শিরোনাম

এক মিনিটে সর্বাধিক স্টিল রিবার উৎপাদনে গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডস গড়েছে একেএস ‘পথের পাঁচালী’ দেখে মুগ্ধ ক্রিস্টোফার নোলান হজের প্রাথমিক নিবন্ধন শুরু ২৭ জুলাই, যেতে পারবেন না যারা পশ্চিম তীরে মসজিদে আগুন, ৮০ ফিলিস্তিনি গ্রেফতার এমএলএস অল-স্টার ম্যাচ থেকে ছিটকে গেলেন মেসি
ছবি: বিএমএফ টেলিভিশন।

লন্ডনে ওয়ার্ল্ড হিউম্যান রাইটস অর্গানাইজেশন ইউকের উদ্যোগে আন্তর্জাতিক প্রতিবাদ সমাবেশ

ওয়ার্ল্ড হিউম্যান রাইটস অর্গানাইজেশন ইউকের উদ্যোগে মঙ্গলবার বিকেল ৫টায় পূর্ব লন্ডনের ঐতিহাসিক আলতাব আলী পার্কে এক আন্তর্জাতিক প্রতিবাদ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। সম্প্রতি সংঘটিত রামিসা হত্যা, নারী ও শিশু নির্যাতন, ধর্ষণ, সাংবাদিক নির্যাতন এবং মানবাধিকার লঙ্ঘনের বিভিন্ন ঘটনার প্রতিবাদে এ সমাবেশের আয়োজন করা হয়।

সংগঠনের সভাপতি আশিকুল ইসলাম আশিকের সভাপতিত্বে এবং সাধারণ সম্পাদক লাভলু লস্কর , ড. আজিজুল আম্বিয়া ও জাকির হোসেন সেলিমের যৌথ সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত সমাবেশে যুক্তরাজ্যপ্রবাসী বাংলাদেশি কমিউনিটির বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার প্রতিনিধিরা অংশগ্রহণ করেন।

সমাবেশে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন বিবিসির সাবেক সাংবাদিক শামীম চৌধুরী। তিনি বলেন, একটি সভ্য ও গণতান্ত্রিক সমাজ প্রতিষ্ঠার জন্য মানবাধিকার, আইনের শাসন এবং মতপ্রকাশের স্বাধীনতা নিশ্চিত করা অত্যন্ত জরুরি। তিনি দেশে চলমান সহিংসতা, নারী নির্যাতন, সাংবাদিকদের ওপর হামলা এবং বিচারহীনতার সংস্কৃতি বন্ধে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের আহ্বান জানান।

বক্তারা বলেন, রামিসা হত্যাকাণ্ডসহ সাম্প্রতিক বিভিন্ন নৃশংস ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও দ্রুত বিচার নিশ্চিত করতে হবে। পাশাপাশি নারী ও শিশুদের নিরাপত্তা, মানবাধিকার সুরক্ষা এবং স্বাধীন সাংবাদিকতার পরিবেশ নিশ্চিত করার দাবি জানান তারা।

এ সময় বক্তব্য রাখেন মানবাধিকার কর্মী আব্দুল আহাদ চৌধুরী, আ.স.ম. মিসবা, মুজিবুল হক মনি, নাজমিন সুলতানা শিখা, মোহন মিয়া, আব্দুল কুদ্দুস, জহিরুল ইসলাম, হুমায়ুন কবীর, জামাল আহমদ, আংগুর আলী, জাকির হোসেন সেলিম, ফয়সল আহমদ,  আব্দুল হেলাল চৌধুরী সেলিম, মতব্বির হোসেন চুনু, হুমায়ুন কবির, আব্দুল জলিল চৌধুরী, আব্দুর রব, ছইল মিয়া, রিপোর্টার্স ইউনিটির সভাপতি অধ্যক্ষ সাহেদ রহমান, সাধারণ সম্পাদক আব্দুল বাছির, অ্যাডভোকেট বজলুর রশীদ, মুফতি আব্দুল ওদুদ, মুজিবুল হক মুজিব, ইমদাদুন খানম, জেসিকা চৌধুরী, রিপা আক্তার, শাহ লাভলী রহমান, জামিলা খানম, সাগর চৌধুরী মোহন, ময়না মিয়া, মকবুল হোসেন, নিজাম উদ্দিন, আব্দুস সাত্তার, নুরুল হক, মোহাম্মদ রুনু, সৈয়দ গোলাব মিয়া, আবুল হোসেন, একলিম মিয়া, নাজমুল হোসেন, জুবেল আহমদ বেলাল, শরীফ আলম, মো. গিয়াস উদ্দিন সোহাগ, সেলিম আহমেদ, রুমেল খান, মাসুম বিল্লাহ, আব্দুল হকসহ আরও অনেকে।

সমাবেশ শেষে বক্তারা বিশ্বব্যাপী মানবাধিকার রক্ষা, বৈষম্য ও নিপীড়নের বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ জনমত গড়ে তোলা এবং গণমানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠায় আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে আরও সক্রিয় ভূমিকা পালনের আহ্বান জানান। একই সঙ্গে তারা সকল ধরনের হত্যা, ধর্ষণ, নির্যাতন ও মানবাধিকার লঙ্ঘনের বিরুদ্ধে সোচ্চার থাকার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।

বিনোদন

ছবি: সংগৃহীত।

‘পথের পাঁচালী’ দেখে মুগ্ধ ক্রিস্টোফার নোলান

হলিউডের অস্কারজয়ী খ্যাতনামা পরিচালক ক্রিস্টোফার নোলান আবারও ভারতীয় চলচ্চিত্রের প্রতি তার গভীর অনুরাগ ও শ্রদ্ধার কথা প্রকাশ করলেন। এবার তার প্রশংসায় ভেসেছেন বিশ্ববরেণ্য বাঙালি চলচ্চিত্রকার সত্যজিৎ রায়। 

সম্প্রতি নিউইয়র্কের বিখ্যাত ‘ক্রাইটেরিয়ন ক্লোজেট’ পরিদর্শনের সময় নোলান সত্যজিৎ রায়ের কালজয়ী ‘অপু ট্রিলজি’ নিজের জন্য বেছে নেন এবং চলচ্চিত্রে সত্যজিৎ রায়ের অবদানের কথা তুলে ধরেন। 

‘ক্রাইটেরিয়ন ক্লোজেট’ মূলত ক্রাইটেরিয়ন কালেকশনের একটি সুপরিচিত আর্কাইভ, যেখানে বিশ্বমানের ১,০০০টিরও বেশি কালজয়ী ক্লাসিক সিনেমা সংরক্ষিত রয়েছে। সারাবিশ্ব থেকে আসা খ্যাতনামা নির্মাতা, অভিনেতা ও শিল্পীরা প্রায়শই এই কক্ষে ঘুরে বেড়ান এবং যেসব সিনেমা তাদের অনুপ্রাণিত করেছে, সেগুলো নিয়ে স্মৃতিচারণ করেন।

ক্রাইটেরিয়ন কালেকশনের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে (সাবেক টুইটার) শেয়ার করা একটি ভিডিওতে নোলানকে তাকগুলো ঘুরে দেখতে দেখা যায়। এক পর্যায়ে তিনি ‘দি অপু ট্রিলজি’-র বক্সে এসে থামেন। 

সত্যজিৎ রায়ের প্রশংসা করে নোলান বলেন, ‘এরপর রয়েছে ভারতের অন্যতম সেরা চলচ্চিত্রকার সত্যজিৎ রায়ের ‘দি অপু ট্রিলজি’। এই ট্রিলজির সূচনা ‘পথের পাঁচালী’ দিয়ে, যা এক কথায় অসাধারণ এক চলচ্চিত্র। এটি দেখার পর আমি পুরো মুগ্ধ হয়ে গিয়েছিলাম। ট্রিলজির দ্বিতীয় ও তৃতীয় পর্ব দুটি আমার এখনো দেখা হয়ে ওঠেনি। তাই এই সংগ্রহটি সঙ্গে নিয়ে গল্পটি শেষ করার জন্য আমি বেশ মুখিয়ে আছি।’ 

১৯৫৫ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত ‘পথের পাঁচালী’ হলো অপু ট্রিলজির প্রথম সিনেমা। বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিখ্যাত উপন্যাস অবলম্বনে নির্মিত বাংলা ভাষার এই চলচ্চিত্রে গ্রামীণ বাংলায় এক দরিদ্র পরিবারে বেড়ে ওঠা ছোট্ট অপুর জীবনসংগ্রাম ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। অতি সাধারণ অথচ বাস্তবধর্মী গল্পবলার শৈলী এবং গভীর আবেগের জন্য চলচ্চিত্রটি বিশ্বজুড়ে বিপুল প্রশংসিত হয়। আজও এটি পৃথিবীর সর্বকালের সেরা চলচ্চিত্রগুলোর অন্যতম হিসেবে বিবেচিত। 

পরবর্তীতে অপুর শৈশব থেকে শুরু করে কৈশোর ও প্রাপ্তবয়স্ক জীবনের নানা অধ্যায় নিয়ে ১৯৫৬ সালে ‘অপরাজিত’ এবং ১৯৫৯ সালে ‘অপুর সংসার’ মুক্তির মাধ্যমে এই ট্রিলজিটি সম্পূর্ণ হয়। 


 

খেলা

ছবি: সংগৃহীত।

এমএলএস অল-স্টার ম্যাচ থেকে ছিটকে গেলেন মেসি

বিশ্বকাপ শেষে আর্জেন্টিনা জাতীয় দলের সঙ্গে দেশে না ফিরে লিওনেল মেসি ক্লাবে যোগ দেবেন বলে প্রথমে জানা গিয়েছিল। তবে পরে পৃথক ফ্লাইটে জন্মভূমি রোজারিওতে ফেরেন আলবিসেলেস্তে মহাতারকা। বুয়েন্স আয়ার্সের স্থানীয় কিছু ম্যাচেও উপস্থিত হয়েছেন তিনি। এদিকে, বিশ্বকাপের টানা খেলার ধকল কাটাতে মেসি এমএলএস অল-স্টার ম্যাচে খেলবেন না।

আগামী বুধবার নর্থ ক্যারোলিনার শার্লটে মুখোমুখি হবে এমএলএস অল-স্টারস বনাম মেক্সিকোর লিগা এমএক্স অল-স্টারস। সেই ম্যাচে থাকছেন না ইন্টার মায়ামির অধিনায়ক মেসি। তার পাশাপাশি হুগো কুইপার্স, রদ্রিগো ডি পল ও এমবেকেজেলি এমবোকাজিও অল-স্টার ম্যাচ থেকে বাদ পড়েছেন।

এই চারজনের পরিবর্তে অল-স্টার দলে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে ইন্টার মায়ামির মিডফিল্ডার ইয়ানিক ব্রাইট, ভ্যাঙ্কুভার হোয়াইটক্যাপসের মিডফিল্ডার আন্দ্রেস কুবাস, হিউস্টন ডায়নামোর ফরোয়ার্ড গুইলার্মে এবং শিকাগো ফায়ারের ফরোয়ার্ড ফিলিপ জিঙ্কারনাগেলকে।

চলতি মৌসুমে ১২টি ম্যাচে শুরু থেকে খেলে ব্রাইট ইন্টার মায়ামিকে ৯টি জয়, ২টি হার ও ১টি ড্রয়ের রেকর্ড এনে দিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছেন। অন্যদিকে, হোয়াইটক্যাপসের হয়ে ১২ ম্যাচে কুবাসের রয়েছে ৩টি অ্যাসিস্ট। ডায়নামোর হয়ে নিজের প্রথম মৌসুমেই গুইলার্মে করেছেন ৮টি গোল ও ৫টি অ্যাসিস্ট। আর শিকাগো ফায়ারের হয়ে জিঙ্কারনাগেলের নামের পাশে রয়েছে ৫টি গোল ও ৭টি অ্যাসিস্ট।

অন্যদিকে, আসন্ন ম্যাচ থেকে সরে যাওয়া কুইপার্স অলস্টার দলে জায়গা পেয়েছেন শিকাগো ফায়ারের হয়ে দুর্দান্ত পারফরম্যান্সের সুবাদে। তবে সম্প্রতি তিনি মেক্সিকোর ক্লাব সিএফ মন্টেরেতে যোগ দেওয়ায় অল-স্টার ম্যাচে খেলবেন না। অন্যদিকে, ইন্টার মায়ামির মিডফিল্ডার ডি পলও আর্জেন্টিনার হয়ে বিশ্বকাপে খেলার পর মেসির পথ অনুসরণ করে বুধবারের এই আয়োজন থেকে সরে দাঁড়ালেন।

শিকাগো ফায়ারের ডিফেন্ডার এমবোকাজি চোটের কারণে ছিটকে গেছেন। দক্ষিণ আফ্রিকার এই ফুটবলারও সদ্য সমাপ্ত বিশ্বকাপে অংশ নিয়েছিলেন।