শিরোনাম

মন্ত্রীর পদত্যাগের দাবি বাদ, ছয় দফা দাবি নিয়ে সচিবালয়ে ৬ শিক্ষার্থী উপসাগরীয় ৩ দেশে মার্কিন ঘাঁটি-স্থাপনায় ইরানের পালটা হামলা বাংলার পর্যটনশিল্পের নতুন মুখ সানি লিওন জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের দুই পরীক্ষা স্থগিত উত্তরায় শিক্ষার্থীদের সড়ক অবরোধ, যান চলাচল বন্ধ
ছবি: বিএমএফ টেলিভিশন।

লন্ডনে ওয়ার্ল্ড হিউম্যান রাইটস অর্গানাইজেশন ইউকের উদ্যোগে আন্তর্জাতিক প্রতিবাদ সমাবেশ

ওয়ার্ল্ড হিউম্যান রাইটস অর্গানাইজেশন ইউকের উদ্যোগে মঙ্গলবার বিকেল ৫টায় পূর্ব লন্ডনের ঐতিহাসিক আলতাব আলী পার্কে এক আন্তর্জাতিক প্রতিবাদ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। সম্প্রতি সংঘটিত রামিসা হত্যা, নারী ও শিশু নির্যাতন, ধর্ষণ, সাংবাদিক নির্যাতন এবং মানবাধিকার লঙ্ঘনের বিভিন্ন ঘটনার প্রতিবাদে এ সমাবেশের আয়োজন করা হয়।

সংগঠনের সভাপতি আশিকুল ইসলাম আশিকের সভাপতিত্বে এবং সাধারণ সম্পাদক লাভলু লস্কর , ড. আজিজুল আম্বিয়া ও জাকির হোসেন সেলিমের যৌথ সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত সমাবেশে যুক্তরাজ্যপ্রবাসী বাংলাদেশি কমিউনিটির বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার প্রতিনিধিরা অংশগ্রহণ করেন।

সমাবেশে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন বিবিসির সাবেক সাংবাদিক শামীম চৌধুরী। তিনি বলেন, একটি সভ্য ও গণতান্ত্রিক সমাজ প্রতিষ্ঠার জন্য মানবাধিকার, আইনের শাসন এবং মতপ্রকাশের স্বাধীনতা নিশ্চিত করা অত্যন্ত জরুরি। তিনি দেশে চলমান সহিংসতা, নারী নির্যাতন, সাংবাদিকদের ওপর হামলা এবং বিচারহীনতার সংস্কৃতি বন্ধে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের আহ্বান জানান।

বক্তারা বলেন, রামিসা হত্যাকাণ্ডসহ সাম্প্রতিক বিভিন্ন নৃশংস ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও দ্রুত বিচার নিশ্চিত করতে হবে। পাশাপাশি নারী ও শিশুদের নিরাপত্তা, মানবাধিকার সুরক্ষা এবং স্বাধীন সাংবাদিকতার পরিবেশ নিশ্চিত করার দাবি জানান তারা।

এ সময় বক্তব্য রাখেন মানবাধিকার কর্মী আব্দুল আহাদ চৌধুরী, আ.স.ম. মিসবা, মুজিবুল হক মনি, নাজমিন সুলতানা শিখা, মোহন মিয়া, আব্দুল কুদ্দুস, জহিরুল ইসলাম, হুমায়ুন কবীর, জামাল আহমদ, আংগুর আলী, জাকির হোসেন সেলিম, ফয়সল আহমদ,  আব্দুল হেলাল চৌধুরী সেলিম, মতব্বির হোসেন চুনু, হুমায়ুন কবির, আব্দুল জলিল চৌধুরী, আব্দুর রব, ছইল মিয়া, রিপোর্টার্স ইউনিটির সভাপতি অধ্যক্ষ সাহেদ রহমান, সাধারণ সম্পাদক আব্দুল বাছির, অ্যাডভোকেট বজলুর রশীদ, মুফতি আব্দুল ওদুদ, মুজিবুল হক মুজিব, ইমদাদুন খানম, জেসিকা চৌধুরী, রিপা আক্তার, শাহ লাভলী রহমান, জামিলা খানম, সাগর চৌধুরী মোহন, ময়না মিয়া, মকবুল হোসেন, নিজাম উদ্দিন, আব্দুস সাত্তার, নুরুল হক, মোহাম্মদ রুনু, সৈয়দ গোলাব মিয়া, আবুল হোসেন, একলিম মিয়া, নাজমুল হোসেন, জুবেল আহমদ বেলাল, শরীফ আলম, মো. গিয়াস উদ্দিন সোহাগ, সেলিম আহমেদ, রুমেল খান, মাসুম বিল্লাহ, আব্দুল হকসহ আরও অনেকে।

সমাবেশ শেষে বক্তারা বিশ্বব্যাপী মানবাধিকার রক্ষা, বৈষম্য ও নিপীড়নের বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ জনমত গড়ে তোলা এবং গণমানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠায় আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে আরও সক্রিয় ভূমিকা পালনের আহ্বান জানান। একই সঙ্গে তারা সকল ধরনের হত্যা, ধর্ষণ, নির্যাতন ও মানবাধিকার লঙ্ঘনের বিরুদ্ধে সোচ্চার থাকার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।

বিনোদন

ছবি: সংগৃহীত।

বাংলার পর্যটনশিল্পের নতুন মুখ সানি লিওন

সানি লিওন নাকি মন্দারমণিতে।— এমন খবরে নেটিজেনদের মাঝে শোরগোল। একবার পছন্দের অভিনেত্রীর দর্শন কি পেতে পারেন তার ভক্ত-অনুরাগীরা? এ নিয়ে সামাজিক মাধ্যমে যখন আলোচনা চলছে, ঠিক তখনই অভিনেত্রী একের পর এক পোস্ট দিতে থাকেন। দিঘায় পর্যটকদের ভিড় বাড়ার সঙ্গে সঙ্গেই বেড়েছে মন্দারমণির জনপ্রিয়তা। ভাবুন তো, একবার সেখানে গিয়েই যদি দেখা মেলে আপনার পছন্দের অভিনেত্রী সানি লিওনের, তাহলে কেমন হয়?

সামাজিক মাধ্যমে সানি লিওনের করা সেই মন্তব্য থেকে বাড়ছে সবার আগ্রহ। পরিবার হোক কিংবা বন্ধু অথবা কাছের মানুষ— একান্তে সময় কাটাতে মন্দারমণির কোনো বিকল্প নেই৷ সানি লিওনের পরের সিনেমার শুটিং হওয়ার কথা সেই মন্দারমণিতেই। গাড়ি নিয়ে ঘণ্টা চারেকের সফরে বেরিয়ে পড়লেই পৌঁছে যাওয়া যায় সমুদ্রতীরে। নির্জন সৈকতে বসে ঢেউয়ের শব্দ শোনার মতো শান্তি যেন অন্য কোথাও মেলে না।

মন্দারমণি সফর নিয়ে অভিনেত্রী সানি লিওন নিজেই জল্পনা উসকে দিয়েছেন। সামাজিক মাধ্যমের পাতায় তার একটি ছবি ঘিরে শোরগোল। কচি কলাপাতা রঙের ব্রালেটের ওপর সবুজ রঙের প্রিন্টেড শ্রাগ আর কো-অর্ড হট প্যান্ট। চোখে সানগ্লাস আর উঁচু করে বাঁধা বেণি। সমুদ্রের ধারে পোজ দিয়ে ছবি তোলেন সানি লিওন। অন্য একটি ছবিতে লিখেছেন— ‘মন্দারমণি মুড’।

তবে কি সানি লিওন তার পরবর্তী সিনেমার শুটিয়ে আসবেন মন্দারমণিতে? এ প্রশ্নই ঘুরপাক খাচ্ছিল সামাজিক মাধ্যমে নেটিজেনদের মধ্যে। তবে তিনি যে সমুদ্র পছন্দ করেন, তা তার ভক্ত-অনুরাগীরা জানেন। একাধিকবার তাকে সমুদ্রতটে পোজ দিয়ে ছবি পোস্ট করতে দেখা গেছে। কখনো রঙিন বিকিনিতে, আবার কখনো স্নানপোশাকে অভিনেত্রী যে সমুদ্র-প্রিয়, তা বুঝিয়েছেন বারবার। সামাজিক মাধ্যমের পাতায় তার রৌদ্রস্নানের ছবিও ভাইরাল হয়েছিল অনেকবার। ভক্ত-অনুরাগীরা নানা মন্তব্যে ভরিয়ে দিয়েছেন সামাজিক মাধ্যম। কেউ কেউ আবার মজা করে লিখেছেন— সানি লিওনই নাকি পশ্চিমবঙ্গে পর্যটনশিল্পের নতুন মুখ হতে চলেছেন।


 

খেলা

ছবি: সংগৃহীত।

কোন ভুলে হেরেছে ফ্রান্স, জানালেন এমবাপ্পে

বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে স্পেনের কাছে ২-০ গোলে হেরে বিদায় নিয়েছে ফ্রান্স। ম্যাচশেষে পরাজয়ের কারণ ব্যাখ্যা করেছেন দলের অধিনায়ক কিলিয়ান এমবাপ্পে। তার মতে, কৌশলগত পরিকল্পনা বাস্তবায়নে ব্যর্থতা এবং মিডফিল্ডে স্পেনের আধিপত্যই ফ্রান্সের হারের অন্যতম কারণ।

মঙ্গলবার ম্যাচশেষে ফরাসি সম্প্রচারমাধ্যম এম৬-কে এমবাপ্পে বলেন, আমরা যে ম্যাচ খেলতে চেয়েছিলাম, তা খেলতে পারিনি। কৌশলগত, কারিগরি এবং সামগ্রিক পারফরম্যান্স— সব দিক থেকেই আমরা পিছিয়ে ছিলাম। বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে নিজের কাজ ঠিকভাবে না করলে জেতা যায় না।

ফরাসি তারকা জানান, স্পেনকে শুরু থেকেই উচ্চ প্রেসিংয়ের মাধ্যমে চাপে রাখার পরিকল্পনা ছিল ফ্রান্সের। কিন্তু সেই পরিকল্পনা কার্যকর করতে পারেনি দল।

এমবাপ্পে বলেন, ‘ওদের নিজেদের ছন্দে খেলতে না দেওয়াই ছিল আমাদের লক্ষ্য। কিন্তু আমরা তা করতে ব্যর্থ হয়েছি। বলের নিয়ন্ত্রণে তারা আমাদের চেয়ে ভালো ছিল।’

ম্যাচের টার্নিং পয়েন্ট হিসেবে মিডফিল্ডের লড়াইকে চিহ্নিত করেছেন ফ্রান্সের অধিনায়ক, ‘আমরা বারবার মিডফিল্ডে ৩ বনাম ২ পরিস্থিতিতে পড়েছি। স্পেনের মতো দলের বিপক্ষে এটি বড় সমস্যা। শেষ পর্যন্ত সেটাই আমাদের হারিয়ে দিয়েছে।’

টানা তৃতীয়বারের মতো বিশ্বকাপের ফাইনালে ওঠার স্বপ্ন ভেঙে যাওয়ায় হতাশা প্রকাশ করেন এমবাপ্পে। তবে এই ব্যর্থতা থেকে শিক্ষা নিয়ে আবারও ঘুরে দাঁড়াতে চান, ‘এ মুহূর্তে হতাশা অনেক বেশি। কিন্তু ফুটবল কারও জন্য অপেক্ষা করে না। আমাদের আবার নতুন করে শুরু করতে হবে এবং এ পরাজয় থেকে শিক্ষা নিতে হবে।’