শিরোনাম

ফ্রান্স স্কোয়াডে কোনো ‘ফরাসি খেলোয়াড়’ নেই: স্পেনের সাবেক প্রধানমন্ত্রী টানা বৃষ্টির প্রভাব বাজারে : প্রায় সব সবজি ও মাছের দাম বেড়েছে দেশে বিদ্যুৎ উৎপাদন বেড়েছে ২শ’ মেগাওয়াট কুড়িগ্রামে ভারী বৃষ্টি ও বন্যায় ৩১৪ কোটি টাকার ফসলের ক্ষতি পাহাড়ি ঢলে প্লাবিত আখাউড়ার নিম্নাঞ্চল
ছবি: বিএমএফ টেলিভিশন।

লন্ডনে ওয়ার্ল্ড হিউম্যান রাইটস অর্গানাইজেশন ইউকের উদ্যোগে আন্তর্জাতিক প্রতিবাদ সমাবেশ

ওয়ার্ল্ড হিউম্যান রাইটস অর্গানাইজেশন ইউকের উদ্যোগে মঙ্গলবার বিকেল ৫টায় পূর্ব লন্ডনের ঐতিহাসিক আলতাব আলী পার্কে এক আন্তর্জাতিক প্রতিবাদ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। সম্প্রতি সংঘটিত রামিসা হত্যা, নারী ও শিশু নির্যাতন, ধর্ষণ, সাংবাদিক নির্যাতন এবং মানবাধিকার লঙ্ঘনের বিভিন্ন ঘটনার প্রতিবাদে এ সমাবেশের আয়োজন করা হয়।

সংগঠনের সভাপতি আশিকুল ইসলাম আশিকের সভাপতিত্বে এবং সাধারণ সম্পাদক লাভলু লস্কর , ড. আজিজুল আম্বিয়া ও জাকির হোসেন সেলিমের যৌথ সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত সমাবেশে যুক্তরাজ্যপ্রবাসী বাংলাদেশি কমিউনিটির বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার প্রতিনিধিরা অংশগ্রহণ করেন।

সমাবেশে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন বিবিসির সাবেক সাংবাদিক শামীম চৌধুরী। তিনি বলেন, একটি সভ্য ও গণতান্ত্রিক সমাজ প্রতিষ্ঠার জন্য মানবাধিকার, আইনের শাসন এবং মতপ্রকাশের স্বাধীনতা নিশ্চিত করা অত্যন্ত জরুরি। তিনি দেশে চলমান সহিংসতা, নারী নির্যাতন, সাংবাদিকদের ওপর হামলা এবং বিচারহীনতার সংস্কৃতি বন্ধে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের আহ্বান জানান।

বক্তারা বলেন, রামিসা হত্যাকাণ্ডসহ সাম্প্রতিক বিভিন্ন নৃশংস ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও দ্রুত বিচার নিশ্চিত করতে হবে। পাশাপাশি নারী ও শিশুদের নিরাপত্তা, মানবাধিকার সুরক্ষা এবং স্বাধীন সাংবাদিকতার পরিবেশ নিশ্চিত করার দাবি জানান তারা।

এ সময় বক্তব্য রাখেন মানবাধিকার কর্মী আব্দুল আহাদ চৌধুরী, আ.স.ম. মিসবা, মুজিবুল হক মনি, নাজমিন সুলতানা শিখা, মোহন মিয়া, আব্দুল কুদ্দুস, জহিরুল ইসলাম, হুমায়ুন কবীর, জামাল আহমদ, আংগুর আলী, জাকির হোসেন সেলিম, ফয়সল আহমদ,  আব্দুল হেলাল চৌধুরী সেলিম, মতব্বির হোসেন চুনু, হুমায়ুন কবির, আব্দুল জলিল চৌধুরী, আব্দুর রব, ছইল মিয়া, রিপোর্টার্স ইউনিটির সভাপতি অধ্যক্ষ সাহেদ রহমান, সাধারণ সম্পাদক আব্দুল বাছির, অ্যাডভোকেট বজলুর রশীদ, মুফতি আব্দুল ওদুদ, মুজিবুল হক মুজিব, ইমদাদুন খানম, জেসিকা চৌধুরী, রিপা আক্তার, শাহ লাভলী রহমান, জামিলা খানম, সাগর চৌধুরী মোহন, ময়না মিয়া, মকবুল হোসেন, নিজাম উদ্দিন, আব্দুস সাত্তার, নুরুল হক, মোহাম্মদ রুনু, সৈয়দ গোলাব মিয়া, আবুল হোসেন, একলিম মিয়া, নাজমুল হোসেন, জুবেল আহমদ বেলাল, শরীফ আলম, মো. গিয়াস উদ্দিন সোহাগ, সেলিম আহমেদ, রুমেল খান, মাসুম বিল্লাহ, আব্দুল হকসহ আরও অনেকে।

সমাবেশ শেষে বক্তারা বিশ্বব্যাপী মানবাধিকার রক্ষা, বৈষম্য ও নিপীড়নের বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ জনমত গড়ে তোলা এবং গণমানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠায় আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে আরও সক্রিয় ভূমিকা পালনের আহ্বান জানান। একই সঙ্গে তারা সকল ধরনের হত্যা, ধর্ষণ, নির্যাতন ও মানবাধিকার লঙ্ঘনের বিরুদ্ধে সোচ্চার থাকার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।

বিনোদন

ছবি: সংগৃহীত।

বিশ্বকাপের ফাইনালে তারকাবহুল হাফটাইম শো, পারফর্ম করবেন যারা

২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপের ফাইনাল ম্যাচে প্রথমবারের মতো আয়োজন করা হচ্ছে সুপার বোলের আদলে হাফটাইম শো। আগামী ১৯ জুলাই নিউইয়র্কে অনুষ্ঠিতব্য এই বিশেষ আয়োজনে পারফর্ম করবেন কানাডীয় পপ তারকা জাস্টিন বিবার। তার সঙ্গে মঞ্চে থাকবেন বিশ্বসংগীতের আরও কয়েকজন জনপ্রিয় শিল্পী—ম্যাডোনা, শাকিরা এবং দক্ষিণ কোরিয়ার কে-পপ ব্যান্ড বিটিএস।

ফিফা জানিয়েছে, ১১ মিনিটের এই হাফটাইম শো থেকে সংগৃহীত অর্থ ব্যয় করা হবে ফিফা গ্লোবাল সিটিজেন এডুকেশন ফান্ডে, যার লক্ষ্য বিশ্বজুড়ে শিশুদের শিক্ষায় ১০ কোটি ডলার সংগ্রহ করা।

এই আয়োজনে আরও অংশ নেবেন নাইজেরিয়ার সংগীতশিল্পী বার্না বয়, ভেনেজুয়েলার খ্যাতিমান কন্ডাক্টর গুস্তাভো দুদামেল, কোল্ডপ্লে-এর সহযোগিতায় পিএস২২ কোরাস এবং জনপ্রিয় শিশুতোষ অনুষ্ঠান সিসেম স্ট্রিট-এর চরিত্রগুলো।

বিশ্বকাপকে ঘিরে নিজের উচ্ছ্বাস প্রকাশ করে জাস্টিন বিবার বলেন, ফিফা বিশ্বকাপ এমন একটি আয়োজন, যা পৃথিবীর মানুষকে অন্য কিছুর মতো একত্রিত করতে পারে না।

চলতি বছরের বসন্তে ক্যালিফোর্নিয়ার কোচেলা উৎসবে চার বছর পর বড় মঞ্চে ফিরে আসেন বিবার। স্বাস্থ্যগত জটিলতার কারণে ‘জাস্টিস ওয়ার্ল্ড ট্যুর’ বাতিলের পর সেটিই ছিল তার সবচেয়ে বড় লাইভ পরিবেশনা।

বিশ্বকাপের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে পারফর্ম করা শাকিরা ও বার্না বয়ও আবার একসঙ্গে মঞ্চে উঠবেন। তাদের যৌথ গান ‘ডাই ডাই’ টুর্নামেন্টজুড়ে দর্শকদের মধ্যে ব্যাপক জনপ্রিয়তা পেয়েছে এবং বিভিন্ন স্টেডিয়ামে নিয়মিত বাজানো হচ্ছে।

এবারের বিশ্বকাপে প্রথমবারের মতো ৪৮টি দল অংশ নেয়। যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা ও মেক্সিকো যৌথভাবে আসরটির আয়োজন করলেও স্বাগতিক তিন দেশই ইতোমধ্যে বিদায় নিয়েছে।

বৃহস্পতিবার থেকে শুরু হচ্ছে কোয়ার্টার ফাইনালের লড়াই। প্রথম ম্যাচে ফ্রান্সের মুখোমুখি হবে মরক্কো। এরপর স্পেন-বেলজিয়াম, নরওয়ে-ইংল্যান্ড এবং বর্তমান চ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনা খেলবে সুইজারল্যান্ডের বিপক্ষে।

এদিকে গোল্ডেন বুটের দৌড়ে ৮ গোল নিয়ে শীর্ষে রয়েছেন আর্জেন্টিনার অধিনায়ক লিওনেল মেসি। তার পেছনে ৭টি করে গোল নিয়ে রয়েছেন ফ্রান্সের কিলিয়ান এমবাপ্পে ও নরওয়ের আর্লিং হলান্ড। ইংল্যান্ডের হ্যারি কেইনের গোল সংখ্যা ৬।


 

খেলা

ছবি: সংগৃহীত।

ফ্রান্স স্কোয়াডে কোনো ‘ফরাসি খেলোয়াড়’ নেই: স্পেনের সাবেক প্রধানমন্ত্রী

বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে স্পেন ও ফ্রান্সের গুরুত্বপূর্ণ লড়াইকে ঘিরে মাঠের উত্তেজনার পাশাপাশি শুরু হয়েছে তীব্র বাকযুদ্ধ। সেই বিতর্কে এবার জড়িয়ে পড়েছেন স্পেনের সাবেক প্রধানমন্ত্রী মারিয়ানো রাহয়।

২০১১ থেকে ২০১৮ সাল পর্যন্ত স্পেনের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করা রাহয় স্প্যানিশ সংবাদমাধ্যম এল দিবাতে-এ প্রকাশিত এক নিবন্ধে ফ্রান্স জাতীয় দল নিয়ে মন্তব্য করেন। তিনি লেখেন, ফিফা র্যাঙ্কিংয়ের শীর্ষে থাকা ফ্রান্সের দলে বিশ্বমানের খেলোয়াড় রয়েছে, তবে তার দাবি, দলে ‘কোনো ফরাসি খেলোয়াড় নেই’, তারপরও তারা দুর্দান্ত খেলছে।

রাহয়ের এই মন্তব্য প্রকাশের পর ফ্রান্সে ব্যাপক সমালোচনার সৃষ্টি হয়। দেশটির বিভিন্ন রাজনৈতিক নেতা তার বক্তব্যকে বর্ণবাদী ও বিভাজনমূলক বলে আখ্যা দেন।

ফ্রান্সের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী লরাঁ নুনেজ রোববার বিএফএম টিভিতে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে বলেন, রাহয়ের মন্তব্য কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। তার ভাষ্য, ফ্রান্স এমন একটি দেশ যেখানে বৈচিত্র্যই শক্তি, আর বিভিন্ন পটভূমির মানুষ সমানভাবে নিজেদের প্রতিষ্ঠিত করার সুযোগ পায়।

শুধু ফ্রান্সেই নয়, রাহয়ের বক্তব্যের সমালোচনা হয়েছে স্পেনেও। দেশটির পরিবহনমন্ত্রী অস্কার পুয়েন্তে তাকে কড়া ভাষায় আক্রমণ করে বলেন, এমন মন্তব্য একজন দায়িত্বশীল রাজনীতিকের সঙ্গে মানানসই নয়। পাশাপাশি তিনি রাহয়ের নিজেকে মধ্যপন্থী হিসেবে উপস্থাপনের দাবিও প্রশ্নবিদ্ধ করেন।

স্পেনের বর্তমান প্রধানমন্ত্রী পেদ্রো সানচেজও বিষয়টি নিয়ে প্রতিক্রিয়া জানান। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে তিনি বলেন, এখনও এমন মানুষ রয়েছেন যারা কোনো দেশের নাগরিকত্বকে পদবি, জন্মস্থান বা গায়ের রঙ দিয়ে বিচার করেন। অথচ প্রকৃত পরিচয় নির্ধারিত হওয়া উচিত দেশের প্রতি দায়বদ্ধতা, ভালোবাসা এবং অবদানের ভিত্তিতে। তিনি রাহয়ের মন্তব্যকে বিদেশিবিদ্বেষী বলে অভিহিত করেন।