শিরোনাম

ধেয়ে আসছে বন্যা, বিপৎসীমার ওপরে ৭ নদীর পানি ইউনূস সরকারের কর্মকাণ্ডের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে রিট ভোট দিয়ে বেহেশত নয়, আমলই আসল: গয়েশ্বর চন্দ্র রায় নিজের অন্ধকার অধ্যায়ের কথা জানালেন জাহ্নবী কাপুর গুণগত শিক্ষার মানোন্নয়নে সার্বিক সহযোগিতার আশ্বাস ডিসিদের
ছবি: বিএমএফ টেলিভিশন।

স্কুলে ছুটির ঘন্টা, বাথরুমে আটকা পড়ে থাকলেন শিশু

বিকাল ৪ টা বিদ্যালয়ে ছুটির ঘন্টা পড়ে গেছে। বিদ্যালয়ে সকলে বের হয়ে গেলেও বাথরুমে আটকা পড়েন তৃতীয় শ্রেণীর সাদিয়া নামের এক  শিক্ষার্থী। ঘটনাটি মেহেরপুর শহরের বিএম মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে।


আটকে থাকার কয়েক ঘন্টা পর পরিবার ও স্থানীয়দের সহযোগিতায় তাকে উদ্ধার করা হয়। বুধবার হৃদয়বিদারক ও উদ্বেগজনক এঘটনা ঘটেছে। তৃতীয় শ্রেণীর শিক্ষার্থী সাদিয়া  স্কুল ছুটির পর বাথরুমে আটকা পড়ে দীর্ঘ সময় চিৎকার করেও কোনো সাড়া না পেয়ে প্রাণসংকটে পড়ে। সময় গড়াতে থাকলে শিশুটি ভয়ে কান্নাকাটি ও চিৎকার শুরু করে। তার সেই হৃদয়বিদারক চিৎকার স্কুলসংলগ্ন পথচারীদের কানে পৌঁছালে বিষয়টি সামনে আসে। এদিকে নির্ধারিত সময়েও বাড়িতে না ফেরায় উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েন সাদিয়ার বাবা পুরাতন পোস্ট অফিস পাড়ার বাসিন্দা মনিরুল ইসলাম। খোঁজ নিতে এসে তিনিও স্থানীয়দের সঙ্গে যুক্ত হন। পরে এলাকাবাসীর সহযোগিতায় বিদ্যালয়ের মূল ফটক খুলে ভেতরে প্রবেশ করা হয়। কিন্তু বিদ্যালয় ভবনের কলাপসিবল  দরজা ভেঙে বা খুলে শিশুটিকে বের করা সম্ভব না হওয়ায়, স্থানীয়রা এক পর্যায়ে স্কুলের এক শিক্ষিকাকে ডেকে আনেন। প্রায় এক ঘণ্টা উৎকণ্ঠার পর শিক্ষিকা লিনা ভট্টাচার্যের উপস্থিতিতে অবশেষে সাদিয়াকে উদ্ধার করা হয়। এ সময় শিশুটি ভীত-সন্ত্রস্ত অবস্থায় ছিল বলে প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান।


দায়িত্বপ্রাপ্ত শিক্ষকরা স্কুল ভবন ও মূল ফটকে তালা দিয়ে চলে যাওয়ার ফলে এমন পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়।
বুধবার (১৫ এপ্রিল) বিকাল প্রায় চারটার দিকে স্কুল ছুটি হলে শিক্ষকরা যথারীতি বিদ্যালয় ত্যাগ করেন। ওই সময় বাথরুমে থাকা সাদিয়া তালাবদ্ধ অবস্থায় ভেতরেই আটকা পড়ে যায়। 


ঘটনাটি রাত সাড়ে এগারোটার দিকে জানাজানি হলে গণমাধ্যমকর্মীরা বিদ্যালয়ের অফিসিয়াল নম্বরে যোগাযোগের চেষ্টা করেন। তবে বিষয়টি জানতে চাইলে ফোন কেটে দেওয়া হয়। পরবর্তীতে আরো কয়েকজন গণমাধ্যম কর্মী মোবাইল নম্বরটিতে কল দিলেও,  আর কোনো কল রিসিভ করা হয়নি। এতে করে বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের ভূমিকা নিয়ে আরও প্রশ্ন তৈরি হয়েছে।


পরিস্থিতির গুরুত্ব বিবেচনায় রাত প্রায় বারোটার দিকে ঘটনাস্থলে উপস্থিত হন মেহেরপুর সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা খায়রুল ইসলাম। তিনি স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে ঘটনার প্রাথমিক তথ্য নেন এবং বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষককের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করলেও সাড়া পাননি।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা খায়রুল ইসলাম বলেন, মেয়েটি সুস্থ অবস্থায় উদ্ধার হয়েছে, এটাই স্বস্তির বিষয়। তবে ঘটনাটি গুরুত্ব সহকারে দেখা হবে। বৃহস্পতিবার এ বিষয়ে শিক্ষক ও অভিভাবকদের সঙ্গে কথা বলা হবে।'

বিনোদন

ছবি: সংগৃহীত।

নিজের অন্ধকার অধ্যায়ের কথা জানালেন জাহ্নবী কাপুর

বলিউড অভিনেত্রী জাহ্নবী কাপুর ব্যক্তিগত জীবনে এক কঠিন সময়ের মধ্য দিয়ে গেছেন। অথচ পর্দায় সবসময়ই তার উপস্থিতি থাকে গ্ল্যামারাস। তাকে দেখে বোঝার উপায় নেই যে একটা সময় তিনিও মানসিক অবসাদ এবং মদপানের মতো সমস্যার মধ্য দিয়ে গেছেন। 

সম্প্রতি একটি পডকাস্টে অংশ নিয়ে নিজের জীবনের সেই অন্ধকার অধ্যায়ের কথা শেয়ার করলেন অভিনেত্রী। কোভিড লকডাউনের সময় জীবনের এক ট্রমাটিক পরিস্থিতির শিকার হয়ে তিনি ঘনঘন মদপান শুরু করেছিলেন। মদপানের প্রতি আসক্ত ছিলেন তিনি।

জাহ্নবী বলেন, তিনি সাধারণত খুব একটা মদপান করেন না। কিন্তু লকডাউনের সময় এক বছর এমন একটি পর্যায় এসেছিল, যখন তিনি প্রায় প্রতিদিনই মদপান করতেন। তিনি বলেন, আমি বলব না যে, আমি অ্যালকোহলে আসক্ত ছিলাম। তবে আমি নেশা করার প্রয়োজন অনুভব করতাম। আমার মনে হতো, আমার মাতাল হওয়া দরকার। জীবনের একটি ব্যক্তিগত বিপর্যয় কাটিয়ে উঠতেই তিনি মদের গ্লাসে সান্ত্বনা খুঁজতেন।

তবে খুব দ্রুতই নিজের ভুল বুঝতে পারেন অভিনেত্রী। মদপানের ফলে তার শরীরে নানা পরিবর্তন আসে। সকালে ঘুম থেকে ওঠার পর যে অস্বস্তি হতো, তা তিনি ঘৃণা করতে শুরু করেন। এমনকি তার শরীরের গন্ধও বদলে গিয়েছিল বলে জানান জাহ্নবী কাপুর। 

অভিনেত্রী বলেন, আমার শরীরের গন্ধে আমি এমন একজনের আভাস পেতাম, যাকে আমি ভালোবাসতাম এবং যে নিজেও মদপানের নেশায় আসক্ত ছিল। সেই গন্ধটাই আমার কাছে একটা সিগন্যাল ছিল যে, দিনটা ভালো যাবে না।

জাহ্নবী কাপুর বলেন, সেই চরম বাস্তবতা থেকেই নিজেকে বদলে ফেলার সিদ্ধান্ত নেন তিনি। এরপর টানা দেড় বছর তিনি মদের গ্লাস ছুঁয়েও দেখেননি। বর্তমানে তিনি মদপানের নেশা থেকে মুক্তির বিষয়ে সচেতনতা প্রচার করছেন। একটি মানসিক স্বাস্থ্য সংস্থার সঙ্গে যুক্ত হয়ে তিনি মানুষের পাশে দাঁড়ানোর চেষ্টা করছেন। নেশার কবলে না পড়ে নিজের শরীরের কথা শোনা উচিত বলে জানান অভিনেত্রী।

জাহ্নবীর অকপট স্বীকারোক্তি ইতিবাচক সাড়া ফেলেছে তার ভক্ত-অনুরাগীদের মধ্যে। গ্ল্যামার জগতের বাইরেও যে তারকাদের লড়তে হয়, জাহ্নবীর কাপুরের জীবনে ঘটে যাওয়া ঘটনাই তারই প্রমাণ।


 

খেলা

ছবি: সংগৃহীত।

ইরানের ফুটবল প্রধানকে প্রবেশের অনুমতি দেয়নি কানাডা

ফিফা কংগ্রেসে অংশ নিতে কানাডার ভ্যাঙ্কুভারে যাওয়ার কথা থাকলেও ইরানের ফুটবল প্রধান মেহেদি তাজকে দেশে প্রবেশ করতে দেয়নি কানাডা। ইরানের সংবাদমাধ্যম তাসনিম ও ইউএসএ টুডে এ তথ্য প্রকাশ করেছে।

তথ্য অনুযায়ী, ইমিগ্রেশন কর্মকর্তাদের সঙ্গে ‘অসদাচরণের’ অভিযোগে তাকে বিমানবন্দর থেকেই ফিরিয়ে দেওয়া হয়। তার সঙ্গে ফেডারেশনের আরও দুই কর্মকর্তা—হেদায়াত মমবেইনি ও হামিদ মোমেনিও ছিলেন।

প্রতিবেদন বলছে, ভিসা ও অস্থায়ী রেসিডেন্ট পারমিট থাকা সত্ত্বেও শেষ পর্যন্ত তাকে প্রবেশের অনুমতি দেওয়া হয়নি। এর প্রধান কারণ হিসেবে ইসলামিক রেভ্যুলুশনারি গার্ড কর্পসের সঙ্গে তার পূর্ববর্তী সংশ্লিষ্টতা দেখানো হয়েছে।

জানা যায়, অতীতে তিনি আইআরজিসির একজন কমান্ডার ছিলেন। কানাডা সংস্থাটিকে একটি সন্ত্রাসী সংগঠন হিসেবে বিবেচনা করে, তাই তাদের অবস্থান অনুযায়ী আইআরজিসি সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের প্রবেশ নিষিদ্ধ।

শেষ পর্যন্ত জিজ্ঞাসাবাদের পর তাকে ফেরত পাঠানো হয়। যদিও কানাডার অভিবাসন কর্তৃপক্ষ নির্দিষ্ট ঘটনায় মন্তব্য না করলেও জানিয়েছে, আইআরজিসি সম্পর্কিত ব্যক্তিদের প্রবেশের বিষয়ে তাদের অবস্থান কঠোর এবং তারা দেশের নিরাপত্তা নীতি বজায় রাখতে এমন পদক্ষেপ অব্যাহত রাখবে।