শিরোনাম

নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী মানসিকভাবে অসুস্থ, তার চিকিৎসা দরকার: রাশেদ খান বাইকার-অটোরিকশাচালকদের জন্য দুঃসংবাদ শিক্ষার্থীদের ভর্তি সহায়তা দেবে সরকার, পাবে যারা নতুন ভূমিকায় মমতা, আইনজীবীর পোশাক পরে গেলেন আদালতে জরুরি সংবাদ সম্মেলন ডেকেছেন শিক্ষামন্ত্রী
ছবি: বিএমএফ টেলিভিশন।

বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন তরুণের বানানো ‘স্মার্ট কারে’ চড়লেন প্রধানমন্ত্রী


বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন তরুণ ওয়াকিমুল ইসলামের বানানো ‘স্মার্ট কারে’ চড়ে তাকে উৎসাহ দিলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
শনিবার (০৯ মে) সকালে প্রধানমন্ত্রীর তেজগাঁওয়ের কার্যালয়ে তার সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন ওয়াকিমুল ইসলাম।


এসময় তার বানানো ছোট এই বাহনটি দেখেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। পরে প্রধানমন্ত্রীকে নিয়ে স্মার্ট কারটি চালিয়ে দেখান ওয়াকিমুল ইসলাম। ব্যাটারি চালিত বিশেষ এই যানের নাম দেওয়া হয়েছে ‘এ টু আই স্মার্ট কার’।


প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দেশীয় প্রযুক্তি ব্যবহার করে এই বাহন তৈরি করায় ১৭ বছরের তরুণের প্রশংসা করেন। একই সঙ্গে তিনি কম খরচে আরো আধুনিক ও সহজে ব্যবহারযোগ্য স্মার্ট কার তৈরির পরামর্শও দেন। প্রধানমন্ত্রী এই ধরনের সৃজনশীল উদ্যোগে সরকারের সহযোগিতার আশ্বাসও দেন।


সাক্ষাৎকালে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে স্মার্ট কার তৈরির গল্প শুনিয়েছেন ওয়াকিমুল ইসলাম। বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন এই তরুণ জানান, এক সময় তিনি সারাদিন বাসায় বসে থাকতেন, বাহিরে বের হতে পারতেন না। কীভাবে বাহিরে একা চলাফেরা করা যায়, সেই চিন্তা থেকে তিনি কারটি বানানো শুরু করেন।


ওয়াকিমুল ইসলাম যশোরের চৌগাছা সরকারি কলেজে একাদশ শ্রেণীতে পড়েন। বিজ্ঞান বিভাগের এই শিক্ষার্থীর পিতা একজন ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী। ওয়াকিমুল ইসলাম জানান, সহযোগিতা পেলে আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার করে আরো উন্নতমানের স্মার্ট কার বানানো সম্ভব। এটি বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন ব্যক্তি ছাড়া বয়স্ক ব্যক্তিরাও ব্যবহার করতে পারবেন।


ওয়াকিমুল ইসলামের সঙ্গে এসেছিলেন বাংলাদেশ প্রতিবন্ধী কল্যাণ সমিতির (বিপিকেস) প্রতিষ্ঠাতা ও নির্বাহী পরিচালক আবদুস সাত্তার দুলাল। তিনি জানান, গাড়িটি বৈদ্যুতিক চার্জে ৫০ কিলোমিটার পর্যন্ত চলতে পারে। ঘণ্টায় সর্বোচ্চ গতি ৪৫ কিলোমিটার।


এসময় প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন তার প্রতিরক্ষা উপদেষ্টা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) এ কে এম শামছুল ইসলাম, প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব এ বি এম আব্দুস সাত্তার, প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমনসহ কার্যালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।
 

বিনোদন

ছবি: সংগৃহীত।

সমুদ্রের তীরে নজর কেড়েছেন শুভশ্রী, যে কারণে আলোচনা

টালিউডের জনপ্রিয় তারকা জুটি পরিচালক রাজ চক্রবর্তী ও অভিনেত্রী শুভশ্রী গাঙ্গুলি দম্পতির অষ্টম বিবাহবার্ষিকীর সেলিব্রেশন এখন টালিপাড়ার হট টপিক। থাইল্যান্ডের নীল সমুদ্রের তীরে শুভশ্রীর পরনে যে নীল বডিকন গাউনটি নজর কেড়েছে, তা নিয়ে শুরু হয়েছে নেটিজেনদের এক অদ্ভুত সম্মিলন। কাকতালীয়ভাবে মাস কয়েক আগেই ঠিক একই পোশাকে ক্যামেরাবন্দি হয়েছিলেন রাজের সাবেক প্রেমিকা অভিনেত্রী মিমি চক্রবর্তী।

থাইল্যান্ডের নীল জলরাশি আর পামগাছের সারির মাঝেই অষ্টম বিবাহবার্ষিকী উদযাপন করছেন টালিউডের ‘পাওয়ার কাপল’ এ দম্পতি। সেখানেই বিশেষ এই রাতে রাজ-ঘরনির পরনে ছিল এক গাঢ় নীল বডিকন গাউন। আর সেই পোশাক ঘিরেই শুরু হয়েছে সামাজিক মাধ্যমে নেটিজেনদের মাঝে নতুন চর্চা। মাস কয়েক আগেই একই রকম পোশাকে দেখা গিয়েছিল মিমি চক্রবর্তীকেও। পর্দার দুই নায়িকার এই ‘ফ্যাশন টুইনিং’ এখন সামাজিক মাধ্যমে নেটিজেনদের মাঝে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে।

বিবাহবার্ষিকীর রাতে রাজের বাহুলগ্না শুভশ্রীর এই লুক যেমন স্নিগ্ধ, ঠিক তেমনই গ্ল্যামারাস। অন্যদিকে মিমিও যখন এ পোশাকটি পরেছিলেন, তার বোল্ডনেসও ছিল নজরকাড়া। দুই নায়িকার একই পোশাক পছন্দ করা যেন বুঝিয়ে দিচ্ছে— রুচির দিক থেকেও তারা এখন একই মেরুতে অবস্থান করছেন।

আর সাধারণত তারকাদের পোশাকের দাম সাধারণ মানুষের ধরাছোঁয়ার বাইরে থাকে। কিন্তু শুভশ্রী আর মিমির এ পোশাকটির ক্ষেত্রে বিষয়টি একেবারেই উল্টো। মিন্ত্রার মতো ই-কমার্স সাইটে গেলেই মিলবে এই হুবহু নীল গাউন। আশ্চর্যের বিষয় হলো— এই স্টাইলিশ পোশাকটির দাম মাত্র ৭৫৮ টাকা। অর্থাৎ সেলিব্রিটি ফ্যাশন এখন যে কেউ অনায়াসেই নিজের ওয়ার্ডরোবে শামিল করতে পারেন।

একসময় রাজকে কেন্দ্র করে মিমি চক্রবর্তী ও শুভশ্রী গাঙ্গুলির সম্পর্কের সমীকরণ নিয়ে অনেক জলঘোলা হয়েছিল। তবে সেসব এখন অতীত। মিমি এখন রাজের ‘সাবেক’ তকমা ঝেড়ে ফেলে শুভশ্রীর বিশেষ বন্ধু। আর সেই বন্ধুত্বেরই যেন এক অলিখিত প্রতিফলন দেখা গেল তাদের পোশাকে। নীল রঙের এই বডিকন গাউনে দুজনেই সমান উজ্জ্বল— যদিও স্টাইলিং ছিল ভিন্ন। খোলা চুলে নীল পোশাকে মিমিকে দেখাচ্ছিল অপরূপা।

এক অ্য়াওয়ার্ড শোর জন্য এ পোশাক বেছে নিয়েছিলেন মিমি। সঙ্গে ছিল ঝোলা দুল,ন্যুড লিপস্টিক আর স্মোকি আইস। শুভশ্রীর সাজ একটু ঘরোয়া। আলুথালু করে চুলে খোঁপা করা। সঙ্গে হালকা মেকআপে ভারি সুন্দর দেখাচ্ছিল রাজ-ঘরনিকে। কঠিন সময়ে শক্ত করে বরের হাত ধরলেন শুভশ্রী। সমুদ্রের পারে ক্যান্ডেল লাইট ডিনার থেকে ফানুস ওড়ানো, কিছুই বাদ থাকল না।


 

খেলা

ছবি: সংগৃহীত।

বাবাকে মাশরাফি: আমি মারা গেলে আমার লাশ নড়াইলে নিয়ো না

বাংলাদেশ ক্রিকেটের অন্যতম সফল অধিনায়ক মাশরাফি বিন মর্তুজা। সম্প্রতি লোকচক্ষুর আড়ালে থাকা মাশরাফির, “মৃত্যুর পর তার মরদেহটি যেন নড়াইলে না নেওয়া হয়”, এ ধরনের একটি বক্তব্য ছড়িয়ে পড়েছে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে। 

বাংলাদেশ ক্রিকেট টিমের সাবেক এ অধিনায়কের বাবা গোলাম মুর্তজা একটি জাতীয় দৈনিকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে মাশরাফির এ বক্তব্যটি তুলে ধরেন। 

ওই সাক্ষাৎকারে তিনি মাশরাফির বর্তমান মানসিক অবস্থা নিয়েও কথা বলেন। 

গোলাম মর্তুজার ভাষ্যমতে, প্রায় দুই বছর ধরে বন্দি জীবন কাটানো মাশরাফি এখন একদম চুপচাপ। প্রয়োজন ছাড়া পরিবারের সঙ্গেও খুব একটা কথাও বলেন না বলেও জানান মাশরাফির বাবা।

২০২৪ সালের ৫ আগস্টের পর মাশরাফির নড়াইলের বাড়িটি পুড়িয়ে দেয় দুর্বৃত্তরা। আর এই বিষয়টি মেনে নিতে পারেননি নড়াইল এক্সপ্রেস খ্যাত সাবেক এই ক্রিকেটার। ওইসময়ই তিনি তার বাবার উদ্দেশে বলেছিলেন, “আমি মারা গেলে আমার লাশটা নড়াইলে নিয়ো না।”

পরিবারের আর্থিক অবস্থা নিয়েও ওই সাক্ষাৎকারে কথা বলেছেন গোলাম মুর্তজা। বর্তমানে তাদের অবস্থা খুবই করুণ জানিয়ে তিনি বলেন,“আমাদের নগদ টাকা-পয়সা কখনোই তেমন ছিল না। আমরা ধান্দাবাজি করে চলিনি। জমি-জমা ও খামার নিয়েই জীবন চলে। কেউ বলতে পারবে না, আমি বা আমার পরিবারের কেউ কোনো অনিয়মের সঙ্গে জড়িত।”