শিরোনাম

দেশজুড়ে ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল ক্যাম্পেইন ২৮ জুন মক্কায় হিজরে ইসমাইলে প্রবেশের নতুন সময়সূচি ঘোষণা উপসাগরীয় দেশগুলোকে ইরান চুক্তির পক্ষে বোঝাবেন রুবিও বিশ্বকাপের সর্বোচ্চ গোলদাতার স্বীকৃতি মেসিরই প্রাপ্য: রোনালদো অ্যাপেক্স ফুটওয়্যারে চাকরির সুযোগ, বেতনসহ থাকছে অন্যান্য সুবিধা
ছবি: বিএমএফ টেলিভিশন।

লন্ডনে ওয়ার্ল্ড হিউম্যান রাইটস অর্গানাইজেশন ইউকের উদ্যোগে আন্তর্জাতিক প্রতিবাদ সমাবেশ

ওয়ার্ল্ড হিউম্যান রাইটস অর্গানাইজেশন ইউকের উদ্যোগে মঙ্গলবার বিকেল ৫টায় পূর্ব লন্ডনের ঐতিহাসিক আলতাব আলী পার্কে এক আন্তর্জাতিক প্রতিবাদ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। সম্প্রতি সংঘটিত রামিসা হত্যা, নারী ও শিশু নির্যাতন, ধর্ষণ, সাংবাদিক নির্যাতন এবং মানবাধিকার লঙ্ঘনের বিভিন্ন ঘটনার প্রতিবাদে এ সমাবেশের আয়োজন করা হয়।

সংগঠনের সভাপতি আশিকুল ইসলাম আশিকের সভাপতিত্বে এবং সাধারণ সম্পাদক লাভলু লস্কর , ড. আজিজুল আম্বিয়া ও জাকির হোসেন সেলিমের যৌথ সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত সমাবেশে যুক্তরাজ্যপ্রবাসী বাংলাদেশি কমিউনিটির বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার প্রতিনিধিরা অংশগ্রহণ করেন।

সমাবেশে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন বিবিসির সাবেক সাংবাদিক শামীম চৌধুরী। তিনি বলেন, একটি সভ্য ও গণতান্ত্রিক সমাজ প্রতিষ্ঠার জন্য মানবাধিকার, আইনের শাসন এবং মতপ্রকাশের স্বাধীনতা নিশ্চিত করা অত্যন্ত জরুরি। তিনি দেশে চলমান সহিংসতা, নারী নির্যাতন, সাংবাদিকদের ওপর হামলা এবং বিচারহীনতার সংস্কৃতি বন্ধে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের আহ্বান জানান।

বক্তারা বলেন, রামিসা হত্যাকাণ্ডসহ সাম্প্রতিক বিভিন্ন নৃশংস ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও দ্রুত বিচার নিশ্চিত করতে হবে। পাশাপাশি নারী ও শিশুদের নিরাপত্তা, মানবাধিকার সুরক্ষা এবং স্বাধীন সাংবাদিকতার পরিবেশ নিশ্চিত করার দাবি জানান তারা।

এ সময় বক্তব্য রাখেন মানবাধিকার কর্মী আব্দুল আহাদ চৌধুরী, আ.স.ম. মিসবা, মুজিবুল হক মনি, নাজমিন সুলতানা শিখা, মোহন মিয়া, আব্দুল কুদ্দুস, জহিরুল ইসলাম, হুমায়ুন কবীর, জামাল আহমদ, আংগুর আলী, জাকির হোসেন সেলিম, ফয়সল আহমদ,  আব্দুল হেলাল চৌধুরী সেলিম, মতব্বির হোসেন চুনু, হুমায়ুন কবির, আব্দুল জলিল চৌধুরী, আব্দুর রব, ছইল মিয়া, রিপোর্টার্স ইউনিটির সভাপতি অধ্যক্ষ সাহেদ রহমান, সাধারণ সম্পাদক আব্দুল বাছির, অ্যাডভোকেট বজলুর রশীদ, মুফতি আব্দুল ওদুদ, মুজিবুল হক মুজিব, ইমদাদুন খানম, জেসিকা চৌধুরী, রিপা আক্তার, শাহ লাভলী রহমান, জামিলা খানম, সাগর চৌধুরী মোহন, ময়না মিয়া, মকবুল হোসেন, নিজাম উদ্দিন, আব্দুস সাত্তার, নুরুল হক, মোহাম্মদ রুনু, সৈয়দ গোলাব মিয়া, আবুল হোসেন, একলিম মিয়া, নাজমুল হোসেন, জুবেল আহমদ বেলাল, শরীফ আলম, মো. গিয়াস উদ্দিন সোহাগ, সেলিম আহমেদ, রুমেল খান, মাসুম বিল্লাহ, আব্দুল হকসহ আরও অনেকে।

সমাবেশ শেষে বক্তারা বিশ্বব্যাপী মানবাধিকার রক্ষা, বৈষম্য ও নিপীড়নের বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ জনমত গড়ে তোলা এবং গণমানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠায় আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে আরও সক্রিয় ভূমিকা পালনের আহ্বান জানান। একই সঙ্গে তারা সকল ধরনের হত্যা, ধর্ষণ, নির্যাতন ও মানবাধিকার লঙ্ঘনের বিরুদ্ধে সোচ্চার থাকার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।

বিনোদন

ছবি: সংগৃহীত।

আলিয়া-অনন্যার পথেই হাঁটলেন শ্রদ্ধা কাপুর

বিনোদন জগতের তারকারা একটু পরিচিতি পেলেই মা-বাবার বাড়ি ছেড়ে আলাদা থাকার বন্দোবস্ত করেন। বিশেষ করে তারকার সন্তানরা প্রাপ্তবয়স্ক হলেই মা-বাবার বাড়ি ছেড়ে নিজেদের আস্তানা গুছিয়ে নেন। এই চল রয়েছে পশ্চিমা দেশগুলোতে। এখন সেই একই ধারা বহুল মাত্রায় শুরু হয়েছে বলিউডেও। 

অভিনেত্রী আলিয়া ভাট ও অনন্যা পান্ডে তো আগেই বাবা-মায়ের বাড়ি ছেড়ে আলাদা থাকতে শুরু করেছেন। এবার সেই একই পথ ধরলেন আরেক বলিউড অভিনেত্রী শ্রদ্ধা কাপুর। এতদিন তিনি মা-বাবা ও দাদার সঙ্গে একই বাড়িতে থাকলেও এবার জুহুর কাছে একটি আবাসনে বাড়ি ভাড়া নিয়েছেন ‘স্ত্রী ২’ অভিনেত্রী। ওই একই বাড়িতে কিছু দিন আগে হৃতিক রোশন ভাড়া থাকতেন। এবার শ্রদ্ধা সেই বাড়িতে থাকবেন। 

ভারতীয় গণমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, শ্রদ্ধার নতুন প্রতিবেশীরা হলেন— খিলাড়িখ্যাত অভিনেতা অক্ষয় কুমার, সাজিয়া নাদিয়াদওয়ালা। ইতোমধ্যে নিজের মতো বাড়ি সাজিয়ে নিয়েছেন অভিনেত্রী।

যদিও এতদিন এই নায়িকা বলে আসছিলেন, তিনি পরিবারের সঙ্গেই থাকতে চান। তবে এখন এ বাড়িটিতে একাই থাকবেন শ্রদ্ধা। তার মা মাঝে মধ্যে এসে মেয়ের সঙ্গে থাকবেন। 

তবে আর্থিকভাবে স্বাবলম্বী হলেই মা-বাবার থেকে আলাদা থাকার চল আবার বলিউডের একাংশের পছন্দ নয়। 

সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে অভিনেতা বরুণ ধাওয়ান জানিয়েছেন, তিনি ব্যক্তিগত পরিসরের জন্য মা-বাবার থেকে আলাদা থাকায় বিশ্বাসী নন। এছাড়া একবার ঐশ্বরিয়া রাইকেও তির্যকভাবে প্রশ্ন করা হয়েছিল যে, তিনি কি এখনো মা-বাবার সঙ্গে একই বাড়িতে থাকেন? সেই সময় স্পষ্ট ভাষায় অভিনেত্রী উত্তর দিয়েছিলেন— ‘হ্যাঁ, মা-বাবার সঙ্গে দেখা করতে আমাদের আলাদা করে সময় নিতে হয় না।’  

উল্লেখ্য, শ্রদ্ধা কাপুর ‘স্ত্রী ২’ সিনেমার সাফল্যের পরেই আলাদা থাকার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। জানা গেছে শিগগিরই বিয়ের পিঁড়িতে বসবেন তিনি। 


 

খেলা

ছবি: সংগৃহীত।

যে অবিশ্বাস্য রেকর্ডে মিল আছে মেসি ও রোনালদোর

ফুটবল ইতিহাসের দুই মহাতারকা লিওনেল মেসি ও ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো দীর্ঘদিন ধরে প্রতিদ্বন্দ্বিতার প্রতীক হয়ে আছেন। তবে এবার বিশ্বকাপের মঞ্চে তারা এমন একটি বিরল রেকর্ডে একসঙ্গে নাম লিখিয়েছেন, যা তাদের অসাধারণ দীর্ঘ ক্যারিয়ারেরই প্রতিফলন।

বিশ্বকাপে কোনো খেলোয়াড়ের প্রথম ও সর্বশেষ গোলের মধ্যে সবচেয়ে দীর্ঘ সময়ের ব্যবধানের রেকর্ড এখন যৌথভাবে ধরে রেখেছেন মেসি ও রোনালদো। দুজনের ক্ষেত্রেই এই সময়ের ব্যবধান দাঁড়িয়েছে ২০ বছর ১১ দিন।

রোনালদো ২০০৬ সালের ১৭ জুন ইরানের বিপক্ষে ম্যাচে বিশ্বকাপে নিজের প্রথম গোল করেছিলেন। সম্প্রতি উজবেকিস্তানের বিপক্ষে গোল করে তিনি সেই গোলযাত্রাকে ২০ বছর ১১ দিনের ব্যবধানে পৌঁছে দেন।

অন্যদিকে, মেসি বিশ্বকাপে প্রথম গোলের দেখা পেয়েছিলেন ২০০৬ সালের ১৬ জুন সার্বিয়ার বিপক্ষে। পরে অস্ট্রিয়ার বিপক্ষে গোল করে তিনিও প্রথম ও সর্বশেষ গোলের মধ্যে একই ২০ বছর ১১ দিনের ব্যবধান স্পর্শ করেন।

দুই কিংবদন্তির এই পরিসংখ্যানগত মিল ফুটবলপ্রেমীদের কাছে বিশেষভাবে আলোচনার জন্ম দিয়েছে। দীর্ঘ সময় ধরে সর্বোচ্চ পর্যায়ে ধারাবাহিকতা বজায় রেখে খেলার বিরল উদাহরণও এটি।

শুধু এই রেকর্ডই নয়, বিশ্বকাপে আরেকটি বিশেষ অর্জনেও জায়গা করে নিয়েছেন মেসি ও রোনালদো। তারা এখন সেই ফুটবলারদের তালিকায় যুক্ত হয়েছেন, যারা নিজ দেশের হয়ে বিশ্বকাপে সবচেয়ে কম বয়সে এবং সবচেয়ে বেশি বয়সে গোল করার কৃতিত্ব দেখিয়েছেন।

এর আগে এই অনন্য অর্জনের তালিকায় একমাত্র নাম ছিল ডেনমার্কের কিংবদন্তি মাইকেল লাউড্রপের। এবার মেসি ও রোনালদোও সেই সম্মানজনক তালিকায় জায়গা করে নিয়েছেন।

বিশ্বকাপে আর্জেন্টিনার হয়ে মেসি প্রথম গোল করেছিলেন ১৮ বছর ৩৫৭ দিন বয়সে। আর অস্ট্রিয়ার বিপক্ষে তার সর্বশেষ গোলের সময় বয়স ছিল ৩৮ বছর ৩৬৩ দিন। অন্যদিকে, রোনালদো পর্তুগালের হয়ে প্রথম বিশ্বকাপ গোল করেন ২১ বছর ১৩২ দিন বয়সে এবং উজবেকিস্তানের বিপক্ষে সর্বশেষ গোল করার সময় তার বয়স ছিল ৪১ বছর ১৩৮ দিন।

একসময় মাঠের লড়াইয়ে মুখোমুখি থাকা এই দুই কিংবদন্তি এখন রেকর্ডের পাতায় পাশাপাশি অবস্থান করছেন। তাদের দীর্ঘস্থায়ী সাফল্য ও ধারাবাহিকতা ফুটবল ইতিহাসে বিশেষ স্থান করে নিয়েছে এবং ভবিষ্যতেও এটি স্মরণীয় হয়ে থাকবে।