শিরোনাম

বিচ্ছেদের পথে বিজয়? খোরপোশ দিতে হতে পারে ২৫০ কোটি রুপি! সংরক্ষিত নারী আসনে নিজেই মনোনয়ন চাইনি: আফরোজা আব্বাস  হরমুজে ইরানের নাম ভাঙিয়ে প্রতারণা, ক্রিপ্টোতে ট্রানজিট ফি দাবি নওগাঁয় একই পরিবারের ৪ সদস্যের গলা কাটা লাশ উদ্ধার যেসব জেলায় তাপমাত্রা উঠতে পারে ৪০ ডিগ্রিতে
ছবি: বিএমএফ টেলিভিশন।

স্কুলে ছুটির ঘন্টা, বাথরুমে আটকা পড়ে থাকলেন শিশু

বিকাল ৪ টা বিদ্যালয়ে ছুটির ঘন্টা পড়ে গেছে। বিদ্যালয়ে সকলে বের হয়ে গেলেও বাথরুমে আটকা পড়েন তৃতীয় শ্রেণীর সাদিয়া নামের এক  শিক্ষার্থী। ঘটনাটি মেহেরপুর শহরের বিএম মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে।


আটকে থাকার কয়েক ঘন্টা পর পরিবার ও স্থানীয়দের সহযোগিতায় তাকে উদ্ধার করা হয়। বুধবার হৃদয়বিদারক ও উদ্বেগজনক এঘটনা ঘটেছে। তৃতীয় শ্রেণীর শিক্ষার্থী সাদিয়া  স্কুল ছুটির পর বাথরুমে আটকা পড়ে দীর্ঘ সময় চিৎকার করেও কোনো সাড়া না পেয়ে প্রাণসংকটে পড়ে। সময় গড়াতে থাকলে শিশুটি ভয়ে কান্নাকাটি ও চিৎকার শুরু করে। তার সেই হৃদয়বিদারক চিৎকার স্কুলসংলগ্ন পথচারীদের কানে পৌঁছালে বিষয়টি সামনে আসে। এদিকে নির্ধারিত সময়েও বাড়িতে না ফেরায় উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েন সাদিয়ার বাবা পুরাতন পোস্ট অফিস পাড়ার বাসিন্দা মনিরুল ইসলাম। খোঁজ নিতে এসে তিনিও স্থানীয়দের সঙ্গে যুক্ত হন। পরে এলাকাবাসীর সহযোগিতায় বিদ্যালয়ের মূল ফটক খুলে ভেতরে প্রবেশ করা হয়। কিন্তু বিদ্যালয় ভবনের কলাপসিবল  দরজা ভেঙে বা খুলে শিশুটিকে বের করা সম্ভব না হওয়ায়, স্থানীয়রা এক পর্যায়ে স্কুলের এক শিক্ষিকাকে ডেকে আনেন। প্রায় এক ঘণ্টা উৎকণ্ঠার পর শিক্ষিকা লিনা ভট্টাচার্যের উপস্থিতিতে অবশেষে সাদিয়াকে উদ্ধার করা হয়। এ সময় শিশুটি ভীত-সন্ত্রস্ত অবস্থায় ছিল বলে প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান।


দায়িত্বপ্রাপ্ত শিক্ষকরা স্কুল ভবন ও মূল ফটকে তালা দিয়ে চলে যাওয়ার ফলে এমন পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়।
বুধবার (১৫ এপ্রিল) বিকাল প্রায় চারটার দিকে স্কুল ছুটি হলে শিক্ষকরা যথারীতি বিদ্যালয় ত্যাগ করেন। ওই সময় বাথরুমে থাকা সাদিয়া তালাবদ্ধ অবস্থায় ভেতরেই আটকা পড়ে যায়। 


ঘটনাটি রাত সাড়ে এগারোটার দিকে জানাজানি হলে গণমাধ্যমকর্মীরা বিদ্যালয়ের অফিসিয়াল নম্বরে যোগাযোগের চেষ্টা করেন। তবে বিষয়টি জানতে চাইলে ফোন কেটে দেওয়া হয়। পরবর্তীতে আরো কয়েকজন গণমাধ্যম কর্মী মোবাইল নম্বরটিতে কল দিলেও,  আর কোনো কল রিসিভ করা হয়নি। এতে করে বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের ভূমিকা নিয়ে আরও প্রশ্ন তৈরি হয়েছে।


পরিস্থিতির গুরুত্ব বিবেচনায় রাত প্রায় বারোটার দিকে ঘটনাস্থলে উপস্থিত হন মেহেরপুর সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা খায়রুল ইসলাম। তিনি স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে ঘটনার প্রাথমিক তথ্য নেন এবং বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষককের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করলেও সাড়া পাননি।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা খায়রুল ইসলাম বলেন, মেয়েটি সুস্থ অবস্থায় উদ্ধার হয়েছে, এটাই স্বস্তির বিষয়। তবে ঘটনাটি গুরুত্ব সহকারে দেখা হবে। বৃহস্পতিবার এ বিষয়ে শিক্ষক ও অভিভাবকদের সঙ্গে কথা বলা হবে।'

বিনোদন

ছবি: সংগৃহীত।

বিচ্ছেদের পথে বিজয়? খোরপোশ দিতে হতে পারে ২৫০ কোটি রুপি!

বলিউড থেকে দক্ষিণী সিনে-ইন্ডাস্ট্রি সবখানেই এখন সোরগোল। দীর্ঘ ২২ বছরের সাজানো সংসার কি তবে এক ঝটকায় ভেঙে চুরমার হয়ে যাচ্ছে? তামিল মেগাস্টার থালাপতি বিজয় ও সঙ্গীতা স্বর্ণালিঙ্গমের বিচ্ছেদের গুঞ্জন এবার কেবল গুঞ্জন নয়, বরং রূপ নিচ্ছে এক বিশাল আর্থিক যুদ্ধের মহাকাব্যে।

শোনা যাচ্ছে, এই বিচ্ছেদের সমঝোতায় খোরপোশ বাবদ সঙ্গীতাকে দিতে হতে পারে প্রায় ৩৫০ কোটি টাকা যা ভারতীয় মুদ্রায় ২৫০ কোটি রুপি। টাকার এই পাহাড়সম অঙ্ক আর স্বামী-স্ত্রীর মধ্যকার চরম সমঝোতাহীনতা যেন কোনো টানটান উত্তেজনাপূর্ণ সিনেমার চিত্রনাট্যকেও হার মানাচ্ছে।

ভারতীয় গণমাধ্যম সূত্রে জানা যায়, আগামী ২৩ এপ্রিল তামিলনাড়ু বিধানসভা নির্বাচনকে কেন্দ্র করে বর্তমানে ব্যস্ত সময় পার করছেন অভিনেতা বিজয়। নির্বাচনের অন্যতম প্রার্থী হওয়ায় ব্যক্তিগত কারণে ২০ এপ্রিলের নির্ধারিত শুনানিটি স্থগিত রাখার আবেদন জানানো হয়। আদালত আবেদন মঞ্জুর করে আগামী ১৫ জুন মামলার পরবর্তী শুনানির দিন ধার্য করেছে। এর ফলে আপাতত থালাপতি ও সঙ্গীতার আইনি বিচ্ছেদ প্রক্রিয়া দুই মাস পিছিয়ে গেল।

এদিকে মামলা সূত্রের বরাত দিয়ে জানা যায়, ডিভোর্সের বিনিময়ে সঙ্গীতা ২৫০ কোটি ভারতীয় রুপি এবং চেন্নাইয়ের একটি সমুদ্রমুখী বাড়ি দাবি করেছেন। তবে অভিনেতা বিজয় বিষয়টি আদালতের বাইরে মিটিয়ে নিতে চাইছেন। তিনি খোরপোশ বাবদ সর্বোচ্চ ৩৫ কোটি রুপি দিতে রাজি হলেও সঙ্গীতা নিজের দাবিতে অনড় রয়েছেন। বর্তমানে খোরপোশের এই বড় ব্যবধান নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে দরাদরি ও আলাপ-আলোচনা অব্যাহত রয়েছে।

উল্লেখ্য, এর আগে স্ত্রী সঙ্গীতা অভিনেতার বিরুদ্ধে পরকীয়ার অভিযোগ তুলে দাবি করেন, বিজয়ের অন্য এক অভিনেত্রীর সঙ্গে মেলামেশার কারণে তাদের দাম্পত্যে ফাটল ধরে।

আরও জানা যায়, ২০২১ সাল থেকে এই দম্পতির মধ্যে মানসিক দূরত্ব তৈরি হয় এবং একপর্যায়ে বিজয় তার স্ত্রীকে ত্যাগ করেন বলে অভিযোগপত্রে উল্লেখ করা হয়। বিজয়ের পুত্র জেসন সঞ্জয়ও এই পরিস্থিতিতে বাবার ওপর ক্ষুব্ধ হয়ে সামাজিক মাধ্যমে তাকে আনফলো করেছেন ।


 

খেলা

ছবি: সংগৃহীত।

হামজা-জামালদের কোচ হওয়ার দৌড়ে আছেন যারা

জাতীয় ফুটবল দলের কোচ হতে আগ্রহ প্রকাশ করেছেন ইউরোপ ও আফ্রিকার অনেকে। জার্মানির অভিজ্ঞ কোচ অ্যান্টোইন হে ছাড়াও ফ্রান্স, পর্তুগাল ও রুমানিয়ার কোচের আবেদন এসেছে বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনে (বাফুফে)। জানা গেছে, হামজা চৌধুরী, জামাল ভূঁইয়াদের দায়িত্ব নিতে সাত থেকে আটজন বিদেশি কোচের সিভি জমা পড়েছে বাফুফেতে। 

সূত্রমতে, স্থানীয় দুই কোচ মারুফুল হক ও জুলফিকার মাহমুদ মিন্টুও কোচ হতে আগ্রহী। যদিও মারুফুল জানিয়েছেন, তিনি আবেদন করেননি। বাফুফের নির্বাহী কমিটির সভায় জাতীয় দলের নতুন কোচ নিয়োগের বিষয়টি নিয়ে আলোচনা হওয়ার কথা।

বাফুফে সূত্রে জানা গেছে, ইউরোপ, দক্ষিণ আমেরিকা এবং এশিয়ার বিভিন্ন দেশের অভিজ্ঞ কোচরা আবেদন করেছেন। আবেদনকারীদের মধ্যে এমন কোচও আছেন, যাদের জাতীয় দল কিংবা শীর্ষ ক্লাব পর্যায়ে কাজ করার অভিজ্ঞতা রয়েছে। এর মধ্যে অনেকেই ফিফা ও এএফসি স্বীকৃত উচ্চমানের কোচিং লাইসেন্সধারী। 

হামজা, শমিতদের কোচ হতে আগ্রহ প্রকাশ করেছেন অভিজ্ঞ জার্মান কোচ অ্যান্টোইন হে। উয়েফা প্রো-লাইসেন্সধারী কোচ তিনি। যার এশিয়া ও আফ্রিকার ফুটবলে দীর্ঘ দুই দশক কোচিং করানোর অভিজ্ঞতা রয়েছে। মিয়ানমার, রুয়ান্ডা, কেনিয়া, লাইবেরিয়া, গাম্বিয়া এবং লেসোথো জাতীয় দলের প্রধান কোচ ছিলেন তিনি। বাহরাইন ও লিবিয়া ফুটবল ফেডারেশনে টেকনিক্যাল ডিরেক্টর হিসাবেও তার কাজ করার অভিজ্ঞতা রয়েছে। খেলোয়াড়ি জীবনে তিনি জার্মান বুন্দেসলিগার শালকে ০৪ ও ফরচুনা ডুসেলডর্ফের মতো বড় ক্লাবে খেলেছেন।

আরেক জার্মান কোচ বার্ন্ড স্টর্কও আবেদন করেছেন। হাঙ্গেরিকে ইউরো ২০১৬তে নিয়ে যাওয়া এই অভিজ্ঞ কোচ এর আগে কাজাখস্তান জাতীয় দল ও বেলজিয়ামের ক্লাব সের্কেল ব্রুজে কাজ করেছেন। বাংলাদেশের দায়িত্ব নিতে আগ্রহ প্রকাশ করেছেন ক্রোয়েশিয়া জাতীয় দলের সাবেক কোচ ইগোর স্টিমাচও। ৫৮ বছর বয়সি এই কোচের ক্রোয়েশিয়া ছাড়াও ভারতের জাতীয় দল ও বয়সভিত্তিক দল সামলানোর অভিজ্ঞতা রয়েছে। ২০২১ ও ২০২৩ সালের সাফজয়ী ভারতের কোচ ছিলেন তিনি। 

সূত্রে আরও জানা গেছে, কোচ হতে আবেদন করেছেন ফরাসি দিদিয়ের অলে নিকোলও। ফরাসি ক্লাব ওজিসি নিসের দায়িত্ব পালনের অভিজ্ঞতা রয়েছে ৬৫ বছর বয়সি এই কোচের। ২০২১-২২ মৌসুমে পিএসজির নারী দলের দায়িত্ব সামলেছেন। তার ক্যারিয়ারে কোচিং করানো একমাত্র জাতীয় দল বেনিন (২০১৪)। আবেদনের তালিকায় রয়েছেন পর্তুগিজ কোচ অ্যান্টোনিও কন্সেইসাও।