শিরোনাম

জন্মদিনেই বড় সুখবর পেলেন সাকিব আল হাসান জামায়াতের নতুন কর্মসূচি ঘোষণা  নাগরিকদের দ্রুত ইসরাইল ছাড়ার নির্দেশ চীনের এক ধাক্কায় জেট ফুয়েলের দাম বাড়ছে ৮০ শতাংশ অত্যাধুনিক এয়ার ডিফেন্স সিস্টেম কিনতে সরকারকে আইনি নোটিশ
ছবি: সংগৃহীত।

আ.লীগ সরকার পতনের দিন বঙ্গভবনে কী ঘটেছিল, জানালেন রাষ্ট্রপতি

রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন জানিয়েছেন, ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের আন্দোলনটা জনবিস্ফোরণে রূপ নেয়। সেদিন কেউই আঁচ করতে পারেনি যে কী হতে চলেছে। সম্প্রতি বঙ্গভবনে নিজ কার্যালয়ে বেসরকারি একটি গণমাধ্যমকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে রাষ্ট্রপতি সেই দিনের স্মৃতিচারণা করেন।


রাষ্ট্রপতি বলেন, ‘যখন বিক্ষোভকারীরা গণভবন অভিমুখে, তখন আমাকে জানানো হলো, যেকোনো মুহূর্তে প্রধানমন্ত্রী বঙ্গভবনে আসবেন। ১২টার সময় আমাকে জানানো হলো, উনি প্রস্তুতি নিচ্ছেন বঙ্গভবনে আসার। এর আগে আমরা আঁচই করতে পারিনি যে আসলে ঘটনা কী ঘটতে যাচ্ছে। তবে উনি যখন এখানে আসবেন বলছেন এবং হেলিকপ্টারও রেডি, তখন আমরা ঘটনার ভয়াবহতা সম্পর্কে ধারণা করতে পারি।’


‘এখানে সিকিউরিটি যারা ছিল, সবাই পজিশন নিয়ে নিল। দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে জানানো হলো, না, উনি আসছেন না। আসছেন না যখন জেনেছি, তখন আমরাও সতর্ক ছিলাম। কিছুক্ষণ পরেই শুনলাম, উনি দেশ ছেড়েছেন। একসময় জানতে পারলাম, উনি অলরেডি দেশের বাইরে চলে গেছেন। সব মিলিয়ে ৩০ থেকে ৪০ মিনিটের মধ্যে সামগ্রিক ঘটনাপ্রবাহের খুব দ্রুত পরিবর্তন দেখতে পাচ্ছিলাম।’


রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন বলেন, ‘সেদিন বিকেল ৩টার দিকে প্রথমে সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান আমাকে টেলিফোনে সব ঘটনা অবহিত করেন। সশস্ত্র বিভাগ থেকেও আমাকে জানানো হয়। পরে জানানো হলো, ওয়াকার সাহেব সাংবাদিকদের সামনে সম্পূর্ণ পরিস্থিতি নিয়ে একটা ব্রিফিং দেবেন।’


‘উনি ব্রিফিং দিলেন, আমরা টেলিভিশনে দেখলাম। উনি বললেন, প্রধানমন্ত্রী দেশত্যাগ করেছেন। তো দেশবাসী আশ্বস্ত হলো যে উনি অলরেডি দেশান্তরী হয়েছেন। তারপর আমাকে সেনাপ্রধান ফোন করে জানালেন যে তারা আসছেন। সেনাবাহিনী, নৌবাহিনী, বিমানবাহিনী প্রধান—তিনজনই বঙ্গভবনে এলেন। এসে আমার সঙ্গে উদ্ভূত সামগ্রিক পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনায় বসলেন।’
‘তখন আমাদের প্রায় কিংকর্তব্যবিমূঢ় অবস্থা। কী করা যায়, কিভাবে কী হবে—এসব নিয়ে আমরা আলোচনা করলাম প্রায় দুই থেকে তিন ঘণ্টা। সিদ্ধান্ত হলো, সব রাজনৈতিক দলের নেতৃবৃন্দকে ডাকা হবে। এই কাজে সেনাবাহিনীর টিম নিযুক্ত ছিল। তারপর উনারা চলে গেলেন। সেনা সদরে দেশের রাজনৈতিক দলের নেতৃবৃন্দকে একত্র করা হলো। বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নেতাদের মধ্যেও কেউ কেউ ছিল। তখন যাদের পাওয়া গেছে, তাদেরকে নিয়েই আবার তারা বঙ্গভবনে আসেন। আমরা আবার বৈঠকে বসি।’


‘বঙ্গভবনের এই বৈঠকে আমরা দেশের শান্তি ও স্থিতিশীলতার বিষয়টি সর্বাধিক গুরুত্ব দিয়েছি। কিভাবে, কোন ধরনের সিদ্ধান্ত নিলে দেশের মানুষকে স্বস্তি ফিরিয়ে দেওয়া যায়, সে বিষয়ে দীর্ঘ আলোচনার আয়োজন হয়। আমার সভাপতিত্বে সভা হলো। সেনাপ্রধান সঞ্চালনা করলেন। সেখানে তিনি পুরো পরিস্থিতির ব্যাখ্যা দিলেন।’


রাষ্ট্রপতি বলেন, ‘সেই বৈঠকে সম্মিলিতভাবে কয়েকটি প্রস্তাব আসে। বিশেষ করে, মূল তিনটি প্রস্তাব উত্থাপন করা হয়। এগুলো হলো—তত্ত্বাবধায়ক সরকার, সর্বদলীয় বা জাতীয় সরকার এবং অন্তর্বর্তী সরকার। যে নামেই ডাকা হোক না কেন, লক্ষ্য-উদ্দেশ্য থাকবে অভিন্ন। তত্ত্বাবধায়ক সরকার বললে হয়তো ওয়ান-ইলেভেনের মতো শোনায়। আবার সর্বদলীয় বা জাতীয় সরকার বললে দীর্ঘমেয়াদি সরকারও হয়ে যেতে পারে। তো, নানা বিবেচনায় আমাদের বিজ্ঞ রাজনীতিবিদরা সিদ্ধান্ত নেন যে অন্তর্বর্তী সরকারই গঠন করা উচিত।’


‘এই সিদ্ধান্ত হলো আর আমার ওপর দায়িত্ব পড়ল জাতির উদ্দেশে ভাষণ দিয়ে জাতিকে আশ্বস্ত করার। আর তারা নিজেদের মধ্যে আলোচনা করে সব ঠিক করবেন সরকারের গঠন প্রণালীটা। এই সিদ্ধান্ত হওয়ার পর প্রফেসর আসিফ নজরুল সাংবাদিকদের কাছে পরিস্থিতির অগ্রগতি তুলে ধরেন। আমাকে ভাষণ দিতে হলো রাত ১১টার সময়। আর অন্তর্বর্তী সরকার গঠন প্রক্রিয়া তাদের হাতে ছেড়ে দেওয়া হলো। সেনাবাহিনী এবং রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ আলাপ করে এটা করবেন। সেনাবাহিনী থাকবে, সহায়তা করবে সব কিছুতে।’
সূত্র : কালের কণ্ঠ।
 

বিনোদন

ছবি: সংগৃহীত।

স্টাইলিশ কাটটা ভীষণ পছন্দ হয়েছে : পূর্ণিমা

ঢাকাই চলচ্চিত্রের জনপ্রিয় চিত্রনায়িকা পূর্ণিমা আবারও নতুন লুকে ভক্তদের নজর কেড়েছেন। অভিনয়ের পাশাঢাকাই চলচ্চিত্রের জনপ্রিয় চিত্রনায়িকা পূর্ণিমা আবারও নতুন লুকে ভক্তদের নজর কেড়েছেন। অভিনয়ের পাশাপাশি ব্যক্তিজীবন ও স্টাইল স্টেটমেন্ট সবকিছু মিলিয়ে তিনি বরাবরই থাকেন আলোচনার কেন্দ্রে। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমেও তার সরব উপস্থিতি রয়েছে।

এবার সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে একগুচ্ছ নতুন ছবি শেয়ার করেছেন এই অভিনেত্রী। শেয়ার করা ছবিতে দেখা গেছে, পরিপাটি সাজের সঙ্গে তার নতুন হেয়ারস্টাইল বেশ মানিয়েছে। বিশেষ করে সফট লেয়ার কাট, চকচকে হেয়ার ফিনিশ এবং ব্রাউনিশ কালার টোন তার লুকে এনে দিয়েছে এক ভিন্ন মাত্রা।

ক্যাপশনে পূর্ণিমা লিখেছেন, ‘আমার নতুন হেয়ার বোটক্স, সুন্দর কালার আর এই স্টাইলিশ কাটটা আমার ভীষণ পছন্দ হয়েছে। মনে হচ্ছে আমি একদম নতুন এক মানুষ।’

শুধু সামনের দিক থেকেই নয়, পেছন দিক থেকেও তার চুলের ভলিউম ও স্টাইলিং নজর কেছেড়ে নেটিজেনদের। তিনি হেয়ার বোটক্স ট্রিটমেন্টের মাধ্যমে চুলে এনেছেন মসৃণতা ও প্রাণবন্ত উজ্জ্বলতা।

পাশাপাশি চোখে স্টাইলিশ ফ্রেমের চশমা এবং সাদামাটা কালো পোশাক তার লুককে করেছে আরও পরিণত ও এলিগ্যান্ট। তার এই নতুন রূপে মুগ্ধ হয়েছেন ভক্ত-অনুরাগীরাও। কমেন্ট বক্সে অনেকে তার সৌন্দর্য ও নতুন স্টাইলের প্রশংসা করে ভালোবাসা জানিয়েছেন।পাশি ব্যক্তিজীবন ও স্টাইল স্টেটমেন্ট সবকিছু মিলিয়ে তিনি বরাবরই থাকেন আলোচনার কেন্দ্রে। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমেও তার সরব উপস্থিতি রয়েছে।

এবার সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে একগুচ্ছ নতুন ছবি শেয়ার করেছেন এই অভিনেত্রী। শেয়ার করা ছবিতে দেখা গেছে, পরিপাটি সাজের সঙ্গে তার নতুন হেয়ারস্টাইল বেশ মানিয়েছে। বিশেষ করে সফট লেয়ার কাট, চকচকে হেয়ার ফিনিশ এবং ব্রাউনিশ কালার টোন তার লুকে এনে দিয়েছে এক ভিন্ন মাত্রা।

ক্যাপশনে পূর্ণিমা লিখেছেন, ‘আমার নতুন হেয়ার বোটক্স, সুন্দর কালার আর এই স্টাইলিশ কাটটা আমার ভীষণ পছন্দ হয়েছে। মনে হচ্ছে আমি একদম নতুন এক মানুষ।’

শুধু সামনের দিক থেকেই নয়, পেছন দিক থেকেও তার চুলের ভলিউম ও স্টাইলিং নজর কেছেড়ে নেটিজেনদের। তিনি হেয়ার বোটক্স ট্রিটমেন্টের মাধ্যমে চুলে এনেছেন মসৃণতা ও প্রাণবন্ত উজ্জ্বলতা।

পাশাপাশি চোখে স্টাইলিশ ফ্রেমের চশমা এবং সাদামাটা কালো পোশাক তার লুককে করেছে আরও পরিণত ও এলিগ্যান্ট। তার এই নতুন রূপে মুগ্ধ হয়েছেন ভক্ত-অনুরাগীরাও। কমেন্ট বক্সে অনেকে তার সৌন্দর্য ও নতুন স্টাইলের প্রশংসা করে ভালোবাসা জানিয়েছেন।

খেলা

ছবি: সংগৃহীত।

জন্মদিনেই বড় সুখবর পেলেন সাকিব আল হাসান

বাংলাদেশের ক্রিকেট ইতিহাসের সর্বকালের অন্যতম সেরা ক্রিকেটার ও বিশ্বসেরা অলরাউন্ডার সাকিব আল হাসানের আজ জন্মদিন। ১৯৮৭ সালের এই দিনে মাগুরা জেলায় জন্মগ্রহণ করেন তিনি। আজ তার ৩৯তম জন্মদিন।

আর এই দিনেই বড় সুখবর পেলেন সাকিব আল হাসান। বাংলাদেশ ক্রিকেটের সবচেয়ে বড় বিজ্ঞাপন সাকিব আল হাসানকে নিয়ে দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনার কথা জানালেন নতুন প্রধান নির্বাচক হাবিবুল বাশার সুমন। কেবল একটি সিরিজের জন্য নয়, সাকিবকে অন্তত ২০২৭ সালের ওয়ানডে বিশ্বকাপ পর্যন্ত দলের অবিচ্ছেদ্য অংশ হিসেবে দেখতে চান তিনি।

প্রধান নির্বাচক পদে নিয়োগ পাওয়ার পর আজ মঙ্গলবার মিরপুরে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে সাকিব প্রসঙ্গে কথা বলেন তিনি। সামনেই নিউজিল্যান্ড সিরিজ, সেখানে সাকিবের অন্তর্ভুক্তি নিয়ে সুমন বলেন, ‘সাকিব ঠিক কতখানি ক্রিকেটের মধ্যে আছে, তা নিয়ে আমিও নিশ্চিত নই। সাকিব কাল এসে পরশু খেলে ফেলবে না। ওর প্রস্তুতির প্রয়োজন আছে। এটি কোনো ইমোশনাল জায়গা না। ও যখন ফিরবে, তখন যেন পুরোপুরি প্রস্তুত হয়েই ফেরে।’

সাকিবের বয়স ও দীর্ঘ বিরতি নিয়ে অনেক আলোচনা থাকলেও হাবিবুল বাশার মনে করেন, সাকিবের ভেতরে এখনো অনেক ক্রিকেট বাকি, ‘সাকিবের সার্ভিস নিতে পারলে দল অবশ্যই উপকৃত হবে। আমি চাই সে লম্বা সময়ের জন্য আসুক। আমার মনে হয় সাকিবের আরও দুই বছর খেলার সামর্থ্য আছে। আমাদের পরিকল্পনা এমন হওয়া উচিত যেন সে অন্তত ২০২৭ বিশ্বকাপ পর্যন্ত খেলে যেতে পারে।’

সাকিব আল হাসানকে ‘জেনুইন অলরাউন্ডার’ উল্লেখ করে প্রধান নির্বাচক জানান, সাকিবের মতো অভিজ্ঞ ক্রিকেটার দলে থাকলে ভারসাম্য বজায় থাকে। এখন সাকিবের মামলার আইনগত সমাধান এবং মাঠের প্রস্তুতি—এই দুইয়ের সমন্বয়েই ঠিক হবে কবে নাগাদ লাল-সবুজের জার্সিতে আবার দেখা যাবে দেশের ইতিহাসের সেরা এই অলরাউন্ডারকে।