শিরোনাম

সেমিফাইনালের দ্বিতীয় লেগের আগে বড় ধাক্কা খেল পিএসজি ইরানের ৫০০ মিলিয়ন ডলারের ক্রিপ্টোকারেন্সি জব্দ করল যুক্তরাষ্ট্র বৌদ্ধ সম্প্রদায়ের নেতৃবৃন্দের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর শুভেচ্ছা বিনিময় গরমে এসির ঠান্ডাতে কি কিডনিতে পাথর হয় গাজা অভিমুখী সুমুদ ফ্লোটিলা আটকাচ্ছে ইসরাইল
ছবি: বিএমএফ টেলিভিশন।

স্কুলে ছুটির ঘন্টা, বাথরুমে আটকা পড়ে থাকলেন শিশু

বিকাল ৪ টা বিদ্যালয়ে ছুটির ঘন্টা পড়ে গেছে। বিদ্যালয়ে সকলে বের হয়ে গেলেও বাথরুমে আটকা পড়েন তৃতীয় শ্রেণীর সাদিয়া নামের এক  শিক্ষার্থী। ঘটনাটি মেহেরপুর শহরের বিএম মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে।


আটকে থাকার কয়েক ঘন্টা পর পরিবার ও স্থানীয়দের সহযোগিতায় তাকে উদ্ধার করা হয়। বুধবার হৃদয়বিদারক ও উদ্বেগজনক এঘটনা ঘটেছে। তৃতীয় শ্রেণীর শিক্ষার্থী সাদিয়া  স্কুল ছুটির পর বাথরুমে আটকা পড়ে দীর্ঘ সময় চিৎকার করেও কোনো সাড়া না পেয়ে প্রাণসংকটে পড়ে। সময় গড়াতে থাকলে শিশুটি ভয়ে কান্নাকাটি ও চিৎকার শুরু করে। তার সেই হৃদয়বিদারক চিৎকার স্কুলসংলগ্ন পথচারীদের কানে পৌঁছালে বিষয়টি সামনে আসে। এদিকে নির্ধারিত সময়েও বাড়িতে না ফেরায় উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েন সাদিয়ার বাবা পুরাতন পোস্ট অফিস পাড়ার বাসিন্দা মনিরুল ইসলাম। খোঁজ নিতে এসে তিনিও স্থানীয়দের সঙ্গে যুক্ত হন। পরে এলাকাবাসীর সহযোগিতায় বিদ্যালয়ের মূল ফটক খুলে ভেতরে প্রবেশ করা হয়। কিন্তু বিদ্যালয় ভবনের কলাপসিবল  দরজা ভেঙে বা খুলে শিশুটিকে বের করা সম্ভব না হওয়ায়, স্থানীয়রা এক পর্যায়ে স্কুলের এক শিক্ষিকাকে ডেকে আনেন। প্রায় এক ঘণ্টা উৎকণ্ঠার পর শিক্ষিকা লিনা ভট্টাচার্যের উপস্থিতিতে অবশেষে সাদিয়াকে উদ্ধার করা হয়। এ সময় শিশুটি ভীত-সন্ত্রস্ত অবস্থায় ছিল বলে প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান।


দায়িত্বপ্রাপ্ত শিক্ষকরা স্কুল ভবন ও মূল ফটকে তালা দিয়ে চলে যাওয়ার ফলে এমন পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়।
বুধবার (১৫ এপ্রিল) বিকাল প্রায় চারটার দিকে স্কুল ছুটি হলে শিক্ষকরা যথারীতি বিদ্যালয় ত্যাগ করেন। ওই সময় বাথরুমে থাকা সাদিয়া তালাবদ্ধ অবস্থায় ভেতরেই আটকা পড়ে যায়। 


ঘটনাটি রাত সাড়ে এগারোটার দিকে জানাজানি হলে গণমাধ্যমকর্মীরা বিদ্যালয়ের অফিসিয়াল নম্বরে যোগাযোগের চেষ্টা করেন। তবে বিষয়টি জানতে চাইলে ফোন কেটে দেওয়া হয়। পরবর্তীতে আরো কয়েকজন গণমাধ্যম কর্মী মোবাইল নম্বরটিতে কল দিলেও,  আর কোনো কল রিসিভ করা হয়নি। এতে করে বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের ভূমিকা নিয়ে আরও প্রশ্ন তৈরি হয়েছে।


পরিস্থিতির গুরুত্ব বিবেচনায় রাত প্রায় বারোটার দিকে ঘটনাস্থলে উপস্থিত হন মেহেরপুর সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা খায়রুল ইসলাম। তিনি স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে ঘটনার প্রাথমিক তথ্য নেন এবং বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষককের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করলেও সাড়া পাননি।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা খায়রুল ইসলাম বলেন, মেয়েটি সুস্থ অবস্থায় উদ্ধার হয়েছে, এটাই স্বস্তির বিষয়। তবে ঘটনাটি গুরুত্ব সহকারে দেখা হবে। বৃহস্পতিবার এ বিষয়ে শিক্ষক ও অভিভাবকদের সঙ্গে কথা বলা হবে।'

বিনোদন

ছবি: সংগৃহীত।

আপনারা তো চোখ দিয়েই রেপ করে দেন, বিজেপিকে রূপাঞ্জনা

পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভা নির্বাচনের প্রথম দফার ভোট শেষ। ২৯ এপ্রিল দ্বিতীয় দফা নির্বাচনের আগে সব জায়গায় চলছে শেষ মুহূর্তের প্রচার। এমন সময় ধর্ষণের হুমকির অভিযোগ তুলে সরব হয়েছেন টালিউড অভিনেত্রী রূপাঞ্জনা মিত্র।

সোমবার (২৮ এপ্রিল) সামাজিক মাধ্যম ফেসবুকে এসে রূপাঞ্জনা দাবি করলেন যে, রীতিমতো ধর্ষণের হুমকি দেওয়া হচ্ছে তাকে।

তার দাবি, ভারতীয় জনতা পার্টি (বিজেপি) ছেড়ে তৃণমূল কংগ্রেসে যোগদানের পর সাবেক দল থেকে বহু কটূক্তি এসেছে তার দিকে। সব উড়িয়ে দিলেও ধর্ষণের হুমকি পেয়েছেন তিনি।

লাইভে এসে অভিনেত্রী স্পষ্ট জানান, শুধু সমালোচনা নয়, তাকে সরাসরি ধর্ষণের হুমকিও দেওয়া হয়েছে। এই ঘটনায় তিনি গভীরভাবে ক্ষুব্ধ এবং বিষয়টিকে আর হালকাভাবে নিচ্ছেন না। এই ঘটনায় আইনি পদক্ষেপ নেবেন বলে জানিয়েছেন রূপাঞ্জনা।

প্রশ্ন তুলে রূপাঞ্জনা বলেন, ‘দীর্ঘ ২৫ বছর অক্লান্ত পরিশ্রম করে ইন্ডাস্ট্রিতে নিজের জায়গা শক্ত করেছি। একজন সফল নারী হিসেবে নিজের পরিচিতি তৈরি করেছি। সব কিছুর ঊর্ধ্বে আমি একজন নারী। আর একজন নারীর প্রতি এমন নিম্নরুচির মন্তব্য কীভাবে সম্ভব বিজেপি? সেটা বুঝে আসে না।’

বিজেপিকে উদ্দেশ্যে করে রূপাঞ্জনা বলেন, ‘সাচ্চা বাঙালিকে ভয় দেখাতে আসবেন না। আপনারা তো চোখ দিয়েই রেপ করে দেন। তারপর নির্লজ্জের মতো ধর্ষণ নিয়ে কথা বলেন। নারী সুরক্ষা নিয়ে কথা বলেন অথচ একজন নারীকে সোশাল মিডিয়ায় ধর্ষণের হুমকি দিচ্ছেন। যে ভাষা ব্যবহার করেন, অশালীন গালিগালাজ করেন তাতেই বোঝা যাচ্ছে ক্ষমতায় এলে কী পরিণতি হবে।’

কঙ্গনা ও মন্দাকিনীর কথা উল্লেখ করে রূপাঞ্জনা বলেন, ‘বিজেপির গুণ্ডা কালচার ছাড়া এটা আর কিছুই নয়। আবারও বলছি সাহস থাকলে সামনে এসে হুমকি দিন। এখন তো কঙ্গনা, মন্দাকিনী থেকে শুরু করে বিহারে ভোজপুরী তারকাদের নিয়ে তাসা পার্টিতে ব্যস্ত। একটা কথা শুনে রাখুন যারা আমাকে আক্রমণ করেছেন তাদের বিরুদ্ধে আমি থানায় অভিযোগ দায়ের করবো। পশ্চিমবঙ্গকে কখনই উত্তরপ্রদেশ, মণিপুর বা গুজরাট হতে দেব না।’ 


 

খেলা

ছবি: সংগৃহীত।

সেমিফাইনালের দ্বিতীয় লেগের আগে বড় ধাক্কা খেল পিএসজি

চ্যাম্পিয়ন্স লিগ সেমিফাইনালের দ্বিতীয় লেগের আগে বড় ধাক্কা খেল প্যারিস সেইন্ট জার্মেই (পিএসজি)। দলের গুরুত্বপূর্ণ ডিফেন্ডার আশরাফ হাকিমি উরুর চোটে ছিটকে গেছেন বায়ার্ন মিউনিখের বিপক্ষে ফিরতি লেগ থেকে।

ক্লাবের পক্ষ থেকে এক বিবৃতিতে জানানো হয়েছে, গত মঙ্গলবার প্রথম লেগে ৫-৪ ব্যবধানে জয়ের ম্যাচে ডান উরুতে আঘাত পান হাকিমি। পরবর্তী মেডিকেল পরীক্ষায় তার চোট গুরুতর বলে নিশ্চিত করা হয়।

চিকিৎসকদের ধারণা, তিনি আগামী কয়েক সপ্তাহ মাঠের বাইরে থাকবেন। এর ফলে আগামী বুধবার অ্যালিয়াঞ্জ অ্যারেনায় অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া সেমিফাইনালের দ্বিতীয় লেগে খেলতে পারবেন না মরক্কোর এই রাইট-ব্যাক।

তবে পিএসজি ফাইনালে উঠতে পারলে ৩০ মের শিরোপা নির্ধারণী ম্যাচে তার ফেরার সম্ভাবনা রয়েছে।

মঙ্গলবার পার্ক দে প্রিন্সেসে অনুষ্ঠিত প্রথম লেগে পুরো ৯০ মিনিট খেলেছিলেন হাকিমি। ম্যাচ চলাকালীন একপর্যায়ে ডান উরুতে ব্যথা অনুভব করে তিনি মাটিতে পড়ে যান। এরপর থেকেই তার শারীরিক অবস্থা নিয়ে শঙ্কা তৈরি হয়।

পিএসজি জানায়, বিস্তারিত পরীক্ষার পর চিকিৎসা দল নিশ্চিত হয়েছে, হাকিমির ফিরতে সময় লাগবে কয়েক সপ্তাহ। ফলে জার্মানিতে গুরুত্বপূর্ণ এই ম্যাচে তার অনুপস্থিতি দলটির রক্ষণভাগে বড় প্রভাব ফেলতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

মরক্কোর জাতীয় দলের নিয়মিত এই ফুটবলার আন্তর্জাতিক পর্যায়ে ৯০টির বেশি ম্যাচ খেলেছেন এবং ২০২২ বিশ্বকাপে তার পারফরম্যান্স ছিল গুরুত্বপূর্ণ। ক্লাব ও জাতীয় দল— দুই জায়গাতেই তিনি অন্যতম নির্ভরযোগ্য খেলোয়াড় হিসেবে পরিচিত।

এর আগে চলতি মৌসুমেই গোড়ালির চোটে কয়েক মাস মাঠের বাইরে ছিলেন হাকিমি। তবে আফ্রিকান কাপ অফ নেশনস ও ক্লাব ফুটবলে ফিরে এসে তিনি আবারও দলে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে শুরু করেছিলেন।

শুধু হাকিমিই নয়, বুধবার সকালে অনুশীলনের সময় ঊরুর চোটে পড়েন পিএসজির গোলকিপার লুকাস শেভালিয়ের। পিএসজির হয়ে গত জানুয়ারিতে সর্বশেষ মাঠে নামা শেভালিয়েরকেও আগামী কয়েক সপ্তাহ মাঠের বাইরে কাটাতে হবে। সেমিফাইনাল প্রথম লেগে পিএসজির পোস্ট সামলান রুশ গোলকিপার মাতভেই সাফোনভ, বেঞ্চে ছিলেন শেভালিয়ের।

হাকিমি ও লুকাস শেভালিয়ের ছিটকে পড়া পিএসজির জন্য সেমিফাইনালের দ্বিতীয় লেগে বড় চ্যালেঞ্জ তৈরি করেছে, যেখানে ফাইনালের টিকিট নিশ্চিত করতে কঠিন পরীক্ষার মুখে পড়তে হবে ফরাসি ক্লাবটিকে।