শিরোনাম

বিশ্বে ভারতের গ্রহণযোগ্যতা ও সম্মান বাড়ছে: মোদি ২২৮ রানের লিড নিয়ে প্রথম ইনিংস শেষ বাংলাদেশের মানুষের হৃদয়ে চিরকাল বেঁচে থাকবেন আল্লামা দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদী: ডা. শফিকুর রহমান গৃহবধূ থেকে আপসহীন নেত্রী বেগম খালেদা জিয়া সামিট এফএসআরইউ থেকে গ্যাস সরবরাহ শুরু
ছবি: বিএমএফ টেলিভিশন।

লন্ডনে ওয়ার্ল্ড হিউম্যান রাইটস অর্গানাইজেশন ইউকের উদ্যোগে আন্তর্জাতিক প্রতিবাদ সমাবেশ

ওয়ার্ল্ড হিউম্যান রাইটস অর্গানাইজেশন ইউকের উদ্যোগে মঙ্গলবার বিকেল ৫টায় পূর্ব লন্ডনের ঐতিহাসিক আলতাব আলী পার্কে এক আন্তর্জাতিক প্রতিবাদ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। সম্প্রতি সংঘটিত রামিসা হত্যা, নারী ও শিশু নির্যাতন, ধর্ষণ, সাংবাদিক নির্যাতন এবং মানবাধিকার লঙ্ঘনের বিভিন্ন ঘটনার প্রতিবাদে এ সমাবেশের আয়োজন করা হয়।

সংগঠনের সভাপতি আশিকুল ইসলাম আশিকের সভাপতিত্বে এবং সাধারণ সম্পাদক লাভলু লস্কর , ড. আজিজুল আম্বিয়া ও জাকির হোসেন সেলিমের যৌথ সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত সমাবেশে যুক্তরাজ্যপ্রবাসী বাংলাদেশি কমিউনিটির বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার প্রতিনিধিরা অংশগ্রহণ করেন।

সমাবেশে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন বিবিসির সাবেক সাংবাদিক শামীম চৌধুরী। তিনি বলেন, একটি সভ্য ও গণতান্ত্রিক সমাজ প্রতিষ্ঠার জন্য মানবাধিকার, আইনের শাসন এবং মতপ্রকাশের স্বাধীনতা নিশ্চিত করা অত্যন্ত জরুরি। তিনি দেশে চলমান সহিংসতা, নারী নির্যাতন, সাংবাদিকদের ওপর হামলা এবং বিচারহীনতার সংস্কৃতি বন্ধে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের আহ্বান জানান।

বক্তারা বলেন, রামিসা হত্যাকাণ্ডসহ সাম্প্রতিক বিভিন্ন নৃশংস ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও দ্রুত বিচার নিশ্চিত করতে হবে। পাশাপাশি নারী ও শিশুদের নিরাপত্তা, মানবাধিকার সুরক্ষা এবং স্বাধীন সাংবাদিকতার পরিবেশ নিশ্চিত করার দাবি জানান তারা।

এ সময় বক্তব্য রাখেন মানবাধিকার কর্মী আব্দুল আহাদ চৌধুরী, আ.স.ম. মিসবা, মুজিবুল হক মনি, নাজমিন সুলতানা শিখা, মোহন মিয়া, আব্দুল কুদ্দুস, জহিরুল ইসলাম, হুমায়ুন কবীর, জামাল আহমদ, আংগুর আলী, জাকির হোসেন সেলিম, ফয়সল আহমদ,  আব্দুল হেলাল চৌধুরী সেলিম, মতব্বির হোসেন চুনু, হুমায়ুন কবির, আব্দুল জলিল চৌধুরী, আব্দুর রব, ছইল মিয়া, রিপোর্টার্স ইউনিটির সভাপতি অধ্যক্ষ সাহেদ রহমান, সাধারণ সম্পাদক আব্দুল বাছির, অ্যাডভোকেট বজলুর রশীদ, মুফতি আব্দুল ওদুদ, মুজিবুল হক মুজিব, ইমদাদুন খানম, জেসিকা চৌধুরী, রিপা আক্তার, শাহ লাভলী রহমান, জামিলা খানম, সাগর চৌধুরী মোহন, ময়না মিয়া, মকবুল হোসেন, নিজাম উদ্দিন, আব্দুস সাত্তার, নুরুল হক, মোহাম্মদ রুনু, সৈয়দ গোলাব মিয়া, আবুল হোসেন, একলিম মিয়া, নাজমুল হোসেন, জুবেল আহমদ বেলাল, শরীফ আলম, মো. গিয়াস উদ্দিন সোহাগ, সেলিম আহমেদ, রুমেল খান, মাসুম বিল্লাহ, আব্দুল হকসহ আরও অনেকে।

সমাবেশ শেষে বক্তারা বিশ্বব্যাপী মানবাধিকার রক্ষা, বৈষম্য ও নিপীড়নের বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ জনমত গড়ে তোলা এবং গণমানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠায় আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে আরও সক্রিয় ভূমিকা পালনের আহ্বান জানান। একই সঙ্গে তারা সকল ধরনের হত্যা, ধর্ষণ, নির্যাতন ও মানবাধিকার লঙ্ঘনের বিরুদ্ধে সোচ্চার থাকার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।

বিনোদন

ছবি: সংগৃহীত।

ডিভোর্সের মামলা তুলে নিলেন বিজয়ের স্ত্রী, রহস্যময় বার্তা তৃষার

দক্ষিণী সিনেমা ইন্ডাস্ট্রির সুপারস্টার তথা রাজনীতিবিদ বনে যাওয়া তামিলনাড়ুর মুখ্যমন্ত্রী থালাপতি বিজয়ের স্ত্রী সংগীতা সোরনালিঙ্গম এর মধ্যেই বিবাহবিচ্ছেদের মামলা প্রত্যাহার করে নিয়েছেন। এর চার দিন পরেই সামাজিক মাধ্যমে পরপর দুটি রহস্যময় পোস্ট করলেন অভিনেত্রী তৃষা কৃষ্ণন। আর তাতেই নতুন করে আলোচনায় উঠে এসেছে বিজয়-সংগীতার দাম্পত্যজীবন নিয়ে।

সদ্য সামাজিক মাধ্যম ইনস্টাগ্রাম স্টোরিতে একটি পোস্ট দিয়েছেন অভিনেত্রী তৃষা কৃষ্ণান। সেই পোস্টে একটি ইমোজি দিয়ে অভিনেত্রী লিখেছেন— এই বয়সে এত নাটক করা সত্যিই লজ্জাজনক। তারচেয়ে বরং টাকা রোজগার কর এবং শান্তিতে থাকো।

তবে কার উদ্দেশে কিংবা কোন পরিস্থিতির কথা মাথায় রেখে অভিনেত্রী এ বার্তা দিয়েছেন, তা স্পষ্ট করেননি তিনি। কিন্তু সামাজিক মাধ্যমে নেটিজেনদের অনুমান— সংগীতার বিবাহবিচ্ছেদ প্রত্যাহারের জেরেই এ পোস্ট দিয়েছেন তৃষা কৃষ্ণান।

এরপর আরও একটি স্টোরি শেয়ার করে নেন অভিনেত্রী। সেখানে তিনি লিখেছেন— একদিন যে জীবনের প্রার্থনা করেছিলে, সেই জীবনে ডুবে থাকার সৌভাগ্য আর কী হতে পারে। তৃষার এ দুই পোস্টের কোনোটিতেই বিজয় কিংবা সংগীতার নাম উল্লেখ করা হয়নি।

তবে সংগীতার বিবাহবিচ্ছেদের মামলা প্রত্যাহারের পর এ পোস্টগুলো প্রকাশ্যে আসায় সামাজিক মাধ্যমে নেটিজেনদের মাঝে শুরু হয়েছে নানা জল্পনা-কল্পনা। দীর্ঘদিন ধরেই বিজয়ের সঙ্গে তৃষার সম্পর্ক নিয়ে নানা গুঞ্জন ছড়িয়েছে। যদিও বিজয় কিংবা তৃষা— কেউ-ই প্রকাশ্যে সেই জল্পনা নিয়ে কোনো মন্তব্য করেননি।

উল্লেখ্য, চলতি বছরের ফেব্রুয়ারিতে বিবাহবিচ্ছেদের মামলা করেছিলেন থালাপতি বিজয়ের স্ত্রী  সংগীতা সোরনালিঙ্গম। বিয়ে হয় ১৯৯৯ সালে। তাদের দুই সন্তান রয়েছে— জেসন সঞ্জয় ও দিব্যা শাশা।

এর মধ্যেই তামিলনাড়ুর মুখ্যমন্ত্রীর আসনে বসেছেন থালাপতি বিজয়। সম্প্রতি বিবাহবিচ্ছেদের মামলা প্রত্যাহার করেন সংগীতা। আদালতের নির্দেশানুযায়ী, ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে হাজির হয়ে সংগীতা জানান যে, তিনি আর মামলাটি চালিয়ে যেতে চান না। এর পাশাপাশি মামলা প্রত্যাহারের আবেদনও জমা দেন তিনি।

বিজয়ের আইনজীবী সেই আবেদনের বিরোধিতা করেননি। এরপর আদালত সংগীতাকে মামলা প্রত্যাহারের অনুমতি দেন। তবে ভবিষ্যতে প্রয়োজন হলে নতুন করে মামলা করার সুযোগও রাখা হয়েছে। আদালতের নির্দেশে অবশ্য সংগীতার মামলা প্রত্যাহারের কারণ ব্যাখ্যা করা হয়নি।

খেলা

ছবি: সংগৃহীত।

২২৮ রানের লিড নিয়ে প্রথম ইনিংস শেষ বাংলাদেশের

তৃতীয় দিনের সকালের সেশনে হাসান মাহমুদ ও তাইজুল ইসলাম ফিরে গেলেন। তারপরও অনড় অবস্থানে মেহেদী হাসান মিরাজ। এবার তাসকিন আহমেদের সঙ্গে পেলেন দারুণ সঙ্গ। তার সঙ্গে প্রায় পঞ্চাশ ছোঁয়া জুটি গড়েছিলেন। লাঞ্চের পর প্রথম ওভারেই আউট হন মিরাজ। শেষ জুটিতে ৮ রান যোগ করে বাংলাদেশকে ২২৮ রানে লিড এনে দেন তাসকিন ও ইবাদত হোসেন। অস্ট্রেলিয়ার ১৯৮ রানের জবাবে তারা ১৩৮ ওভার খেলে ৪২৬ রানে অলআউট হয়েছে।

৬ উইকেটে ৩৫১ রানে দিন শুরু করেছিল বাংলাদেশ। প্রথম এক ঘণ্টার মধ্যে হাসান ও তাইজুল আউট হন। হাসানকে এলবিডব্লিউ করেন জশ হ্যাজলউড। তাইজুল তার বলেই ক্যামেরন গ্রিনের ক্যাচ হন। তারপর তাসকিন ও মিরাজ দ্বিতীয় সেশন পর্যন্ত জুটিকে টেনে নেন। প্রথম সেশনে ৬৬ রান তোলে বাংলাদেশ ২ উইকেটের বিনিময়ে।

লাঞ্চের আগে ১২৬তম ওভারে পঞ্চম বলে ১২তম টেস্ট ফিফটি করেন মিরাজ। অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে চলতি ইনিংসে বাংলাদেশের তৃতীয় ব্যাটার হিসেবে পঞ্চাশ ছোঁন তিনি। ড্রেসিংরুম থেকে তাকে করতালিতে অভিবাদন জানান সতীর্থরা।

৩২ রানে মিরাজ দিন শুরু করেন। ১১৭ বল খেলে ৫ চারে হাফ সেঞ্চুরি হয়েছে তার। ডারউইনের মারারা স্টেডিয়ামে বাংলাদেশের আধিপত্য তার হাতেই চলমান। ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়া একাদশের বিপক্ষে প্রস্তুতি ম্যাচে মিরাজ ১০৯ রানের এক ইনিংস খেলেছিলেন। সেই ম্যাচের দ্বিতীয় ইনিংসে ৫৪ রানে অলআউট হওয়া বাংলাদেশ এবার ছড়ি ঘুরাচ্ছে শক্তিশালী অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে।

তারপর ১২৯তম ওভারের প্রথম বলে কামিন্সের এক বাউন্সারে তাসকিন আহমেদের ব্যাটে লেগে বাউন্ডারি হয়। তাতে বাংলাদেশের স্কোর চারশ ছাড়ায়। বাংলাদেশের লিডও দুইশ ছাড়িয়ে গেছে। পরের বলেই একই জায়গায় তাসকিনকে জীবন দেন স্টিভেন স্মিথ। বলটা ধরতে পারলে টেস্টে সর্বোচ্চ ক্যাচ নেওয়ার রেকর্ডটি একার করে নিতে পারতেন তিনি।

৮ উইকেটে ৪১৭ রান করে প্রথম সেশনের সমাপ্তি টানে বাংলাদেশ। তারপর লাঞ্চ শেষে ফিরে চতুর্থ বলে হ্যাজলউডের পঞ্চম শিকার হন মিরাজ। অজি পেসার তার ৩০০তম টেস্ট উইকেট তুলে নেন। মিরাজ অ্যালেক ক্যারির গ্লাভসে ধরা পড়েন। ১৫৪ বলে ৫ চার ও ১ ছয়ে ৬৫ রান আসে তার ব্যাটে।

এই দিন বাংলাদেশের অবশিষ্ট চার উইকেটের সবগুলো নিয়েছেন হ্যাজলউড। ইবাদতকে (৭) ক্যারির ক্যাচ বানিয়ে নিজের ষষ্ঠ উইকেট নেন অজি পেসার।