেলাধুলা একসঙ্গে মিশে যায়, তখন সেটি ভালো ফল বয়ে আনে না।’

বিশ্বকাপের যৌথ আয়োজক যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা ও মেক্সিকোর মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ইরানের রাজনৈতিক উত্তেজনা দীর্ঘদিনের। ফেব্রুয়ারির শেষ দিকে ইরানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলার পর দেশটির বিশ্বকাপে অংশগ্রহণ নিয়েও অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছিল।

শেষ পর্যন্ত ফিফার অবস্থানের কারণে ইরানের অংশগ্রহণ নিশ্চিত হয়। তবে নিরাপত্তা ও রাজনৈতিক পরিস্থিতি বিবেচনায় ইরান তাদের পূর্বনির্ধারিত প্রস্তুতি শিবির টাকসন থেকে সরিয়ে তিহুয়ানায় স্থানান্তর করে।

বিশ্বকাপে ইরানের গ্রুপ পর্বের প্রতিপক্ষ নিউজিল্যান্ড, বেলজিয়াম, ও মিসর। এখন পর্যন্ত বিশ্বকাপের ইতিহাসে কখনোই গ্রুপ পর্ব পেরোতে পারেনি ইরান। তবে সমর্থকদের বিশ্বাস, চলমান সংকট দলটিকে দুর্বল না করে বরং আরও ঐক্যবদ্ধ করবে।

ক্যালিফোর্নিয়ার সান দিয়েগো থেকে আসা ইরানি-আমেরিকান সমর্থক সিনা মোঘাদ্দাম বলেন, ‘ইরানের ইতিহাস হাজার বছরের। এ ধরনের পরিস্থিতি আমাদের আরও শক্তিশালী করে, দুর্বল নয়।’

দলের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে তিহুয়ানায় কড়া নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। সশস্ত্র পুলিশ ও সামরিক বাহিনীর বহরের নিরাপত্তায় দলকে হোটেলে নিয়ে যাওয়া হয়। পাশাপাশি অনুশীলন ভেন্যু এস্তাদিও কালিয়েন্তের আশপাশেও বাড়তি নিরাপত্তা মোতায়েন করা হয়েছে।

লস অ্যাঞ্জেলেস থেকে ছেলেকে নিয়ে তিহুয়ানায় আসা আরেক সমর্থক হোসেইন নিকইয়ার বলেন, ‘ফিফা বলে বিশ্বকাপে রাজনীতির কোনো জায়গা নেই, সবই ফেয়ার প্লে। কিন্তু বাস্তবে আমরা ভিন্ন চিত্রই দেখছি।’