শিরোনাম

ইরানি জাহাজে ইউক্রেনের হামলার জবাব দিতে হবে: আরাগচি কোনো একসময় বাংলাদেশ ফুটবল বিশ্বকাপে খেলবে: ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী চট্টগ্রাম বোর্ডের স্থগিত এইচএসসি পরীক্ষা শুরু হচ্ছে আজ কলকাতার ধর্মতলায় হামলা: ১৪ জন গ্রেপ্তার, কড়া হুঁশিয়ারি শুভেন্দু অধিকারীর পদ্মা নদীর ভাঙনরোধে জিও ব্যাগ ফেলার কার্যক্রমের উদ্বোধন ও পরিদর্শন করলেন জামায়াত নেতা আব্দুল গফুর এমপি
ছবি: বিএমএফ টেলিভিশন।

লন্ডনে ওয়ার্ল্ড হিউম্যান রাইটস অর্গানাইজেশন ইউকের উদ্যোগে আন্তর্জাতিক প্রতিবাদ সমাবেশ

ওয়ার্ল্ড হিউম্যান রাইটস অর্গানাইজেশন ইউকের উদ্যোগে মঙ্গলবার বিকেল ৫টায় পূর্ব লন্ডনের ঐতিহাসিক আলতাব আলী পার্কে এক আন্তর্জাতিক প্রতিবাদ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। সম্প্রতি সংঘটিত রামিসা হত্যা, নারী ও শিশু নির্যাতন, ধর্ষণ, সাংবাদিক নির্যাতন এবং মানবাধিকার লঙ্ঘনের বিভিন্ন ঘটনার প্রতিবাদে এ সমাবেশের আয়োজন করা হয়।

সংগঠনের সভাপতি আশিকুল ইসলাম আশিকের সভাপতিত্বে এবং সাধারণ সম্পাদক লাভলু লস্কর , ড. আজিজুল আম্বিয়া ও জাকির হোসেন সেলিমের যৌথ সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত সমাবেশে যুক্তরাজ্যপ্রবাসী বাংলাদেশি কমিউনিটির বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার প্রতিনিধিরা অংশগ্রহণ করেন।

সমাবেশে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন বিবিসির সাবেক সাংবাদিক শামীম চৌধুরী। তিনি বলেন, একটি সভ্য ও গণতান্ত্রিক সমাজ প্রতিষ্ঠার জন্য মানবাধিকার, আইনের শাসন এবং মতপ্রকাশের স্বাধীনতা নিশ্চিত করা অত্যন্ত জরুরি। তিনি দেশে চলমান সহিংসতা, নারী নির্যাতন, সাংবাদিকদের ওপর হামলা এবং বিচারহীনতার সংস্কৃতি বন্ধে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের আহ্বান জানান।

বক্তারা বলেন, রামিসা হত্যাকাণ্ডসহ সাম্প্রতিক বিভিন্ন নৃশংস ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও দ্রুত বিচার নিশ্চিত করতে হবে। পাশাপাশি নারী ও শিশুদের নিরাপত্তা, মানবাধিকার সুরক্ষা এবং স্বাধীন সাংবাদিকতার পরিবেশ নিশ্চিত করার দাবি জানান তারা।

এ সময় বক্তব্য রাখেন মানবাধিকার কর্মী আব্দুল আহাদ চৌধুরী, আ.স.ম. মিসবা, মুজিবুল হক মনি, নাজমিন সুলতানা শিখা, মোহন মিয়া, আব্দুল কুদ্দুস, জহিরুল ইসলাম, হুমায়ুন কবীর, জামাল আহমদ, আংগুর আলী, জাকির হোসেন সেলিম, ফয়সল আহমদ,  আব্দুল হেলাল চৌধুরী সেলিম, মতব্বির হোসেন চুনু, হুমায়ুন কবির, আব্দুল জলিল চৌধুরী, আব্দুর রব, ছইল মিয়া, রিপোর্টার্স ইউনিটির সভাপতি অধ্যক্ষ সাহেদ রহমান, সাধারণ সম্পাদক আব্দুল বাছির, অ্যাডভোকেট বজলুর রশীদ, মুফতি আব্দুল ওদুদ, মুজিবুল হক মুজিব, ইমদাদুন খানম, জেসিকা চৌধুরী, রিপা আক্তার, শাহ লাভলী রহমান, জামিলা খানম, সাগর চৌধুরী মোহন, ময়না মিয়া, মকবুল হোসেন, নিজাম উদ্দিন, আব্দুস সাত্তার, নুরুল হক, মোহাম্মদ রুনু, সৈয়দ গোলাব মিয়া, আবুল হোসেন, একলিম মিয়া, নাজমুল হোসেন, জুবেল আহমদ বেলাল, শরীফ আলম, মো. গিয়াস উদ্দিন সোহাগ, সেলিম আহমেদ, রুমেল খান, মাসুম বিল্লাহ, আব্দুল হকসহ আরও অনেকে।

সমাবেশ শেষে বক্তারা বিশ্বব্যাপী মানবাধিকার রক্ষা, বৈষম্য ও নিপীড়নের বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ জনমত গড়ে তোলা এবং গণমানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠায় আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে আরও সক্রিয় ভূমিকা পালনের আহ্বান জানান। একই সঙ্গে তারা সকল ধরনের হত্যা, ধর্ষণ, নির্যাতন ও মানবাধিকার লঙ্ঘনের বিরুদ্ধে সোচ্চার থাকার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।

বিনোদন

ছবি: সংগৃহীত।

‘পথের পাঁচালী’ দেখে মুগ্ধ ক্রিস্টোফার নোলান

হলিউডের অস্কারজয়ী খ্যাতনামা পরিচালক ক্রিস্টোফার নোলান আবারও ভারতীয় চলচ্চিত্রের প্রতি তার গভীর অনুরাগ ও শ্রদ্ধার কথা প্রকাশ করলেন। এবার তার প্রশংসায় ভেসেছেন বিশ্ববরেণ্য বাঙালি চলচ্চিত্রকার সত্যজিৎ রায়। 

সম্প্রতি নিউইয়র্কের বিখ্যাত ‘ক্রাইটেরিয়ন ক্লোজেট’ পরিদর্শনের সময় নোলান সত্যজিৎ রায়ের কালজয়ী ‘অপু ট্রিলজি’ নিজের জন্য বেছে নেন এবং চলচ্চিত্রে সত্যজিৎ রায়ের অবদানের কথা তুলে ধরেন। 

‘ক্রাইটেরিয়ন ক্লোজেট’ মূলত ক্রাইটেরিয়ন কালেকশনের একটি সুপরিচিত আর্কাইভ, যেখানে বিশ্বমানের ১,০০০টিরও বেশি কালজয়ী ক্লাসিক সিনেমা সংরক্ষিত রয়েছে। সারাবিশ্ব থেকে আসা খ্যাতনামা নির্মাতা, অভিনেতা ও শিল্পীরা প্রায়শই এই কক্ষে ঘুরে বেড়ান এবং যেসব সিনেমা তাদের অনুপ্রাণিত করেছে, সেগুলো নিয়ে স্মৃতিচারণ করেন।

ক্রাইটেরিয়ন কালেকশনের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে (সাবেক টুইটার) শেয়ার করা একটি ভিডিওতে নোলানকে তাকগুলো ঘুরে দেখতে দেখা যায়। এক পর্যায়ে তিনি ‘দি অপু ট্রিলজি’-র বক্সে এসে থামেন। 

সত্যজিৎ রায়ের প্রশংসা করে নোলান বলেন, ‘এরপর রয়েছে ভারতের অন্যতম সেরা চলচ্চিত্রকার সত্যজিৎ রায়ের ‘দি অপু ট্রিলজি’। এই ট্রিলজির সূচনা ‘পথের পাঁচালী’ দিয়ে, যা এক কথায় অসাধারণ এক চলচ্চিত্র। এটি দেখার পর আমি পুরো মুগ্ধ হয়ে গিয়েছিলাম। ট্রিলজির দ্বিতীয় ও তৃতীয় পর্ব দুটি আমার এখনো দেখা হয়ে ওঠেনি। তাই এই সংগ্রহটি সঙ্গে নিয়ে গল্পটি শেষ করার জন্য আমি বেশ মুখিয়ে আছি।’ 

১৯৫৫ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত ‘পথের পাঁচালী’ হলো অপু ট্রিলজির প্রথম সিনেমা। বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিখ্যাত উপন্যাস অবলম্বনে নির্মিত বাংলা ভাষার এই চলচ্চিত্রে গ্রামীণ বাংলায় এক দরিদ্র পরিবারে বেড়ে ওঠা ছোট্ট অপুর জীবনসংগ্রাম ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। অতি সাধারণ অথচ বাস্তবধর্মী গল্পবলার শৈলী এবং গভীর আবেগের জন্য চলচ্চিত্রটি বিশ্বজুড়ে বিপুল প্রশংসিত হয়। আজও এটি পৃথিবীর সর্বকালের সেরা চলচ্চিত্রগুলোর অন্যতম হিসেবে বিবেচিত। 

পরবর্তীতে অপুর শৈশব থেকে শুরু করে কৈশোর ও প্রাপ্তবয়স্ক জীবনের নানা অধ্যায় নিয়ে ১৯৫৬ সালে ‘অপরাজিত’ এবং ১৯৫৯ সালে ‘অপুর সংসার’ মুক্তির মাধ্যমে এই ট্রিলজিটি সম্পূর্ণ হয়। 


 

খেলা

ছবি: সংগৃহীত।

কোনো একসময় বাংলাদেশ ফুটবল বিশ্বকাপে খেলবে: ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী

কোনো এক সময় বাংলাদেশ ফুটবল বিশ্বকাপে খেলবে, সেই স্বপ্ন দেখেন বলে জানিয়েছেন যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী মো. আমিনুল হক। দেশের ফুটবল অঙ্গনের সমস্যাগুলোর সমাধানের জন্য কাজ শুরু হয়েছে বলেও জানিয়েছেন তিনি।

রোববার (২৬ জুলাই) সচিবালয়ে তথ্য অধিদপ্তরের সম্মেলন কক্ষে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন। অনুষ্ঠানে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন উপস্থিত ছিলেন।

এ সময় বিনা খরচে সরকার থেকে বিশ্বকাপ সম্প্রচার করায় দেশবাসী ও ফুটবলপ্রেমীদের পক্ষ থেকে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়কে ধন্যবাদ ও শুভেচ্ছা জানান যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী।

বাংলাদেশ কবে বিশ্বকাপ ফুটবল খেলবে- এ প্রশ্নের জবাবে প্রতিমন্ত্রী বলেন, এটি বাংলাদেশের ফুটবলের জন্য, অনেক বড় একটি উৎসাহের জায়গা, উদ্দীপনার জায়গা। বাংলাদেশের মানুষ, ফুটবলপ্রেমী মানুষ যেভাবে ব্রাজিল কিংবা আর্জেন্টিনার ভক্ত, আমার দেশ কবে খেলবে? আমার বাংলাদেশকে কবে সাপোর্ট করবে? আমিও আপনার সঙ্গে একমত, আমিও সেই স্বপ্ন দেখি, সেই প্রত্যাশা করি।

তিনি বলেন, আমি কোনো ডেট দিব না বা আমি বলব না যে ১০ বছর পরে বা ১২ বছর পরে। আমি যখন খেলোয়াড় ছিলাম তখন অনেক বিষয় নিয়ে কথা বলেছি, আমরাই বলেছি আমাদের অনেক সীমাবদ্ধতা রয়েছে, আমাদের এই সুযোগ-সুবিধা দরকার। এখন আমার নিজের ঘাড়ে যখন দায়িত্ব পড়েছে, তখন আমি সেই সমস্যাগুলোর সমাধানের জন্য কাজ শুরু করেছি এবং আপনারা দেখতে পাচ্ছেন যে দৃশ্যমান অনেক কিছু আসছে।

প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, আমরা যেহেতু জিরো থেকে শুরু করেছি, আমাদের বাংলাদেশের এই ফুটবলপ্রেমী, ফুটবল পাগল এই দেশ, আশা করি কোনো না কোনো এক সময় অবশ্যই বিশ্ব ফুটবলের সর্বোচ্চ জায়গায় পৌঁছাবে। সেই শুরুটা যেহেতু আমরা করতে পেরেছি, সেই শুরু থেকে আমি বলব হয়ত ১০ বছর কিংবা তার চেয়ে বেশি কিংবা ২০ বছর বা কোনো এক সময় বাংলাদেশ বিশ্বকাপ ফুটবল খেলবে-সেই স্বপ্নটা আমিও দেখি।